Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

কেন ইরানে হামলা নাও করতে পারে আমেরিকা

ইয়াসিন আরাফাত

ইয়াসিন আরাফাত

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৪৪
কেন ইরানে হামলা নাও করতে পারে আমেরিকা

ভেনেজুয়েলার সাবেক নেতা নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উৎসাহিত হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থার হুমকি দিচ্ছেন। এমন এক সময়ে এই হুমকি আসছে, যখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির ধর্মীয় শাসকরা গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভের মুখে পড়েছে। ট্রাম্পের এই বারবার সতর্কবার্তা ওয়াশিংটনে একটি পরিচিত প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে ইরানে আমেরিকার হস্তক্ষেপ আসলে দেখতে কেমন হবে? বিশেষ করে যখন এই অঞ্চলে অতীতে আমেরিকার নেওয়া পদক্ষেপগুলো খুব একটা সফল হয়নি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রেসিডেন্টের যুদ্ধংদেহী মনোভাব সত্ত্বেও পেন্টাগন এখন পর্যন্ত ওই অঞ্চলে কোনো বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেনি। আমেরিকার উপসাগরীয় মিত্ররাও ইরানের ওপর মার্কিন হামলার জন্য নিজেদের মাটি ছেড়ে দিতে খুব একটা আগ্রহী নয়। গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ইরানি বিমান হামলায় তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মার্কিন সামরিক হামলা উল্টো সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ইরান সরকারকে অভ্যন্তরীণ সমর্থন পেতে সহায়তা করতে পারে। মার্কিন হামলা বিক্ষোভকে ‘বিদেশি চক্রান্ত’ হিসেবে প্রমাণ করতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আমেরিকা হামলা করলে তা বাহ্যিক হুমকির বিরুদ্ধে ইরানের আঞ্চলিক জোটকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

হিজবুল্লাহ কী, এদের কাজ কী?hizbullah

লজিস্টিক বা কৌশলগত সমস্যা
ট্রাম্প ইরানি শাসনের বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের কথা বললেও ওই অঞ্চলে কোনো সামরিক পূর্ব-প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে না। ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা উপস্থিতি কমিয়েছে আমেরিকা, যা সামরিক বিকল্পগুলোকে আরও সীমিত করে দিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

গত অক্টোবর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার কোনো বিমানবাহী রণতরী নেই। গ্রীষ্মকালে ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’কে ক্যারিবীয় অঞ্চলে এবং শরতে ‘ইউএসএস নিমিৎস’কে আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, ইরানের লক্ষ্যবস্তু বা খামেনির ওপর কোনো বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ও মিত্র দেশগুলোর বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে হবে তাদের।

সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে কাতার, বাহরাইন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি নিতে হবে। একই সাথে এসব দেশ ও ঘাঁটিগুলোকে ইরানের পাল্টা হামলা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে।

দ্বিতীয় বিকল্প হতে পারে গত জুনে ইরানের ফোরদো ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক কেন্দ্রে চালানো দূরপাল্লার বি-২ বোমারু বিমানের মতো হামলা। কিন্তু জনবহুল শহুরে এলাকায় এ ধরনের হামলা ভয়াবহ প্রাণহানির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। যদিও আমেরিকা তার মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলো ব্যবহার না-ও করে, তবুও ইরানি নেতারা হুমকি দিয়েছেন যে, আক্রান্ত হলে তারা মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজগুলোতে হামলা চালাবে।

ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তেহরান সীমিত আকারে ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে জানা গেছে। ইরানের প্রধান উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো পাহাড়ের নিচে সুরক্ষিত রয়েছে এবং তেহরান সেগুলো পুনর্নির্মাণ করছে। দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের কাছে প্রায় ২ হাজার ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, একসাথে নিক্ষেপ করলে যা মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিতে সক্ষম।

বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানে তুরস্কের এত আগ্রহ কেন?turkiye

লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের জটিলতা
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরেকটি বড় সমস্যা হলো হামলার লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা। ইরানি প্রশাসনের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করা কঠিন না হলেও বর্তমান বিক্ষোভ এবং আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থাপনা চিহ্নিত করা গেলেও জনবহুল এলাকায় হামলার নির্ভুলতা বজায় রাখা সবসময়ই একটি চ্যালেঞ্জ, যেখানে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের স্পষ্ট ঝুঁকি থাকে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি: রয়টার্স
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি: রয়টার্স

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৫৩ সালে ইরানে অভ্যুত্থান ঘটায় আমেরিকা। এই ইতিহাসের কারণে ইরান সরকার যেকোনো মার্কিন হামলাকে সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। বর্তমানে খামেনি সরকার সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় না হলেও তারা দুর্বল নয়; বিশেষ করে গত জুনে ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী হামলার মধ্যেও তারা টিকে গিয়েছিল।

থিংক ট্যাংক ‘রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট’-এর সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট রোকসানে ফারমানফারমাইয়ান দ্য গার্ডিয়ান-কে বলেন, “ইরানে স্পষ্টতই একটি সুসংহত সরকার, সামরিক ও নিরাপত্তা পরিষেবা রয়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি খামেনির ওপর হামলার কথা বিবেচনা করতে পারে। তবে অন্য কোনো দেশের নেতাকে হত্যা করা অনেক আইনি প্রশ্ন তুলবে এবং দীর্ঘমেয়াদে সামরিক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেবে। এ ছাড়া এতে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের সম্ভাবনাও কম। কারণ, ইরানি নেতা ইতোমধ্যে তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তিনজন জ্যেষ্ঠ আলেমের একটি তালিকা তৈরি করে রেখেছেন।

বিষয়: আমেরিকাহামলাইরানইরান-ইসরায়েল সংঘাতইসরায়েল
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।