চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর হাতিরঝিলের পশ্চিম রামপুরা মহানগর প্রজেক্ট এলাকার একটি বাসা থেকে নাবিহা তাহসিন নামের এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নাবিহা কুর্মিটোলা সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সঙ্গে তিনি পশ্চিম রামপুরায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মেলান্দ উপজেলায়।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দ্বীনবন্ধু রায় ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
পরে সেখানে নাবিহার মরদেহ ওড়না গলায় প্যাঁচানো অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
প্রাথমিকভাবে পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, নাবিহা তার মায়ের মৃত্যুর পর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই মানসিক অবস্থার কারণেই সে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের চাচাতো বোন শারমিন জাহান বলেন, চাচি মারা যাওয়ার পর থেকেই নাবিহা খুব ভেঙে পড়েছিল। প্রায়ই বলত, সে তার মায়ের কাছে চলে যাবে।
এ ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীর হাতিরঝিলের পশ্চিম রামপুরা মহানগর প্রজেক্ট এলাকার একটি বাসা থেকে নাবিহা তাহসিন নামের এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নাবিহা কুর্মিটোলা সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সঙ্গে তিনি পশ্চিম রামপুরায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মেলান্দ উপজেলায়।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দ্বীনবন্ধু রায় ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
পরে সেখানে নাবিহার মরদেহ ওড়না গলায় প্যাঁচানো অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
প্রাথমিকভাবে পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, নাবিহা তার মায়ের মৃত্যুর পর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই মানসিক অবস্থার কারণেই সে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহতের চাচাতো বোন শারমিন জাহান বলেন, চাচি মারা যাওয়ার পর থেকেই নাবিহা খুব ভেঙে পড়েছিল। প্রায়ই বলত, সে তার মায়ের কাছে চলে যাবে।
এ ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন।

আইজিপি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন বদলে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আধুনিক রাখতে হবে।