চরচা ডেস্ক

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে আরও ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ আগামীকাল বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজটি গত ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে এবং বর্তমানে আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে।
এ ছাড়া একই দিনে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজও বন্দরে পৌঁছাবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজে রয়েছে এলএনজি, যার স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। অন্যদিকে চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’ জাহাজ, যার স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় মোট চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে আগে আসা ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ ও ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ থেকেও জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে।
বিপিসির কর্মকর্তা ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে বিপিসি নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে আরও ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ আগামীকাল বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী জাহাজটি গত ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করে এবং বর্তমানে আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে।
এ ছাড়া একই দিনে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের আরেকটি জাহাজও বন্দরে পৌঁছাবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজে রয়েছে এলএনজি, যার স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। অন্যদিকে চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’ জাহাজ, যার স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় মোট চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে আগে আসা ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ ও ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ থেকেও জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে।
বিপিসির কর্মকর্তা ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে বিপিসি নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।