চরচা প্রতিবেদক

সেই ১৯৮৬ সালে শেষবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জিতেছিল মেক্সিকো। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে বারবার হৃদয়ঙ্গের যন্ত্রণায় পুড়তে হয়েছে তাদের। এবার ঘরের মাটিতে বিশ্বকাপে সেই খরা কাটল মেক্সিকোর। ইকুয়েডরকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে এবারের আসরের দ্বিতীয় স্বাগতিক দেশ হিসেবে শেষ ষোলোতে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করল মেক্সিকো।
মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে দর্শক সমর্থনের কোনো কমতি ছিল না মেক্সিকোর। সেটা কাজে লাগিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যেই দারুণ দুটি সুযোগ তৈরি করেছিল দলটি, তবে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন মোরা ও রাউল হিমেনেজ। খানিক বাদে ইকুয়েডরের ইয়েবোয়ার ছয় গজের ভেতর থেকে নেওয়া শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে।
শেষ পর্যন্ত ২২তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন কুইনোনসে। বক্সের ভেতর থেকে বা পায়ের কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই ফের গোল হজম করে বসে ইকুয়েডর। এবার হিমেনেজ আর ভুল করেননি, ডান পায়ের ক্লিনিক্যাল ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন করেন ২-০।
বিরতির পর এলোমেলো ফুটবলে ইকুয়েডর সেভাবে মেক্সিকোতে বিপদে ফেলতে পারেনি। দলটি লং পাস আর দূরপাল্লার শটের ওপর নির্ভর করে আক্রমণ শানায়, যা কাজে দেয়নি। উল্টো মুখ ঢেকে কথা বলার দায়ে যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখেন হিনকাপি।
শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড ও কঙ্গোর মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দল। অন্যদিকে ২০ বছর পর প্রথমবার গ্রুপ পর্বের বাঁধা পেরিয়ে আসা ইকুয়েডরের পথচলা নকআউট পর্বের শুরতেই থেমে গেল।

সেই ১৯৮৬ সালে শেষবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জিতেছিল মেক্সিকো। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে বারবার হৃদয়ঙ্গের যন্ত্রণায় পুড়তে হয়েছে তাদের। এবার ঘরের মাটিতে বিশ্বকাপে সেই খরা কাটল মেক্সিকোর। ইকুয়েডরকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে এবারের আসরের দ্বিতীয় স্বাগতিক দেশ হিসেবে শেষ ষোলোতে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করল মেক্সিকো।
মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে দর্শক সমর্থনের কোনো কমতি ছিল না মেক্সিকোর। সেটা কাজে লাগিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যেই দারুণ দুটি সুযোগ তৈরি করেছিল দলটি, তবে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন মোরা ও রাউল হিমেনেজ। খানিক বাদে ইকুয়েডরের ইয়েবোয়ার ছয় গজের ভেতর থেকে নেওয়া শট গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে।
শেষ পর্যন্ত ২২তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন কুইনোনসে। বক্সের ভেতর থেকে বা পায়ের কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই ফের গোল হজম করে বসে ইকুয়েডর। এবার হিমেনেজ আর ভুল করেননি, ডান পায়ের ক্লিনিক্যাল ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন করেন ২-০।
বিরতির পর এলোমেলো ফুটবলে ইকুয়েডর সেভাবে মেক্সিকোতে বিপদে ফেলতে পারেনি। দলটি লং পাস আর দূরপাল্লার শটের ওপর নির্ভর করে আক্রমণ শানায়, যা কাজে দেয়নি। উল্টো মুখ ঢেকে কথা বলার দায়ে যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখেন হিনকাপি।
শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড ও কঙ্গোর মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দল। অন্যদিকে ২০ বছর পর প্রথমবার গ্রুপ পর্বের বাঁধা পেরিয়ে আসা ইকুয়েডরের পথচলা নকআউট পর্বের শুরতেই থেমে গেল।