চরচা ডেস্ক

সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। স্কাই নিউজের বরাতে আল জাজিরা এই খবর প্রকাশ করেছে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব জন হিলি রোববার জানিয়েছেন, সাইপ্রাসের দিকে লক্ষ্য করে দুটি ইরানি মিসাইল ছোড়া হয়েছিল, তবে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।
এই দ্বীপে ব্রিটেনের দুটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। হিলি জানান, মিসাইলগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রিটিশ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, “আমাদের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেই কি সেগুলো ছোড়া হয়েছিল, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।”
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব আরও জানান যে, বাহরাইনের লক্ষ্যবস্তুগুলোর কাছাকাছি প্রায় ৩০০ ব্রিটিশ সদস্য মোতায়েন ছিল এবং আমেরিকা-ইসরায়েল হামলার পর সৃষ্ট ব্যাপক আঞ্চলিক পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করেন। স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিলি আরও বলেন, “আয়াতুল্লাহর মৃত্যুতে খুব কম মানুষই শোক প্রকাশ করবে।”
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ইরানের ওপর হামলার পরবর্তী প্রভাব এবং একটি ব্যাপক আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বেশি চিন্তিত। ব্রিটিশ সরকার নিশ্চিত করেছে যে, আমেরিকা-ইসরায়েলি অভিযানে ব্রিটেন অংশ নেয়নি।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জরুরি কোবরা কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের সরকারি ভ্রমণ নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানান। সাইপ্রাসে অবস্থানরত ব্রিটিশ বাহিনী উচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ওই অঞ্চলে ব্রিটিশ কর্মী ও সম্পদ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সাইপ্রাস সরকার ইতোমধ্যেই ব্রিটিশ সরকারের সাথে কথা বলেছে এবং এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি শিগগিরই আসবে।

সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। স্কাই নিউজের বরাতে আল জাজিরা এই খবর প্রকাশ করেছে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব জন হিলি রোববার জানিয়েছেন, সাইপ্রাসের দিকে লক্ষ্য করে দুটি ইরানি মিসাইল ছোড়া হয়েছিল, তবে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।
এই দ্বীপে ব্রিটেনের দুটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। হিলি জানান, মিসাইলগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ব্রিটিশ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, “আমাদের ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করেই কি সেগুলো ছোড়া হয়েছিল, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।”
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব আরও জানান যে, বাহরাইনের লক্ষ্যবস্তুগুলোর কাছাকাছি প্রায় ৩০০ ব্রিটিশ সদস্য মোতায়েন ছিল এবং আমেরিকা-ইসরায়েল হামলার পর সৃষ্ট ব্যাপক আঞ্চলিক পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করেন। স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিলি আরও বলেন, “আয়াতুল্লাহর মৃত্যুতে খুব কম মানুষই শোক প্রকাশ করবে।”
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ইরানের ওপর হামলার পরবর্তী প্রভাব এবং একটি ব্যাপক আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকি নিয়ে তিনি বেশি চিন্তিত। ব্রিটিশ সরকার নিশ্চিত করেছে যে, আমেরিকা-ইসরায়েলি অভিযানে ব্রিটেন অংশ নেয়নি।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জরুরি কোবরা কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের সরকারি ভ্রমণ নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানান। সাইপ্রাসে অবস্থানরত ব্রিটিশ বাহিনী উচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ওই অঞ্চলে ব্রিটিশ কর্মী ও সম্পদ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সাইপ্রাস সরকার ইতোমধ্যেই ব্রিটিশ সরকারের সাথে কথা বলেছে এবং এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি শিগগিরই আসবে।