চরচা ডেস্ক

তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের সাম্প্রতিক যুদ্ধ মহড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ‘অহেতুক উত্তেজনা বাড়িয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছে আমেরিকা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেইজিংকে সামরিক চাপ প্রয়োগ বন্ধ করে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, “তাইওয়ান ও আশপাশের অঞ্চলের প্রতি চীনের সামরিক কার্যক্রম ও আক্রমণাত্মক বাগাড়ম্বর অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। আমরা বেইজিংকে সংযম প্রদর্শনের, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ বন্ধ করার এবং পরিবর্তে অর্থবহ সংলাপে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
গত সোমবার ও মঙ্গলবার চীন তাইওয়ানের মূল দ্বীপকে ঘিরে লাইভ-ফায়ার মহড়া পরিচালনা করে। এতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পাশাপাশি কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান, নৌবাহিনীর জাহাজ এবং কোস্টগার্ডের জাহাজ মোতায়েন করা হয়। বেইজিং জানায়, এই মহড়ার উদ্দেশ্য ছিল তাইওয়ানের প্রধান বন্দরগুলো অবরোধের সক্ষমতা যাচাই করা।
তাইওয়ানের সরকার এই মহড়াকে ‘চরম উস্কানিমূলক’ বলে নিন্দা জানিয়েছে। চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মহড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং হামলার নির্দেশ দেবেন এমন আশঙ্কা তিনি দেখছেন না।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের অনুমোদিত ১১ বিলিয়ন ডলারের তাইওয়ান অস্ত্র সহায়তা প্যাকেজের পরপরই চীনের এই শক্তি প্রদর্শন কাকতালীয় নয়।
যদিও আমেরিকা কয়েক দশক ধরে তাইওয়ানের আত্মরক্ষায় সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে, তবে সরাসরি কোনো চীনা আক্রমণের ক্ষেত্রে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ হবে কি না সে বিষয়ে তারা বরাবরই ‘কৌশলগত অস্পষ্টতা’ বজায় রেখেছে।

তাইওয়ানকে ঘিরে চীনের সাম্প্রতিক যুদ্ধ মহড়া এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ‘অহেতুক উত্তেজনা বাড়িয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছে আমেরিকা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেইজিংকে সামরিক চাপ প্রয়োগ বন্ধ করে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, “তাইওয়ান ও আশপাশের অঞ্চলের প্রতি চীনের সামরিক কার্যক্রম ও আক্রমণাত্মক বাগাড়ম্বর অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। আমরা বেইজিংকে সংযম প্রদর্শনের, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ বন্ধ করার এবং পরিবর্তে অর্থবহ সংলাপে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”
গত সোমবার ও মঙ্গলবার চীন তাইওয়ানের মূল দ্বীপকে ঘিরে লাইভ-ফায়ার মহড়া পরিচালনা করে। এতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পাশাপাশি কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান, নৌবাহিনীর জাহাজ এবং কোস্টগার্ডের জাহাজ মোতায়েন করা হয়। বেইজিং জানায়, এই মহড়ার উদ্দেশ্য ছিল তাইওয়ানের প্রধান বন্দরগুলো অবরোধের সক্ষমতা যাচাই করা।
তাইওয়ানের সরকার এই মহড়াকে ‘চরম উস্কানিমূলক’ বলে নিন্দা জানিয়েছে। চীন দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মহড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেননি। সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং হামলার নির্দেশ দেবেন এমন আশঙ্কা তিনি দেখছেন না।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের অনুমোদিত ১১ বিলিয়ন ডলারের তাইওয়ান অস্ত্র সহায়তা প্যাকেজের পরপরই চীনের এই শক্তি প্রদর্শন কাকতালীয় নয়।
যদিও আমেরিকা কয়েক দশক ধরে তাইওয়ানের আত্মরক্ষায় সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে, তবে সরাসরি কোনো চীনা আক্রমণের ক্ষেত্রে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ হবে কি না সে বিষয়ে তারা বরাবরই ‘কৌশলগত অস্পষ্টতা’ বজায় রেখেছে।

অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রার দ্রুত অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে ইরানে আবারও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এই আন্দোলনে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটির কয়েকটি প্রদেশে বেশ অন্তত ছয় জন নিহত হয়েছেন বলে ইরানি গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে। এরপর আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।