চরচা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দামের ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা লেগেছে। এই সংকট কাটাতে আগামী ৩০ দিনের জন্য ইরানের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, এই সাময়িক অনুমোদন শুধু নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা সেসব তেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যেগুলো ইতোমধ্যে পরিবহনের পথে (ট্রানজিট) রয়েছে। নতুন কোনো ক্রয়াদেশের জন্য না।
এর আগে মার্কিন এই মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বর্তমানে সাগরে ইরানের যেসব তেল রয়েছে সেগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে। যেন ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো এই কঠিন মুহূর্তে তেল পেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ইরানের ১৪০ মিলিয়ন ব্যারল তেল রয়েছে।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে দেশ দুটির সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে এমন জাহাজগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাসের চালান পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘সিলেকটিভ ব্লকেড’ নীতির দিকে অগ্রসর হয়েছে ইরান। নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
সামুদ্রিক সংবাদ ও বিশ্লেষণভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লয়েড’স লিস্ট জানিয়েছে, ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, মালয়েশিয়া ও চীনসহ কয়েকটি দেশ হরমুজ প্রণালীতে চলাচলের জন্য তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দামের ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা লেগেছে। এই সংকট কাটাতে আগামী ৩০ দিনের জন্য ইরানের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, এই সাময়িক অনুমোদন শুধু নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা সেসব তেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যেগুলো ইতোমধ্যে পরিবহনের পথে (ট্রানজিট) রয়েছে। নতুন কোনো ক্রয়াদেশের জন্য না।
এর আগে মার্কিন এই মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বর্তমানে সাগরে ইরানের যেসব তেল রয়েছে সেগুলোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হতে পারে। যেন ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো এই কঠিন মুহূর্তে তেল পেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ইরানের ১৪০ মিলিয়ন ব্যারল তেল রয়েছে।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে দেশ দুটির সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে এমন জাহাজগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাসের চালান পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘সিলেকটিভ ব্লকেড’ নীতির দিকে অগ্রসর হয়েছে ইরান। নির্দিষ্ট কিছু দেশের জাহাজকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
সামুদ্রিক সংবাদ ও বিশ্লেষণভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লয়েড’স লিস্ট জানিয়েছে, ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, মালয়েশিয়া ও চীনসহ কয়েকটি দেশ হরমুজ প্রণালীতে চলাচলের জন্য তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দামের ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা লেগেছে। এই সংকট কাটাতে আগামী ৩০ দিনের জন্য ইরানের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।