চরচা প্রতিবেদক

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় বাহিনী থেকে চাকরিচ্যুতদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও ক্ষতিপূরণসহ চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়। পরে প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তায় মানববন্ধন করে আয়োজকরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবিও জানানো হয়। একই সঙ্গে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের কঠোর বিচার নিশ্চিত করার দাবি তোলা হয়।
আলোচনা সভায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য জহরুল ইসলাম জহুর বলেন, “আমাদের জানা মতে পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হয়েছে। বিচার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর যেসব বিডিআর সদস্য নিজ নিজ ইউনিটে হাজির ছিলেন, তাদের সবার বিরুদ্ধে একই আইনে একই চার্জশিট দেওয়া হয়। হাজার হাজার নিরপরাধ বিডিআরকে চাকরিচ্যুত করা হয়। অন্যদিকে একই চার্জশিটভুক্ত বাকি সদস্যদের পূর্ণ মর্যাদায় চাকরিতে বহাল রাখা হয়।”
সাবেক এই বিডিআর সদস্য আরও বলেন, “আমাদেরও চাকরি করার সুযোগ দিতে পারত। কিন্তু আমাদের সঙ্গে অন্যায় ও অবিচার করা হয়েছে। আমরা এখন ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।”
আলোচনা সভায়, অন্তবর্তী সরকারের গঠিত তদন্ত কমিশনকে ধন্যবাদ জানানো হয়। আরও বলা হয়, তারা এখনো জানেন না ওই প্রতিবেদনে কী আছে।
সভায় আলোচকরা বলেন, দেশের বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু তাতে কখনো গোটা বাহিনীকে কলঙ্কিত ঘোষণা করা হয় না। পিলখানার ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যাপক সংখ্যক সদস্যের ওপর দায় চাপানো হয়েছে। তাদের পরিবার দীর্ঘ ভোগান্তি শিকার করেছে।
আলোচনা সভায় জানানো হয়, ২০০৯ সালে তৎকালীন সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর বিশেষ আদালত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে আট হাজার ৭৯৬ জন বিডিআর সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরবর্তীতে আট হাজার ৫৯২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে পুনরায় চাকরিতে বহাল করা হয়।
আলোচকদের দাবি, পিলখানার ঘটনা কেবলমাত্র একটি বিদ্রোহ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, যার সত্য উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় তিনটি দাবি তোলা হয়। সেগুলো হলো-

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় বাহিনী থেকে চাকরিচ্যুতদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও ক্ষতিপূরণসহ চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়। পরে প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তায় মানববন্ধন করে আয়োজকরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবিও জানানো হয়। একই সঙ্গে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের কঠোর বিচার নিশ্চিত করার দাবি তোলা হয়।
আলোচনা সভায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য জহরুল ইসলাম জহুর বলেন, “আমাদের জানা মতে পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হয়েছে। বিচার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর যেসব বিডিআর সদস্য নিজ নিজ ইউনিটে হাজির ছিলেন, তাদের সবার বিরুদ্ধে একই আইনে একই চার্জশিট দেওয়া হয়। হাজার হাজার নিরপরাধ বিডিআরকে চাকরিচ্যুত করা হয়। অন্যদিকে একই চার্জশিটভুক্ত বাকি সদস্যদের পূর্ণ মর্যাদায় চাকরিতে বহাল রাখা হয়।”
সাবেক এই বিডিআর সদস্য আরও বলেন, “আমাদেরও চাকরি করার সুযোগ দিতে পারত। কিন্তু আমাদের সঙ্গে অন্যায় ও অবিচার করা হয়েছে। আমরা এখন ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।”
আলোচনা সভায়, অন্তবর্তী সরকারের গঠিত তদন্ত কমিশনকে ধন্যবাদ জানানো হয়। আরও বলা হয়, তারা এখনো জানেন না ওই প্রতিবেদনে কী আছে।
সভায় আলোচকরা বলেন, দেশের বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু তাতে কখনো গোটা বাহিনীকে কলঙ্কিত ঘোষণা করা হয় না। পিলখানার ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যাপক সংখ্যক সদস্যের ওপর দায় চাপানো হয়েছে। তাদের পরিবার দীর্ঘ ভোগান্তি শিকার করেছে।
আলোচনা সভায় জানানো হয়, ২০০৯ সালে তৎকালীন সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর বিশেষ আদালত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে আট হাজার ৭৯৬ জন বিডিআর সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়। পরবর্তীতে আট হাজার ৫৯২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে পুনরায় চাকরিতে বহাল করা হয়।
আলোচকদের দাবি, পিলখানার ঘটনা কেবলমাত্র একটি বিদ্রোহ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, যার সত্য উদঘাটনে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় তিনটি দাবি তোলা হয়। সেগুলো হলো-