চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।
মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর বাড্ডা এলাকার বাসা থেকে মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওইদিনই মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা বাড্ডা থানায় সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, মিমোর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা দেখে তার পরিবারের সন্দেহ হয় যে, সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে মিমোর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল।
এ ছাড়া, ঘটনার আগের রাতে দুজনের মধ্যে ভিডিও কলে কথোপকথন হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরিবারের দাবি, ওই কথোপকথনের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যা করেন মিমো।
একইদিন উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুদীপকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার তিন দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।
মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ২৬ এপ্রিল রাজধানীর বাড্ডা এলাকার বাসা থেকে মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওইদিনই মিমোর বাবা গোলাম মোস্তফা বাড্ডা থানায় সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, মিমোর ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা দেখে তার পরিবারের সন্দেহ হয় যে, সুদীপ চক্রবর্তীর সঙ্গে মিমোর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল।
এ ছাড়া, ঘটনার আগের রাতে দুজনের মধ্যে ভিডিও কলে কথোপকথন হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরিবারের দাবি, ওই কথোপকথনের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যা করেন মিমো।
একইদিন উত্তর বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুদীপকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।