থাইল্যান্ডের পার্কে ভাইরাসে ৭২ বাঘের মৃত্যু

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
থাইল্যান্ডের পার্কে ভাইরাসে ৭২ বাঘের মৃত্যু
ছবি: রয়টার্স

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি ব্যক্তিগত সাফারি পার্কে সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে অন্তত ৭২টি বাঘ মারা গেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

থাইল্যান্ডের চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ কার্যালয় গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরীক্ষায় মারাত্নক সংক্রামক ক্যানাইন ডিস্টেম্পার ভাইরাসের পাশাপাশি শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে এমন ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করা হয়েছে।

জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতনামুংক্লানন স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, “বাঘরা অসুস্থ হলে, বিড়াল বা কুকুরের মতো পোষা প্রাণীর তুলনায় তাদের রোগ শনাক্ত করা অনেক কঠিন। আমরা যখন বুঝতে পারলাম যে, তারা অসুস্থ, তখন ইতোমধ্যেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।”

সোমচুয়ান আরও বলেন, ভাইরাসে চিয়াং মাই প্রদেশের টাইগার কিংডম সাফারি পার্কের বাঘগুলোর মৃত্যু হয়েছে।

চিয়াং মাই প্রদেশের দুটি জেলায় ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, পাহাড়ি এলাকা মায়ে রিম ও মায়ে ত্যাং।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কয়েক ডজন বাঘের মধ্যে প্রথমে অসুস্থতার লক্ষণ দেখা যায়।

বাঘগুলোর মৃত্যুর পর টাইগার কিংডম সাফারি পার্ক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই পার্কটি পর্যটকদের বাঘকে জড়িয়ে ধরা, স্পর্শ করা এবং খুব কাছ থেকে ছবি তোলার সুযোগ দেওয়ার কারণে জনপ্রিয় একটি পর্যটনকেন্দ্র।

বাঘের মৃত্যুর বিষয়ে এ পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি টাইগার কিংডম সাফারি পার্ক।

চিয়াং মাইয়ের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ দপ্তরের পরিচালক কৃতসয়ার্ম কংসাত্রি থাই গণমাধ্যমকে বলেন, এভাবে মৃত্যু অত্যন্ত অস্বাভাবিক।

এর আগে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে দক্ষিণ ভিয়েতনামে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৭টি বাঘ ও তিনটি লেপার্ডের মৃত্যু হয়েছিল।

সম্পর্কিত