চরচা প্রতিবেদক

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান বলেন, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সোলার পাওয়ারকে (বিদ্যুৎ) কার্যকর ও টেকসই সমাধান হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে অব্যবহৃত সরকারি জমি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে। আমরা ধাপে ধাপে সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।”
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ডলার সংকট, জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের বকেয়া–সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। তবে সরকার ধাপে ধাপে সংকট মোকাবিলা করছে এবং খুব শিগগিরই এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেলে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিনিয়োগ আকর্ষণে ট্যাক্স সুবিধা ও অন্যান্য প্রণোদনার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) জানিয়েছে, শিল্প পর্যায়ে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি সংকট বড় বাধা ছিল। নতুন উদ্যোগে ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য সরকারি জমি বিনিয়োগকারীদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ফেনীর সোনাগাজীতে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে।
বিডা বলছে, সরকারের অংশীদারিত্ব থাকায় ব্যাংক অর্থায়নের জটিলতা কমবে এবং বৃহৎ (৫০ মেগাওয়াটের বেশি) সোলার প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এছাড়া ব্যাটারি অ্যানার্জি স্টোরেজ সিস্টেমসহ প্রযুক্তিগত সহায়তায় নীতিগত প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান বলেন, বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সোলার পাওয়ারকে (বিদ্যুৎ) কার্যকর ও টেকসই সমাধান হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে অব্যবহৃত সরকারি জমি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে। আমরা ধাপে ধাপে সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।”
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ডলার সংকট, জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের বকেয়া–সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। তবে সরকার ধাপে ধাপে সংকট মোকাবিলা করছে এবং খুব শিগগিরই এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেলে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিনিয়োগ আকর্ষণে ট্যাক্স সুবিধা ও অন্যান্য প্রণোদনার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) জানিয়েছে, শিল্প পর্যায়ে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি সংকট বড় বাধা ছিল। নতুন উদ্যোগে ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য সরকারি জমি বিনিয়োগকারীদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ফেনীর সোনাগাজীতে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে।
বিডা বলছে, সরকারের অংশীদারিত্ব থাকায় ব্যাংক অর্থায়নের জটিলতা কমবে এবং বৃহৎ (৫০ মেগাওয়াটের বেশি) সোলার প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এছাড়া ব্যাটারি অ্যানার্জি স্টোরেজ সিস্টেমসহ প্রযুক্তিগত সহায়তায় নীতিগত প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) জানিয়েছে, শিল্প পর্যায়ে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি সংকট বড় বাধা ছিল। নতুন উদ্যোগে ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য সরকারি জমি বিনিয়োগকারীদের ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ফেনীর সোনাগাজীতে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে।