চরচা প্রতিবেদক

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে। কোরবানির পশু বেচাকেনা ঘিরে জাল টাকা চক্র, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, অজ্ঞান ও মলম পার্টির তৎপরতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এবার পশুর হাটকেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আগেভাগেই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ মেশিন, সিসিটিভি মনিটরিং, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য, মোবাইল টহল ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প রাখা হয়েছে প্রতিটি হাটে। পাশাপাশি পশুবাহী যানবাহনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে মহাসড়ক ও প্রবেশপথেও থাকবে বাড়তি নজরদারি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “জাল টাকা শনাক্তে মেশিন ব্যবহার, সিসিটিভি নজরদারি, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ মনিটরিং এবং ডিবির গোয়েন্দা টিম মাঠে কাজ করবে। ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নিরাপদে লেনদেন করতে পারেন সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও জাল টাকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
উত্তরা দিয়াবাড়ি বউবাজার পশুর হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য খাইরুল বাসার বলেন, “গত বছরও আমরা জাল টাকার কয়েকটি ঘটনা পেয়েছিলাম। এবার শুরু থেকেই মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। বড় অঙ্কের টাকা নেওয়ার আগে সবাইকে যাচাই করতে বলা হয়েছে।”
মাতুয়াইল পশুর হাটের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জলিল উদ্দিন বলেন, “হাটে ব্যাংক বুথ ও জাল টাকা শনাক্তকারী মেশিন রাখার জন্য আমরা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করছি। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক টিমও থাকবে, যারা ক্রেতা-বিক্রেতাদের সহযোগিতা করবে।”
মিরপুরের পশুর হাটের ইজারাদার প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম বলেন, “সবচেয়ে বেশি ভয় থাকে জাল টাকা ও অজ্ঞানপার্টি নিয়ে। হাটে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে। অনেকেই নগদ টাকা বহন করেন। তাই নিরাপত্তা বাড়াতে আমরা নিজস্ব সিসিটিভি ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিয়েছি।”
এবার রাজধানীতে ২৭টি অস্থায়ী পশুর হাটের মধ্যে ১৯টির ইজারা সম্পন্ন হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদের আগে পাঁচ দিন পশুর হাটগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় থাকবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দাকার রফিকুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে জাল টাকা চক্র প্রতি বছর সক্রিয় হয়ে ওঠে। হাটে জাল টাকা শনাক্তের জন্য বিশেষ ডিটেকশন বুথও রাখা হবে। কোনো চক্রকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
র্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, “জাল টাকা, চুরি-ছিনতাই, অজ্ঞানপার্টি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে পশু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণা ঠেকাতেও সাইবার মনিটরিং চলছে।”

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে। কোরবানির পশু বেচাকেনা ঘিরে জাল টাকা চক্র, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, অজ্ঞান ও মলম পার্টির তৎপরতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এবার পশুর হাটকেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আগেভাগেই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জাল টাকা শনাক্তে বিশেষ মেশিন, সিসিটিভি মনিটরিং, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য, মোবাইল টহল ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প রাখা হয়েছে প্রতিটি হাটে। পাশাপাশি পশুবাহী যানবাহনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে মহাসড়ক ও প্রবেশপথেও থাকবে বাড়তি নজরদারি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “জাল টাকা শনাক্তে মেশিন ব্যবহার, সিসিটিভি নজরদারি, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ মনিটরিং এবং ডিবির গোয়েন্দা টিম মাঠে কাজ করবে। ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নিরাপদে লেনদেন করতে পারেন সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও জাল টাকার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
উত্তরা দিয়াবাড়ি বউবাজার পশুর হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য খাইরুল বাসার বলেন, “গত বছরও আমরা জাল টাকার কয়েকটি ঘটনা পেয়েছিলাম। এবার শুরু থেকেই মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। বড় অঙ্কের টাকা নেওয়ার আগে সবাইকে যাচাই করতে বলা হয়েছে।”
মাতুয়াইল পশুর হাটের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জলিল উদ্দিন বলেন, “হাটে ব্যাংক বুথ ও জাল টাকা শনাক্তকারী মেশিন রাখার জন্য আমরা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করছি। পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক টিমও থাকবে, যারা ক্রেতা-বিক্রেতাদের সহযোগিতা করবে।”
মিরপুরের পশুর হাটের ইজারাদার প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম বলেন, “সবচেয়ে বেশি ভয় থাকে জাল টাকা ও অজ্ঞানপার্টি নিয়ে। হাটে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে। অনেকেই নগদ টাকা বহন করেন। তাই নিরাপত্তা বাড়াতে আমরা নিজস্ব সিসিটিভি ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিয়েছি।”
এবার রাজধানীতে ২৭টি অস্থায়ী পশুর হাটের মধ্যে ১৯টির ইজারা সম্পন্ন হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদের আগে পাঁচ দিন পশুর হাটগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় থাকবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দাকার রফিকুল ইসলাম চরচাকে বলেন, “ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে জাল টাকা চক্র প্রতি বছর সক্রিয় হয়ে ওঠে। হাটে জাল টাকা শনাক্তের জন্য বিশেষ ডিটেকশন বুথও রাখা হবে। কোনো চক্রকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
র্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, “জাল টাকা, চুরি-ছিনতাই, অজ্ঞানপার্টি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে পশু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে প্রতারণা ঠেকাতেও সাইবার মনিটরিং চলছে।”