Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

যেভাবে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের শুরু

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪: ৪৬
যেভাবে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের শুরু

ইসরায়েল–ফিলিস্তিন সংঘাতের সূচনা উনিশ শতকের শেষ ভাগে, যখন ইউরোপে নির্যাতনের শিকার হয়ে ইহুদিরা জায়নবাদী মতবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে ফিলিস্তিনে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেয়। ১৮৯৭ সালে প্রথম জায়নবাদী কংগ্রেসে ফিলিস্তিনে ইহুদি রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য স্থির করা হয়। ধীরে ধীরে হাজার হাজার ইহুদি ফিলিস্তিনে আসতে থাকেন, যা স্থানীয় জনমিতি ও সামাজিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আনে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশদের বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭) ইহুদিদের জন্য ফিলিস্তিনে রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি দেয়। এর ফলে ইহুদি অভিবাসন আরও ত্বরান্বিত হয়। ১৯২৯ সালে জেরুজালেমের ওয়েইলিং ওয়াল বা বুরাক দেয়াল নিয়ে প্রথম বড় ইহুদি–মুসলিম দাঙ্গা সংঘটিত হয়। এর পর ইহুদি মিলিশিয়া গড়ে ওঠে, যারা ১৯৪৬ সালে কিং ডেভিড হোটেলে বোমা হামলা চালায় এবং ১৯৪৮ সালে দেইর ইয়াসিন গ্রামে গণহত্যা চালায়।

১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। এর পরদিনই মিসর, জর্ডান, সিরিয়া ও ইরাক যুদ্ধ শুরু করে, যা ইতিহাসে প্রথম আরব–ইসরায়েল যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। ইসরায়েল অস্ত্রের জোগান পায় চেকোস্লোভাকিয়া থেকে এবং শেষ পর্যন্ত টিকে যায়। এই যুদ্ধেই বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়ে শরণার্থী জীবনে ঠেলে দেওয়া হয়।

পরবর্তী দশকগুলোতে একের পর এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল গাজা, পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গোলান মালভূমি দখল করে নেয়। এই সময়ে আরও লাখো ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়। ১৯৭৩ সালের ইয়োম কিপুর যুদ্ধে মিসর কিছুটা ভূমি পুনরুদ্ধার করলেও ফিলিস্তিনিরা রাষ্ট্র গঠনের পথে এগোতে পারেনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আংশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা হলেও পশ্চিম তীর ও গাজার বেশির ভাগ অংশ ইসরায়েলের সামরিক নিয়ন্ত্রণে থেকে যায়। ২০০০ সালে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা শুরু হয়, যা পাঁচ বছর স্থায়ী ছিল এবং উভয় পক্ষের হাজারো প্রাণহানি ঘটায়।

২০০৬ সালে হামাস গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর থেকে গাজা ইসরায়েলি অবরোধ ও ধারাবাহিক সামরিক হামলার শিকার হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৭ সালে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়।

২০১৮ সালের ১৪ মে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিন–ইসরায়েল সংকট নতুন মাত্রা পায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা শুরু হয় গাজায়। তখন ৫৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয় ইসরায়েলি হামলায়। আহত হয় ৩ হাজারের বেশি। ওই ঘটনার পর শতাধিক ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারী ইসরায়েলি সৈন্যদের গুলি ও বোমায় নিহত হয়। ফিলিস্তিনিরা তাদের এই বিক্ষোভের নাম দেয় ‘গ্রেট মার্চ টু রিটার্ন’। অর্থাৎ নিজের জায়গায় ফিরে যাওয়ার মিছিল।

২০২১ জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে আবারও সংঘাত হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের পাঠানো বিশেষ দূতের মাধ্যমে হওয়া আলোচনার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। নিরস্ত হয় ইসরায়েলি বাহিনী। বরাবরের মতোই ক্ষয়ক্ষতির পাল্লা ফিলিস্তিনিদের দিকেই ভারী ছিল।

এই সংঘাতের একটি রূপই এখনকার ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ। গাজার সংকীর্ণ ভূখণ্ডে প্রতিদিন আছড়ে পড়ছে বোমা, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ছে শিশু ও নারী-পুরুষ। এ যুদ্ধে গাজায় সাড়ে ৬৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, মিডল ইস্ট মনিটর

বিষয়: আহতনিহতহামাসইহুদিহামলাইউরোপফিলিস্তিনইসরায়েলশিশুগুলি
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।