চরচা প্রতিবেদক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এমনটিই মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল সানাউল্লাহ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ভোটারদের উচ্ছ্বাস, রাজনৈতিক দলগুলোর সরব অংশগ্রহণ এবং কঠোর নিরাপত্তা–সব মিলিয়ে নির্বাচনকে একটি জাতীয় উৎসবে পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “ভোটারদের প্রস্তুতি ও উৎসাহ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। আজ ঢাকায় ট্রেনগুলোর দিকে তাকান। ভোট দেওয়ার জন্য বিপুল সংখ্যক মানুষ নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাচ্ছে। ভোটারদের উপস্থিতি ও উদ্দীপনা, রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পৃক্ততা ও সচেতনতা... নির্বাচন ইতোমধ্যেই একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এবার যে পরিমাণ শক্তি ও সক্ষমতা মোতায়েন করা হয়েছে, তা বাংলাদেশে আগে কখনো দেখা যায়নি।”
সানাউল্লাহ জানান, ১৩ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ৮৫০টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কমিশনারের মতে, এ অস্ত্রগুলোর উদ্দেশ্যই ছিল নির্বাচনের সময় সহিংসতা ঘটানো।
কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় নতুন অস্ত্র উদ্ধারের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, কিছু গোষ্ঠী এখনো সহিংসতার চেষ্টা করছে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ আছে এবং তাদের কাজ প্রশংসার দাবি রাখে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা না ঘটলে ভালো হতো, তবে সার্বিক পরিস্থিতিতে আমরা সন্তুষ্ট। অতীতের যে কোনো নির্বাচনের তুলনায় আমরা ভালো অবস্থানে আছি।”
নির্বাচনের পরিসংখ্যান নিয়ে তিনি জানান, নির্বাচনে ২,০২৮ জন প্রার্থী ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৮১ জন। দেশব্যাপী ভোটকেন্দ্র ৪২,৯৫৮টি, যার অর্ধেকই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯৫৮,০০০ সদস্য। প্রায় ৯০% ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি রয়েছে। ইতোমধ্যে ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক ৪৫,৩৩০ জন (বিদেশি ৩৫০ জন)। নির্বাচনী কাভারেজে থাকবে ৯,৭০০ সাংবাদিক (বিদেশি ১৫৬ জন)।
সানাউল্লাহ আরও জানান, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রের ফলাফল মধ্যরাতের মধ্যেই পাওয়া যাবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এমনটিই মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল সানাউল্লাহ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ভোটারদের উচ্ছ্বাস, রাজনৈতিক দলগুলোর সরব অংশগ্রহণ এবং কঠোর নিরাপত্তা–সব মিলিয়ে নির্বাচনকে একটি জাতীয় উৎসবে পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “ভোটারদের প্রস্তুতি ও উৎসাহ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। আজ ঢাকায় ট্রেনগুলোর দিকে তাকান। ভোট দেওয়ার জন্য বিপুল সংখ্যক মানুষ নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যাচ্ছে। ভোটারদের উপস্থিতি ও উদ্দীপনা, রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পৃক্ততা ও সচেতনতা... নির্বাচন ইতোমধ্যেই একটি উৎসবে পরিণত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এবার যে পরিমাণ শক্তি ও সক্ষমতা মোতায়েন করা হয়েছে, তা বাংলাদেশে আগে কখনো দেখা যায়নি।”
সানাউল্লাহ জানান, ১৩ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ৮৫০টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কমিশনারের মতে, এ অস্ত্রগুলোর উদ্দেশ্যই ছিল নির্বাচনের সময় সহিংসতা ঘটানো।
কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় নতুন অস্ত্র উদ্ধারের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, কিছু গোষ্ঠী এখনো সহিংসতার চেষ্টা করছে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ আছে এবং তাদের কাজ প্রশংসার দাবি রাখে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা না ঘটলে ভালো হতো, তবে সার্বিক পরিস্থিতিতে আমরা সন্তুষ্ট। অতীতের যে কোনো নির্বাচনের তুলনায় আমরা ভালো অবস্থানে আছি।”
নির্বাচনের পরিসংখ্যান নিয়ে তিনি জানান, নির্বাচনে ২,০২৮ জন প্রার্থী ২৯৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৮১ জন। দেশব্যাপী ভোটকেন্দ্র ৪২,৯৫৮টি, যার অর্ধেকই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯৫৮,০০০ সদস্য। প্রায় ৯০% ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি রয়েছে। ইতোমধ্যে ডাকযোগে ভোট দিয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক ৪৫,৩৩০ জন (বিদেশি ৩৫০ জন)। নির্বাচনী কাভারেজে থাকবে ৯,৭০০ সাংবাদিক (বিদেশি ১৫৬ জন)।
সানাউল্লাহ আরও জানান, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রের ফলাফল মধ্যরাতের মধ্যেই পাওয়া যাবে।