Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘ব্যবসায়ী গভর্নর’, আগে ছিলেন কারা

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১: ৩২
বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘ব্যবসায়ী গভর্নর’, আগে ছিলেন কারা

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুর একজন অর্থনীতিবিদ। শুধু তা–ই নয়, ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যতজন গভর্নর নিয়োগ পেয়েছেন, তারা সবাই অর্থনীতি, ব্যবসায় প্রশাসন ও ব্যাংকিং ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসা। কেউ কেউ ছিলেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আমলা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরির অভিজ্ঞতা ছিল তাদের। তবে আহসান এইচ মনসুরের উত্তরসূরি যিনি হতে চলেছেন, সেই মোস্তাকুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। ব্যাপারটি দিনভর যথেষ্ট কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান অবশ্য পড়াশোনা করেছেন হিসাববিজ্ঞানে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৭ সালে স্নাতক পাস করেন। ১৯৮৮ সালে করেন স্নাতকোত্তর। পরবর্তী সময়ে তিনি আইসিএমএবি থেকে হিসাববিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। মোস্তাকুর রহমান পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি হেরা সোয়েটার্স নামের একটি তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠানের মালিক। নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত তার প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশবান্ধব স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। তৈরি পোশাক ছাড়াও আবাসন খাতে মোস্তাকুর রহমানের ব্যবসা আছে। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে সব ব্যবসা ও নিজের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। এ ব্যাপারে আইনি বাধ্যবাধকতা আছে।

নতুন গভর্নর ৩০ বছর ধরে আর্থিক খাতে সুশাসন নিয়ে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে করপোরেট ফিন্যান্স, রপ্তানি, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা আছে তার।

মোস্তাকুর রহমান তৈরি পোশাকের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ, আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব), ঢাকা চেম্বারের সদস্য। এসব সংগঠনের বিভিন্ন কমিটিতে তিনি কাজ করেছেন। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুরmostakur rahman

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন আবদুর রউফ তালুকদার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবদুর রউফ তালুকদারও পালিয়ে যান। তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট আহসান এইচ মনসুরকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয় মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশ আসনে জিতে বিএনপি তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করার ৯ দিনের মাথায় আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগ বাতিল করা হলো।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান এ এন এম হামিদুল্লাহ। তিনি ১৯৭২ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৯৭৪ সালের ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি বাণিজ্য বিষয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। ছিলেন একজন ক্যারিয়ার–ব্যাংকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

দ্বিতীয় গভর্নর ছিলেন এ কে এম নাজিরউদ্দীন আহমেদ। তিনি ১৯ নভেম্বর ১৯৭৪ থেকে ১৩ জুলাই, ১৯৭৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। নাজিরউদ্দীন আহমেদ ছিলেন একজন অর্থনীতিবিদ।

ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন মো. নূরুল ইসলাম। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত তিনি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। তিনিও ছিলেন একজন অর্থনীতিবিদ।

এরপর এক এক করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন যথাক্রমে শেগুফতা বখত চৌধুরী, খোরশেদ আলম, লুৎফর রহমান সরকার, মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, ফখরুদ্দীন আহমেদ, সালেহউদ্দিন আহমেদ। এদের মধ্যে লুৎফর রহমান সরকার ছিলেন ব্যাংকার। বাকিরা সবাই ছিলেন অর্থনীতিবিদ।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান আতিউর রহমান। তিনি ছিলেন একজন অর্থনীতিবিদ। এর পরের দুই গভর্নর ফজলে কবির ও আবদুর রউফ তালুকদার ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। ফজলে কবিরের লেখাপড়া ছিল অর্থনীতি বিষয়ে, রউফ তালুকদারের ব্যবসায় প্রশাসন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কয়েকদিনের জন্য ভারপ্রাপ্ত গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নুরুন নাহার। তিনি বিএসসি পাস করে এমবিএ পড়েছিলেন। ছিলেন একজন ক্যারিয়ার ব্যাংকার।

নতুন গভর্নর ব্যবসায়ী হলেও আর্থিক খাত নিয়ে তার কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। দেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসে অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার কিংবা আমলারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এখন একজন ব্যবসায়ী কীভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা করেন, দেখার বিষয় এটিই।

বিষয়: ব্যাংকগভর্নরবাংলাদেশ ব্যাংক
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।