Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

দেশে দেশে নববর্ষ, কোথায় কেমন?

রিতু চক্রবর্ত্তী

রিতু চক্রবর্ত্তী

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ২৮
দেশে দেশে নববর্ষ, কোথায় কেমন?

বাংলা নববর্ষ বা পয়লা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশ খাওয়া, দলবেঁধে মেলায় যাওয়া আর বাজারে পুরনো ধারদেনা শোধ করে নতুন হালখাতা খোলা। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি সংস্কৃতিতেই নববর্ষ পালনের রীতি আছে। আছে ভিন্ন সময় আর ভিন্ন রীতিনীতি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রথমেই ইরানের নববর্ষ নওরোজ নিয়ে কথা বলা যাক। প্রাচীন পারস্য দেশের নববর্ষ নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন–

রূপের সওদা কে করিবি তোরা আয় রে আয়,

নওরোজের এই মেলায়!

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ডামাডোল আজি চাঁদের হাট

লুট হল রূপ হল লোপাট!

খুলে ফেলে লাজ শরম-ঠাট

রূপসিরা সব রূপ বিলায়

বিনি-কিম্মতে হাসি-ইঙ্গিতে হেলাফেলায়

নওরোজের এই মেলায়!

প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, বাদশাহ জামশিদের সময়ে নওরোজ উৎসবের প্রচলন হয় বলে বিবেচনা করা হয়। ইরানের বিখ্যাত কবি ও লেখকরা যেমন হাকিম আবুল কাসেম ফেরদৌসী, আবু রায়হান বিরুনী ও তাবারিও জামশিদকে নওরোজের প্রচলনকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইরানিরা চাহার শাম্বে সুরি (বছরের শেষ বুধবার) উৎসবের মাধ্যমে নওরোজকে স্বাগত জানায়।

তবে শুধু ইরানি বা পার্সিরাই নয়, ইরাক, ইরান, তুরস্ক, সিরিয়া ও আর্মেনিয়ায় বসবাসরত কুর্দিরা দীর্ঘকাল ধরে নওরোজ উদযাপন করে আসছে। উৎসবের ঠিক আগের রাতে তারা প্রথা অনুযায়ী আগুন জ্বালায়।

পারস্যের মহাকাব্য ‘শাহনামা’য় বর্ণিত জরাথ্রুস্টীয় পুরাণের ওপর ভিত্তি করেই তাদের এই উৎসবের আদি কথা প্রচলিত। মজার বিষয় হলো–কুর্দিরা নওরোজের সূচনার সাথে পার্সিদের মতো রাজা জামশিদের সেই চিরচেনা গল্পটি জুড়ে দেয় না। বরং কুর্দিদের বয়ানে এই দিনটির গুরুত্ব ফুটে ওঠে প্রাচীন কামার কাভেহ-র হাতে অত্যাচারী শাসক জহহাক-এর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে।

তাই কুর্দিদের কাছে এই উৎসব মানেই হচ্ছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়, আর শোষণের বিরুদ্ধে বিজয়ের উদযাপন। আর বর্তমান সময়ে কুর্দিদের এই নওরোজ উদযাপন কেবল একটি নতুন বছরের সূচনা নয়, বরং একটি স্বাধীন ‘কুর্দিস্তান’ গড়ার আকাঙ্ক্ষার প্রতীকেও পরিণত হয়েছে। এ বছর যুদ্ধের মধ্যেও নওরোজ পালন করেছে ইরানি ও কুর্দিরা।

ইরানের নওরোজ উৎসব। ছবি:  উইকিমিডিয়া কমনস
ইরানের নওরোজ উৎসব। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস

বহুবর্ণিল চীনের নববর্ষ

চীনে চান্দ্রপঞ্জিকা অনুযায়ী জানুয়ারির শেষ থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে যেকোনো দিন নতুন বছরের প্রথম দিন হতে পারে। এটি ১৫ দিনব্যাপী একটি বিশাল উৎসব, যা পারিবারিক পুনর্মিলন, উৎসবের ভোজ, সৌভাগ্যের প্রতীক লাল লণ্ঠন এবং লাকি মানি বা উপহারের টাকাভর্তি লাল খামে ভরপুর থাকে। অশুভ শক্তিকে তাড়াতে এবং সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি বয়ে আনতে এখানে সিংহ নাচের আয়োজন করা হয়। এই উৎসবে সবখানেই লাল রঙের ছড়াছড়ি দেখা যায়। কারণ, লাল রংকে চীনা ঐতিহ্যে সুরক্ষা ও ভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ভিয়েতনামে ‘তেত’

ভিয়েতনামে চন্দ্র নববর্ষ ‘তেত নগুয়েন দান’ হিসেবে উদযাপিত হয়, যা সাধারণত সংক্ষেপে ‘তেত’ নামে পরিচিত। চীনা নববর্ষের মতো এটিও একই চন্দ্রপঞ্জিকা অনুসরণ করে। তবে ‘তেত’ কেবল সৌভাগ্যের উৎসব নয়।। বরং এটি একটি নৈতিক শুদ্ধিকরণ বা মোরাল রিসেট-এর মাধ্যম।

তেত-এর মূল বার্তা হলো অসম্পূর্ণ বাধ্যবাধকতা বা দায়বদ্ধতা ছাড়াই নতুন বছর শুরু করা উচিত। ভিয়েতনামী বিশ্বাস অনুযায়ী, অমিমাংসিত বিষয়; যেমন–পুরনো দিনের মান-অভিমান, পারিবারিক দূরত্ব ও পূর্বপুরুষদের প্রতি অবহেলা নতুন বছরে বয়ে নিয়ে গেলে জীবনে ভারসাম্যের অভাব ঘটে। এসব ভুলে নতুন বছর শুরুর বার্তা দেয় এই ভিয়েতনামি চন্দ্র নববর্ষ।

তিব্বতে ‘লোসার’

তিব্বতের লোসার। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস
তিব্বতের লোসার। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস

তিব্বতি সংস্কৃতি যেসব অঞ্চলে আছে, সেখানে চন্দ্র নববর্ষ লোসার নামে উদযাপিত হয়। লোসার মূলত তিব্বতি বৌদ্ধধর্ম ও প্রাচীন আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। ভিয়েতনামি নববর্ষের মতো এটিও আত্মশুদ্ধির একটি বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত।

এই উৎসবে মঠগুলো কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। সেখানে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক নৃত্য, নৈবেদ্য ও প্রার্থনা করা হয়। লোসার কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান নয়। এটি এক প্রস্তুতিমূলক প্রক্রিয়া, যার লক্ষ্য–গত বছরের কোনো আধ্যাত্মিক রেশ ছাড়াই নতুন বছরের যাত্রা নিশ্চিত করা। তিব্বত, ভুটান, নেপালের কিছু অংশে লোসার পালন করা হয়।

থাইল্যান্ডের সংক্রান

থাইল্যান্ড ১ জানুয়ারিকে স্বীকৃতি দিলেও দেশটির ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ–‘সংক্রান’ উদ্‌যাপিত হয় এপ্রিল মাসে। এই উৎসবের সময় মানুষেরা রাস্তায় নেমে পরস্পরের দিকে ওয়াটার গান ও বালতিতে করে পানি ছোড়ে। এই পানি ছোড়া মূলত দুর্ভাগ্য ধুয়ে-মুছে নতুনকে স্বাগত জানানোর প্রতীক। এ ছাড়া সপরিবারে মন্দিরে গিয়ে বুদ্ধমূর্তির ওপর পবিত্র পানি অর্পণ এবং বড়দের হাতে সুগন্ধি জল ঢেলে শ্রদ্ধা নিবেদনের চল রয়েছে।

থাইল্যান্ডের সংক্রান উৎসব। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস
থাইল্যান্ডের সংক্রান উৎসব। ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস

১২ ঘণ্টায় ১২ আঙুর

স্পেনের নববর্ষে আবার আঙুর খাওয়ার রীতি আছে। মধ্যরাতে ঘড়ির কাঁটায় বারোটা বাজার প্রতিটি ঘণ্টার সাথে একটি করে মোট ১২টি আঙুর খেতে হবে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, মধ্যরাতের মধ্যে বারোটি আঙুর খেয়ে শেষ করতে পারলে নতুন বছরের প্রতিটি মাসে সৌভাগ্য সাথী হবে। প্রথাটির নাম–লাস দোচে উভাস দে লা সুয়ের্তে, যার অর্থ ‘সৌভাগ্যের বারোটি আঙুর’। স্পেনের মানুষজন টেলিভিশনের সামনে জড়ো হয়ে মাদ্রিদের পুয়ের্তা দে সল-এর ঘড়ি টাওয়ারের কাউন্টডাউন দেখে।

ব্রাজিলে নববর্ষ সমুদ্রসৈকতে

এই দেশে নববর্ষ উদযাপনকে বলে রেভেইলন। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে লাখ লাখ মানুষ সাদা পোশাক পরে সমুদ্রসৈকতে সমবেত হয়। সাদা রং এখানে আগামী বছরের শান্তি এবং ইতিবাচক শক্তির প্রতীক। ঠিক মধ্যরাতের পর সাগরের পানিতে নেমে সাতটি ঢেউ ডিঙিয়ে নতুন বছরের জন্য সাতটি ইচ্ছা পূরণের প্রার্থনা করে। এ ছাড়া অনেকে সাগরের দেবী ইয়েমানজার উদ্দেশে ফুল বা ছোট ছোট উপহার পানিতে ভাসিয়ে দেয়।

ব্রাজিলে নববর্ষ পালন
ব্রাজিলে নববর্ষ পালন

হিজরি নববর্ষ

হিজরি নববর্ষ বা ইসলামি নববর্ষ সারা বিশ্বের মুসলিমরা পালন করে থাকে। এটি ইসলামি পঞ্জিকার প্রথম মাস মহররমের শুরুর দিনে পালন করা হয়। চাঁদের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় বলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে এই উৎসবের তারিখ পরিবর্তিত হয়।

শিয়া সম্প্রদায় এই দিনটি জাঁকজমকভাবে পালন করলেও সুন্নিরা সাধারণত মসজিদে যায়, কুরআন তিলাওয়াত করে এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটায়। মূলত এটি আত্মসমালোচনা করার এবং আসন্ন বছরে আধ্যাত্মিক উন্নতির পথ খোঁজার একটি সময়।

নিউজিল্যান্ডে উৎসব মানে গল্প

নিউজিল্যান্ডে মাওরি আদিবাসীরা গল্প বলার মাধ্যমে তাদের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ ‘মাতারিকি’ পালন করে। প্রতি বছর এই উৎসবের নির্দিষ্ট তারিখ পরিবর্তিত হলেও সাধারণত এটি মে মাসের শেষ দিকে অথবা জুন মাসের শুরুতে পালন করা হয়। ভোরের আকাশে ‘মাতারিকি’ নামক একটি নক্ষত্রপুঞ্জ (যা প্লাইডেস নামেও পরিচিত) দৃশ্যমান হওয়ার মধ্য দিয়েই এর সূচনা ঘটে। মাওরিরা তাদের বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনি ও উপকথা বর্ণনা এবং ঐতিহ্যবাহী নাচের মাধ্যমে দিনটি উদ্‌যাপন করে।

ইথিওপিয়ার ‘এনকুতাতাশ’

আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়াতে ঐতিহ্যবাহী নববর্ষের নাম ‘এনকুতাতাশ’। এর অর্থ হলো ‘রত্নের উপহার’। তাদের চার বছরের একটি বিশেষ চক্র রয়েছে, যেখানে প্রতিটি বছরের নামকরণ একেকজন ধর্মপ্রচারকের নামে। প্রচলিত আছে– রানী শেবা আসলে একজন ইথিওপীয় ছিলেন। রাজা সলোমনের সঙ্গে দেখা করে যখন তিনি ফেরেন, তখন তাকে নিজ দেশে ‘এনকু’ বা রত্নভাণ্ডার পূর্ণ করে স্বাগত জানানো হয়। উৎসবের দিন খুব ভোরে সবাই ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে গির্জায় যায় এবং এরপর সবাই মিলে ‘ইনজেরা’ নামক চ্যাপ্টা রুটি ও ‘ওয়াত’ বা স্টু দিয়ে পারিবারিক ভোজ সম্পন্ন করে। নতুন পোশাক পরে শিশুরা নাচে-গানে গ্রাম মুখরিত করে তোলে। এবং সন্ধ্যায় প্রতিটি বাড়িতে গান ও নাচের আসর বসাতে আগুন জ্বালানো হয়। মেয়েরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফুলের তোড়া উপহার দেয় ও গান গায়। আর ছেলেরা নিজেদের আঁকা ছবি বিক্রি করে।

বিষয়: ভিয়েতনামইরানবৈশাখ চরচাতিব্বতবৈশাখ চরচা ১৪৩৩থাইল্যান্ডনববর্ষস্পেনইথিওপিয়াপয়লা বৈশাখপহেলা বৈশাখ
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।