
এসবিএসি ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস.এম. মঈনুল কবীর এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্টের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মো. ফরাসউদ্দিন, উপাচার্য ড. শামস রহমান, উপ-উপাচার্য ড. আশিক মোসাদ্দিক এবং কোষাধ্যক্ষ এয়ার কমোডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী।

বিএবি সভাপতির জানান, বৈঠকে গভর্নর তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে সংশোধিত আইনের ১৮(ক) ধারার শর্ত কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে।

বিএনপির সঙ্গে যোগসাজশেই কি বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে? আগে জয় বাংলা বলে ব্যাংক দখল হতো, এখন কি আল্লাহু আকবর দিয়ে হয়? বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অন্যায্যভাবে ইসলামী ব্যাংকে হস্তক্ষেপ করেছেন? ইসলামী ব্যাংকের কর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন কেন? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভিসি নিয়োগে দলীয় আনুগত্যই দেখা হচ্ছে এখনো? জামায়াতে ইসলা

শেয়ার বাজারে লুটপাটের কোনো সুযোগ নেই এবং বিএনপির শাসনামলে এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি বলে দাবি করেছেন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

১৯৮৮ সালে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সার্ক শীর্ষ সম্মেলন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তখন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। সার্ক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিল তার প্রতিনিধি দল। রেজাউর রহমান ছিলেন সেই প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুও জয় পাননি। নির্বাচন কেমন হলো? সামনের দিনের রাজনীতি নিয়েইবা কী ভাবছে দলটি? চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন মজিবুর রহমান মঞ্জু।

আর যদি আগের মতোই ক্ষমতা সংশ্লিষ্টরা যে যার ক্ষণিকের সুবিধার কথাই শুধু ভাবে, তবে মনে রাখা ভালো যে–দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পুষলে, তার কামড় একদিন নিজেকেও খেতে হতে পারে। তখন কিন্তু বেদের মেয়ে জোসনাও বীন বাজিয়ে বিষ নামাতে পারবে না!

টিআইবি বলছে, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। এর মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কী বার্তা যাচ্ছে, সেটিও সরকারের ভেবে দেখা উচিত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুর একজন অর্থনীতিবিদ। শুধু তা–ই নয়, ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যে কয়জন গভর্নর নিয়োগ পেয়েছেন, তারা সবাই অর্থনীতি, ব্যবসায় প্রশাসন ও ব্যাংকিং ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে আহসান এইচ মনসুরের উত্তরসূরি যিনি হতে চলেছেন, সেই মোস্তাকুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। আগে কারা ছিলেন, দায়িত্ব নেওয়ার আগে তাদের পেশা কী ছিল?

মোস্তাকুরের নিয়োগের মাধ্যমে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব পাওয়া আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে দেওয়া হলো।

গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৪ অগাস্ট আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়।

তিনি বলেন, ”অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং এ সময়ে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে।”

তিনি বলেন, ”অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনীতিকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং এ সময়ে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে।”