Advertisement Banner

নিখোঁজ পাইলটকে খুঁজে পেতে মরিয়া আমেরিকা-ইরান, চলছে অভিযান

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
নিখোঁজ পাইলটকে খুঁজে পেতে মরিয়া আমেরিকা-ইরান, চলছে অভিযান
এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের একজনকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সেনারা। ফাইল ছবি: রয়টার্স

ইরান ও পারস্য উপসাগরের আকাশে বিধ্বস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ এক ক্রু সদস্যকে (পাইলট) খুঁজে বের করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে দুপক্ষই।

বিশেষজ্ঞরা বিবিসিকে বলছেন, বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু বা সেনাকে খুঁজে বের করা এখন সময়ের লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন উদ্ধারকারী দলের পাশাপাশি ইরানও তাকে খুঁজে বের করার দৌড়ে নেমেছে। তাই তাকে খুঁজে বের করা উত্তেজনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

মার্কিন কূটনীতিক ও সামরিক কৌশলবিদ জেমস জেফরি বলেন, “আমার জানামতে, এটিই সবচেয়ে বিপজ্জনক সামরিক অভিযান।” জেফরি এর আগে সিরিয়া ও ইরাক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাধারণত এ ধরনের অভিযানে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। সহায়তার জন্য থাকে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং পাহারায় থাকে অন্যান্য যুদ্ধবিমান।

গতকাল শুক্রবার ইরান থেকে পাওয়া একটি ভিডিওতে খুজেস্তান প্রদেশের আকাশে এ ধরনের একটি অভিযান চলতে দেখা গেছে।

জেফরি বিবিসিকে আরও বলেন, “এরা মার্কিন বিমানবাহিনীর বিশেষ অপারেশন দলের সদস্য। তারা ডেল্টা ফোর্স বা নেভি সিলের মতো উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও তারা দক্ষ। যতক্ষণ সামান্যতম সম্ভাবনা থাকে, ততক্ষণ তারা কোনো পাইলটকে না পাওয়া পর্যন্ত হাল ছাড়ে না।”

শত্রু সীমানায় কোনো বিমান বিধ্বস্ত হলে, সেই বিমানের পাইলট ও ক্রুরাও এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকেন।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক জেনিফার কাভানা বিবিসিকে বলেন, “তাদের প্রথম লক্ষ্য থাকে বেঁচে থাকা এবং ধরা পড়া এড়িয়ে চলা।”

কাভানা আরও বলেন, “যদি তারা শারীরিকভাবে সক্ষম থাকেন, তবে তাদের কাজ হলো দ্রুত দুর্ঘটনাস্থল থেকে দূরে সরে যাওয়া। এরপর নিজেদের এমনভাবে লুকিয়ে রাখা, যেন নিরাপদ থাকেন।”

কাভানা বলেন, ক্রুদের জীবন বাঁচানোর নানা কৌশল শেখানো হয়। ফলে তারা খাবার বা পানি ছাড়াই দীর্ঘ সময় থাকতে পারেন অথবা স্থানীয় পরিবেশ থেকেই বেঁচে থাকার রসদ জোগাড় করে নিতে পারেন।

সম্পর্কিত