চরচা প্রতিবেদক

বিরোধীদলীয় নেতার ‘৯১টি বিল উত্থাপন’ সংক্রান্ত বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, একাধিক সংশোধনী যুক্ত হওয়ায় কিছু অধ্যাদেশ একত্রে একটি বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে সংখ্যাগত বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
বিরোধী দলের একাধিক ওয়াকআউটকে সংসদীয় রীতি হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, কিছু ক্ষেত্রে বিরোধীরা সঠিক তথ্য উপস্থাপন করেননি। সংসদে তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া হলেও বাইরে দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতেই এই ব্রিফিং আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সংবিধানের বাধ্যবাধকতার কারণে সময়সীমার মধ্যেই ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন ও নিষ্পত্তি করতে হয়েছে। অল্প কর্মদিবসে এত বিপুলসংখ্যক অধ্যাদেশ নিষ্পত্তি করতে গিয়ে সময়স্বল্পতা তৈরি হলেও সংসদ সচিবালয়, আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিনরাত পরিশ্রম করেছেন।
তিনি বলেন, গত ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। ১৫ মার্চ একদিন অধিবেশন চলার পর ঈদুল ফিতর ও শবে কদরসহ দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যত ১৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সংসদীয় কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ২৯ মার্চ সংসদ পুনরায় বসে। কিন্তু সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া বাধ্যতামূলক। ফলে ২৯ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ১২–১৩ কর্মদিবসে সব অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির চাপ তৈরি হয়।
মন্ত্রী বলেন, শেষদিকে শুক্র ও শনিবারও অধিবেশন চালিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। সময়স্বল্পতার কারণে কোনো কোনো বিলের কপি বা কম্পারেটিভ স্টেটমেন্ট আগেভাগে বিতরণে ঘাটতি থাকতে পারে—এ বিষয়টি স্পিকার ও বিরোধীদল উভয়েই উত্থাপন করেছেন। তবে কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী স্পিকার সময় মওকুফ করার এখতিয়ার রাখেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপনের পর একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি তিন দফা বৈঠক শেষে ২ এপ্রিল সংসদে প্রতিবেদন দেয়। প্রতিবেদনে ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিতভাবে পাসের সুপারিশ করা হয়। ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষে বিল আকারে আনার প্রস্তাব করা হয়, কিছু অধ্যাদেশ রহিত বা হেফাজতে রাখার সুপারিশ করা হয় এবং প্রায় ১৫টি সংশোধিত আকারে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে বিরোধী সদস্যদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ হুবহু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং স্পিকার তাদের দীর্ঘ সময় বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন—যা নজিরবিহীন।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সংক্রান্ত বিল নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কিউরেটরের অপসারণ বা পদত্যাগের বিধান আইনে স্পষ্ট রাখা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আলোচনা করে ভবিষ্যতে আরও সংশোধিত বিল আনা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতার ‘৯১টি বিল উত্থাপন’ সংক্রান্ত বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, একাধিক সংশোধনী যুক্ত হওয়ায় কিছু অধ্যাদেশ একত্রে একটি বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ফলে সংখ্যাগত বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আজ রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
বিরোধী দলের একাধিক ওয়াকআউটকে সংসদীয় রীতি হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, কিছু ক্ষেত্রে বিরোধীরা সঠিক তথ্য উপস্থাপন করেননি। সংসদে তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া হলেও বাইরে দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতেই এই ব্রিফিং আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সংবিধানের বাধ্যবাধকতার কারণে সময়সীমার মধ্যেই ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন ও নিষ্পত্তি করতে হয়েছে। অল্প কর্মদিবসে এত বিপুলসংখ্যক অধ্যাদেশ নিষ্পত্তি করতে গিয়ে সময়স্বল্পতা তৈরি হলেও সংসদ সচিবালয়, আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিনরাত পরিশ্রম করেছেন।
তিনি বলেন, গত ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। ১৫ মার্চ একদিন অধিবেশন চলার পর ঈদুল ফিতর ও শবে কদরসহ দীর্ঘ ছুটির কারণে কার্যত ১৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সংসদীয় কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ২৯ মার্চ সংসদ পুনরায় বসে। কিন্তু সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া বাধ্যতামূলক। ফলে ২৯ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ১২–১৩ কর্মদিবসে সব অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির চাপ তৈরি হয়।
মন্ত্রী বলেন, শেষদিকে শুক্র ও শনিবারও অধিবেশন চালিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। সময়স্বল্পতার কারণে কোনো কোনো বিলের কপি বা কম্পারেটিভ স্টেটমেন্ট আগেভাগে বিতরণে ঘাটতি থাকতে পারে—এ বিষয়টি স্পিকার ও বিরোধীদল উভয়েই উত্থাপন করেছেন। তবে কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী স্পিকার সময় মওকুফ করার এখতিয়ার রাখেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপনের পর একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি তিন দফা বৈঠক শেষে ২ এপ্রিল সংসদে প্রতিবেদন দেয়। প্রতিবেদনে ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিতভাবে পাসের সুপারিশ করা হয়। ১৬টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই শেষে বিল আকারে আনার প্রস্তাব করা হয়, কিছু অধ্যাদেশ রহিত বা হেফাজতে রাখার সুপারিশ করা হয় এবং প্রায় ১৫টি সংশোধিত আকারে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে বিরোধী সদস্যদের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ হুবহু অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং স্পিকার তাদের দীর্ঘ সময় বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন—যা নজিরবিহীন।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সংক্রান্ত বিল নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কিউরেটরের অপসারণ বা পদত্যাগের বিধান আইনে স্পষ্ট রাখা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আলোচনা করে ভবিষ্যতে আরও সংশোধিত বিল আনা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুব শিগগিরই বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। আজ রোববার সচিবালয়ে মালয়েশিয়া সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন এই তথ্য জানান।