চরচা ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরানের ‘কিছু তেলের’ ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। তিনি বলেছেন, ইরানের কিছু তেলের ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা আরও বেশি তেল পাবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলেছে, যদি এটি বাস্তবে রূপ নেয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের যে দীর্ঘ নীতি রয়েছে সেটির পুরো উল্টো হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এমন পদক্ষেপ তেলের দামের ক্ষেত্রে হয়তো সীমিত প্রভাব রাখতে পারে। কিন্তু তেল বিক্রি করে ইরান অর্থ আয় করে সেগুলো তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ব্যয় করতে পারবে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রাখায় ইরান থেকে আগে থেকেই কম দামে তেল কিনত চীন।
স্কট বেসেন্ট বলেছেন, যদি তারা ইরানের কিছু তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন তাহলে চীন যেন বাজার মূল্যে তেল কেনে সেটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
মার্কিন এ মন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমানে সাগরে ইরানের যেসব তেল রয়েছে সেগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে। যেন ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো এই কঠিন মুহূর্তে তেল পেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ইরানের ১৪০ মিলিয়ন ব্যারল তেল রয়েছে।
তবে বেসেন্ট সম্ভাব্য এই ছাড় কীভাবে কার্যকর হবে বা তেল বিক্রির অর্থ যাতে ইরান সরকারের হাতে না পৌঁছায় সে জন্য কোনো বিধিনিষেধ থাকবে কি না-সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। এ প্রস্তাব সম্পর্কে আরও তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।
এর আগে তেলের সরবরাহ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের মজুদ থেকে তেল ছেড়েছে এবং রাশিয়ার তেলের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞাও সাময়িকভাবে শিথিল করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরানের ‘কিছু তেলের’ ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। তিনি বলেছেন, ইরানের কিছু তেলের ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা আরও বেশি তেল পাবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলেছে, যদি এটি বাস্তবে রূপ নেয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের যে দীর্ঘ নীতি রয়েছে সেটির পুরো উল্টো হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এমন পদক্ষেপ তেলের দামের ক্ষেত্রে হয়তো সীমিত প্রভাব রাখতে পারে। কিন্তু তেল বিক্রি করে ইরান অর্থ আয় করে সেগুলো তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ব্যয় করতে পারবে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রাখায় ইরান থেকে আগে থেকেই কম দামে তেল কিনত চীন।
স্কট বেসেন্ট বলেছেন, যদি তারা ইরানের কিছু তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন তাহলে চীন যেন বাজার মূল্যে তেল কেনে সেটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
মার্কিন এ মন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমানে সাগরে ইরানের যেসব তেল রয়েছে সেগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে। যেন ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো এই কঠিন মুহূর্তে তেল পেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ইরানের ১৪০ মিলিয়ন ব্যারল তেল রয়েছে।
তবে বেসেন্ট সম্ভাব্য এই ছাড় কীভাবে কার্যকর হবে বা তেল বিক্রির অর্থ যাতে ইরান সরকারের হাতে না পৌঁছায় সে জন্য কোনো বিধিনিষেধ থাকবে কি না-সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। এ প্রস্তাব সম্পর্কে আরও তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে অর্থ বিভাগ।
এর আগে তেলের সরবরাহ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের মজুদ থেকে তেল ছেড়েছে এবং রাশিয়ার তেলের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞাও সাময়িকভাবে শিথিল করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরানের ‘কিছু তেলের’ ওপর থেকে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।