Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

এখন তাহলে মমতার কী হবে?

একসময় মনে করা হতো, পশ্চিমবঙ্গের মসনত থেকে বামদের হটানো যাবে না। সেই ‘প্রায় অসম্ভব’ কাজকেই সম্ভব করেছিলেন রাজপথের লড়াকু নেত্রী মমতা। এবার তার ভরাডুবি হলো বেশ বাজেভাবেই। এই হারের পর মমতার সেই সংগ্রামী যাত্রা ফিরে আসবে কি? নাকি তিনি মিলিয়ে যাবেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ১৮: ৩৫
এখন তাহলে মমতার কী হবে?

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে বড় ব্যবধানে হেরে গেছে টানা তিনবার ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকি দলের সভানেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার নিজ আসনে হেরে গেছেন। এর মধ্য দিয়ে নতুন এক রাজনৈতিক মোড় দেখা গেলে ওপার বাংলায়। তাতে বিজেপিই আসলে মূল কারিগর। এখন তাহলে মমতার কী হবে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

একসময় মনে করা হতো, পশ্চিমবঙ্গের মসনত থেকে বামদের হটানো যাবে না। সেই ‘প্রায় অসম্ভব’ কাজকেই সম্ভব করেছিলেন রাজপথের লড়াকু নেত্রী মমতা। এবার তার ভরাডুবি হলো বেশ বাজেভাবেই। এই হারের পর মমতার সেই সংগ্রামী যাত্রা ফিরে আসবে কি? নাকি তিনি মিলিয়ে যাবেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।

এসব প্রশ্ন নিয়ে একটি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বিবিসি বলছে, গত ১৫ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির একটি অলিখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন–যেভাবেই হোক, তারা টিকে থাকার পথ খুঁজে নিতেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না, জানিয়ে দিলেন মমতাmamata

গত সোমবার সেই ধারার অবসান ঘটল।

মমতার এই পরাজয় ভারতের সমসাময়িক রাজনীতির এক উল্লেখযোগ্য ক্যারিয়ারকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। যে পথ চলা শুরু হয়েছিল রাজপথের আন্দোলন দিয়ে, তার পরিণতি হলো তার নিজের হাতে গড়া রাজনৈতিক দুর্গের পতনের মধ্য দিয়ে।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে এবারের অগ্নিপরীক্ষায় হার মানতে হয়েছে এই জননেত্রীকে। ফলে টানা চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, তা শেষ হয়ে গেল। এই জয় পেলে তিনি জ্যোতি বসু বা নবীন পট্টনায়েকের মতো দীর্ঘমেয়াদী জননেতাদের তালিকায় জায়গা করে নিতেন।

মমতার এই পরাজয় ভারতের সমসাময়িক রাজনীতির এক উল্লেখযোগ্য ক্যারিয়ারকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। যে পথ চলা শুরু হয়েছিল রাজপথের আন্দোলন দিয়ে, তার পরিণতি হলো তার নিজের হাতে গড়া রাজনৈতিক দুর্গের পতনের মধ্য দিয়ে।

সাধারণ সুতির শাড়ি আর রবার চটি পরা এই ছোটখাটো মানুষটিকে দেখে কখনোই মনে হয়নি, তিনি বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ মেয়াদী নির্বাচিত কমিউনিস্ট সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারেন। অথচ ২০১১ সালে তিনি টানা ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারকে পরাজিত করেছিলেন, যা গোটা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রকে বদলে দিয়েছিল। এক সময় ভারতের প্রজ্ঞা ও ব্যবসার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গ যখন শিল্পায়ন ও রাজনীতির স্থবিরতায় ভুগছিল, তখন ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’ তাকে ‘নিজেদের বার্লিন দেওয়াল ভেঙে ফেলার হাতিয়ার’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। ওই সময় ‘টাইম’ ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেয়।

মমতা এবং লড়াইয়ে টিকে থাকার চড়া মূল্যMamata

মমতার উত্থান হয়েছিল বাংলার লড়াকু রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে, যেখানে নির্বাচন মানেই যেন রাজপথের যুদ্ধ। তার সমর্থকরা তাকে ‘অগ্নির দেবী’ বলে ডাকতেন। কলকাতার এক নিম্নবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া মমতা ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমেই কংগ্রেসে যোগ দেন। আশির দশকে তিনি বাম বিরোধিতার প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন এবং পরে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় মমতা। ছবি: ফেসবুক
নির্বাচনী প্রচারণায় মমতা। ছবি: ফেসবুক

বাংলার রাজনীতির সংঘাত মমতার জীবনকেও প্রভাবিত করেছে। ১৯৯০ সালে এক মিছিলে সিপিএম ক্যাডারদের হামলায় তার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। এই ঘটনাই তাকে একাধারে লড়াকু এবং ত্যাগী নেত্রীর প্রতিচ্ছবি হিসেবে গড়ে তোলে। ক্ষমতায় থাকার সময়ও তিনি নিজেকে একজন বিদ্রোহী হিসেবেই তুলে ধরতেন।

২০০৭ সালে সিঙ্গুরে টাটা মোটরসের কারখানা এবং নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলন মমতার উত্থানকে আরও ত্বরান্বিত করে। নিজেকে কৃষকদের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরে তিনি গ্রামবাংলার দরিদ্র মানুষের মন জয় করেন। তবে এই আন্দোলনের ফলে শহরের মধ্যবিত্ত ও ব্যবসায়ীরা তার থেকে দূরে সরে যান। কারণ তারা মনে করেছিলেন, মমতা বাংলা থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে দিচ্ছেন।

মুসলিম ভোটে বিভক্তি মমতার হারের বড় কারণ?mamata

লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের নৃবিজ্ঞানী মুকুলিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বিবিসিকে বলেন, “মমতা নরেন্দ্র মোদির মতোই সারাজীবন রাজনীতি করেছেন। তার প্রতিপক্ষ ছিল শিক্ষিত, উচ্চবর্ণের কমিউনিস্ট পুরুষরা (ভদ্রলোক), যারা তার গায়ের রং বা চলন-বলনকে তাচ্ছিল্য করত।”

সবাই তাকে ‘দিদি’ বলে ডাকতেন। কারণ তিনি এমন এক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, যিনি মানুষের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত।

মুকুলিকা আরও বলেন, “প্রথম দিকের সেই লড়াইগুলো মমতাকে সাহসী করে তুলেছিল। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি তাদেরও সাহসী করতে শিখেছিলেন।”

সবাই তাকে ‘দিদি’ বলে ডাকতেন। কারণ তিনি এমন এক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, যিনি মানুষের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত।

ভারতের অধিকাংশ নারী রাজনীতিকের মতো মমতার পেছনে কোনো শক্তিশালী পরিবার বা মেন্টর ছিল না। মুকুলিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, মমতা নিজেই দল গড়ে অপরাজেয় কমিউনিস্টদের হারিয়েছেন এবং তিন মেয়াদে ক্ষমতায় ছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি অন্য নারীদেরও রাজনীতিতে এগিয়ে এনেছেন (এবারের নির্বাচনে তার দল ৫২ জন নারী প্রার্থী দিয়েছিল)।

নিজ আসনেও জয় পেলেন না মমতাmomota4

বহু বছর ধরে মমতার ব্যক্তিগত ক্যারিশমা, নারীদের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং আঞ্চলিক আবেগ দুর্নীতি ও বিজেপির উত্থানকে ঠেকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দিয়ে চিরকাল শাসন চালানো যায় না। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য একসময় বলেছিলেন, বাম আমলে পশ্চিমবঙ্গ ছিল একটি ‘পার্টি সোসাইটি’, যেখানে জীবনের প্রতিটি স্তরে পার্টি বা দল জড়িয়ে ছিল। মমতার দল এই কাঠামোটি গ্রহণ করলেও সেখানে নিজের ব্যক্তিগত প্রভাব খাটাতেন। তিনি একে একটি ‘ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল’ হিসেবে চালাতেন, যেখানে স্থানীয় নেতাদের আনুগত্যের বিনিময়ে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দেওয়া হতো।

নির্বাচনী প্রচারণায় মমতা। ছবি: ফেসবুক
নির্বাচনী প্রচারণায় মমতা। ছবি: ফেসবুক

২০২৩ সালেই দ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য আশঙ্কা করেছিলেন, এই মডেল তৃণমূলকে দুর্বল করে দিচ্ছে। নেতাদের ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার লোভ দলের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দূরত্ব তৈরি করছিল। এর সঙ্গে যুক্ত হয় রাজ্যের আর্থিক সংকট, বেকারত্ব, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং নারী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ।

এবারের এই পরাজয়ের পর মমতার সামনে এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। বাংলার রাজনীতির ইতিহাস বলে, শাসক দল হারলে নেতা-কর্মীরা দ্রুত নতুন ক্ষমতার দিকে ঝুঁকে পড়ে। বিশ্লেষক সায়ন্তন ঘোষ মনে করেন, তৃণমূলের অনেক নেতা বিজেপিতে চলে যেতে পারেন, যার ফলে দলে ভাঙন দেখা দিতে পারে।

৭১ বছর বয়সী মমতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনই শেষ বলা হয়তো ঠিক হবে নাG তবে এই পরাজয় আগের সংকটের চেয়ে অনেক বড়। সোমবারের ফলাফল বলছে, মোদির বিজেপির একাধিপত্যের সামনে লড়াই করা এখন আগের মতো সহজ নয়।

পশ্চিমবঙ্গে মমতা একাই ২৯৪momota2

মমতা কি পারবেন আবার সেই আগের মতো রাজপথের লড়াকু নেত্রী হয়ে ফিরে আসতে? নাকি তিনি পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক স্মৃতি হয়ে থেকে যাবেন? সোমবার মমতা কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও পরাজিত হয়েছেন।

মমতা নিজেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি আবার রাজপথে ফিরছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমি এখন এক মুক্ত পাখি, একজন সাধারণ মানুষ। আমার কাছে আর কোনো চেয়ার নেই।”

তিনি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, “আমরা হারিনি, আমাদের থেকে জয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।” সবশেষে তিনি সেই চিরপরিচিত ঢঙে বললেন, “আমি যেকোনো জায়গা থেকে লড়াই করতে পারি। তাই এবার আমাকে আবার রাজপথেই দেখা যাবে।”

বিষয়: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়তৃণমূল কংগ্রেসরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ববিজেপিনরেন্দ্র মোদিপশ্চিমবঙ্গ নির্বাচননির্বাচন কমিশনমুখ্যমন্ত্রীহাসপাতালভারতপশ্চিমবঙ্গ
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড