চরচা ডেস্ক

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ বলেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতি চাইছে না। রয়টার্সে প্রকাশিত এক খবর থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, “আমরা অবশ্যই যুদ্ধবিরতি চাইছি না। কারণ আমরা মনে করি আগ্রাসনকারীকে এমনভাবে জবাব দিতে হবে যাতে সে শিক্ষা পায় এবং ভবিষ্যতে আর কখনো আমাদের প্রিয় ইরানে হামলার কথা না ভাবতে পারে।”
কালিবাফ আরও বলেন, “জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখার জন্য যুদ্ধ, আলোচনা, যুদ্ধবিরতি এবং আবার যুদ্ধ-এই চক্র চালু রাখতে চায়। আমরা এই চক্র ভেঙে দেব।”
খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরও এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরান যুদ্ধবিরতি চাইছে না এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ‘অনুতপ্ত’ না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ শেষ হবে না।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।
পিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফের কোনো আলোচনায় বসবে বলে তার মনে হচ্ছে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার অভিজ্ঞতা ছিল ইরানের জন্য খুবই তিক্ত।”
এসময় তিনি আরও বলেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দুই দফায় আলোচনা হয়েছিল। তারপরই ইরানের ওপর এবারের এই হামলা চালানো হয়েছে।
আরাঘচি বলেন, “আগে দুই দফা আলোচনার পরই ইরানের ওপর হামলা হয়েছে।”
এদিকে, ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির জন্য জন্য শর্ত হলো - ভবিষ্যতে ইরানের ওপর আর কখনও আক্রমণ করা হবে না, এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ বলেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতি চাইছে না। রয়টার্সে প্রকাশিত এক খবর থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, “আমরা অবশ্যই যুদ্ধবিরতি চাইছি না। কারণ আমরা মনে করি আগ্রাসনকারীকে এমনভাবে জবাব দিতে হবে যাতে সে শিক্ষা পায় এবং ভবিষ্যতে আর কখনো আমাদের প্রিয় ইরানে হামলার কথা না ভাবতে পারে।”
কালিবাফ আরও বলেন, “জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখার জন্য যুদ্ধ, আলোচনা, যুদ্ধবিরতি এবং আবার যুদ্ধ-এই চক্র চালু রাখতে চায়। আমরা এই চক্র ভেঙে দেব।”
খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরও এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরান যুদ্ধবিরতি চাইছে না এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ‘অনুতপ্ত’ না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ শেষ হবে না।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।
পিবিএসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফের কোনো আলোচনায় বসবে বলে তার মনে হচ্ছে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার অভিজ্ঞতা ছিল ইরানের জন্য খুবই তিক্ত।”
এসময় তিনি আরও বলেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দুই দফায় আলোচনা হয়েছিল। তারপরই ইরানের ওপর এবারের এই হামলা চালানো হয়েছে।
আরাঘচি বলেন, “আগে দুই দফা আলোচনার পরই ইরানের ওপর হামলা হয়েছে।”
এদিকে, ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির জন্য জন্য শর্ত হলো - ভবিষ্যতে ইরানের ওপর আর কখনও আক্রমণ করা হবে না, এমন নিশ্চয়তা দিতে হবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করেছেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘটনার ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।