
অপর্ণা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য এক সতর্কবার্তা। নির্বাচন শুধু একটি প্রক্রিয়া নয়, এটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার যদি প্রশাসনিক জটিলতা, বিলম্ব বা কঠোরতার কারণে ক্ষুণ্ণ হয়, তবে গণতন্ত্রের ভিতই দুর্বল হয়ে পড়ে।

২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুই ব্যক্তি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকায় চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

মিহিদানা মূলত পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের সুখ্যাত মিষ্টান্ন। প্রায় শত বছর আগে এই মিষ্টি তৈরি করা হয়েছিল।
মিষ্টিমুখ ছাড়া উৎসব ঠিক উৎসব মনে হয় না। বাঙালির উৎসব মানেই তো মিষ্টি। কিন্তু কিছু মিষ্টি কি হারিয়ে যাচ্ছে? কারণ, এমন কিছু মিষ্টি আছে, যা আজকাল তেমন একটা দেখা যায় না।

আইন অনুযায়ী, চলতি বছরেই ভারতের জাতীয় সংসদের আসন বৃদ্ধির কথা। কিন্তু হচ্ছে না। কারণ, কোভিডের জন্য ২০২১ সালে জনগণনা হয়নি। ২০২৭ সালের মধ্যে জনগণনা শেষ হওয়ার কথা। তারপরই হতে পারে আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন। যখনই হোক দক্ষিণ ভারতের গুরুত্ব কমার আশঙ্কা প্রবল।

জিজ্ঞাসাবাদের সব তথ্য বাংলাদেশ পাবে কিনা, জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান বলেন, ”আমরা টাইম টু টাইম আপডেট রাখছি এবং সেখানে রিমান্ডে কী তথ্য মিলছে, সবই আমরা জানতে পারব। আমাদের চেষ্টা হলো, দ্রুত তাদের দেশে ফেরানো।”

নেতাদের আয়ারাম, গয়ারামের খুব ভালো দুটি ছবি ধরা পড়ে ২০১৭ সালে মণিপুর ও গোয়ায়। ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভায় কংগ্রেস জিতেছিল ২৮টি আসনে এবং বিজেপি ২১টিতে। কিন্তু সরকার গঠন করে বিজেপি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, মালদা এবং আলিপুরদুয়ারের মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর ঠিক ওপারে জামায়াতের জয়কে বিশেষভাবে তুলে ধরছে। এটি নির্বাচনী প্রচারণার উপযোগী একটি ‘ভয়ের ভূগোল’ তৈরি করেছে।

দাপ্তরিক নাম মণিশংকর মুখোপাধ্যায় হলেও তিনি পরিচিত ছিলেন ‘শংকর’ নামে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দুইজনের শরীরে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট। রাজনৈতিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে গত বছর থেকেই। খোদ প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতে নিয়মিত রাজ্য সফর করছেন। আসছেন দিল্লির থেকে বিজেপির অন্য নেতা-মন্ত্রীরাও।

সেখানে শুল্ক কর্মকর্তারা একটি নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে দুই যুবককে আসতে দেখেন। দলটি তাদের থামতে বললে বাইক আরোহীরা থামার ভান করে, কিন্তু হঠাৎ করেই দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়।

সামনেই আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাডু, কেরালা ও পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট। বিজেপি বিভাজনের রাজনীতিকে পুরোমাত্রায় কাজে লাগাচ্ছে। সঙ্গে থাকছে দলবদলের অংকও। কারণ বিজেপি নেতারা জানেন, ভারতের সাধারণ মানুষ মন থেকেই অসাম্প্রদায়িক।

সামনেই আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাডু, কেরালা ও পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট। বিজেপি বিভাজনের রাজনীতিকে পুরোমাত্রায় কাজে লাগাচ্ছে। সঙ্গে থাকছে দলবদলের অংকও। কারণ বিজেপি নেতারা জানেন, ভারতের সাধারণ মানুষ মন থেকেই অসাম্প্রদায়িক।