চরচা প্রতিবেদক

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা ঋণ খেলাপির অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, “একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে একই মিথ্যাকে বারবার প্রচার করে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। ঋণখেলাপির যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।”
নিজের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে গভর্নর জানান, তিনি যে গ্রিন ফ্যাক্টরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেটি কখনো বন্ধ হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানি কার্যক্রমও এক দিনের জন্য বন্ধ থাকেনি এবং শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধেও কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
ঋণের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে গভর্নর বলেন, “প্রকল্পটি শুরুতে ৪ শতাংশ সুদে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পেলেও পরবর্তীতে সুদের হার বাড়িয়ে ৯ থেকে ১১ শতাংশ করা হয়। এছাড়া কোভিড মহামারির সময়ে কিস্তি পরিশোধে কিছু বিলম্ব হয়েছিল। তবে সেটিকে বড় ধরনের খেলাপি ঋণ হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়।”
সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংক খাত থেকে লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে গভর্নর বলেন, “যারা ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করেছে, তাদেরকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। লুণ্ঠিত সম্পদ উদ্ধারে গঠিত ‘স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি টাস্কফোর্স’ নিয়মিত কাজ করছে এবং এ লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।”

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা ঋণ খেলাপির অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, “একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে একই মিথ্যাকে বারবার প্রচার করে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। ঋণখেলাপির যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।”
নিজের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে গভর্নর জানান, তিনি যে গ্রিন ফ্যাক্টরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সেটি কখনো বন্ধ হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানি কার্যক্রমও এক দিনের জন্য বন্ধ থাকেনি এবং শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধেও কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
ঋণের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে গভর্নর বলেন, “প্রকল্পটি শুরুতে ৪ শতাংশ সুদে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পেলেও পরবর্তীতে সুদের হার বাড়িয়ে ৯ থেকে ১১ শতাংশ করা হয়। এছাড়া কোভিড মহামারির সময়ে কিস্তি পরিশোধে কিছু বিলম্ব হয়েছিল। তবে সেটিকে বড় ধরনের খেলাপি ঋণ হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়।”
সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংক খাত থেকে লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে গভর্নর বলেন, “যারা ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করেছে, তাদেরকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। লুণ্ঠিত সম্পদ উদ্ধারে গঠিত ‘স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি টাস্কফোর্স’ নিয়মিত কাজ করছে এবং এ লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন যে, সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা রকম বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আজ শুক্রবার ওসমানি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশ্বস্ত করে বলন, ব্যাংকের আমানতকারীদের ভয়ের কোনো কারণ নেই।