Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

কেন বারবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন ট্রাম্প?

ইয়াসিন আরাফাত

ইয়াসিন আরাফাত

প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ৫৯
কেন বারবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন ট্রাম্প?

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন রাজনীতির এক বিতর্কিত ও প্রভাবশালী নাম। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্সিয়াল লড়াইয়ে নামার পর থেকে এখন পর্যন্ত তাকে বেশ কয়েকবার প্রাণনাশের হুমকি ও সরাসরি হামলার সম্মুখীন হতে হয়েছে। স্থানীয় শনিবার রাতে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে গুলির ঘটনা ট্রাম্পের ওপর হওয়া হামলার তালিকায় নতুন সংযোজন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি হলেন ৩১ বছর বয়সী কোল টমাস অ্যালেন। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক ও ভিডিও গেম ডেভেলপার।

একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন বলছে, অ্যালেন ক্যালিফোর্নিয়ার টরেন্সের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক বলে জানা গেছে। তার লিংকডইন প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি পার্ট-টাইম শিক্ষক হিসেবে সি২ এডুকেশনে কর্মরত ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি তাকে ‘টিচার অব দ্য মান্থ’ হিসেবেও স্বীকৃতি দেয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ট্রাম্পের ওপর হামলাকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তি ৩১ বছর বয়সী কোল টমাস অ্যালেন। ছবি: রয়টার্স
ট্রাম্পের ওপর হামলাকারী সন্দেহভাজন ব্যক্তি ৩১ বছর বয়সী কোল টমাস অ্যালেন। ছবি: রয়টার্স

প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি ২০১৭ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউড অব টেকনলোজি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং গত বছর ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, ডোমিনগুয়েজ হিলস থেকে থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অক্টোবরে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণায় ২৫ ডলার অনুদান দেন অ্যালেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই। পেনসিলভানিয়ার বাটলার এলাকায় একটি নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। ঠিক তখনই গুলির বিকট শব্দ শোনা যায়। ২০ বছর বয়সী বন্দুকধারী থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস মঞ্চের কাছাকাছি একটি ভবনের ছাদে অবস্থান নিয়ে সরাসরি ট্রাম্পের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিলেন।

ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে তার মাথাটি সামান্য ঘুরিয়ে ফেলায় বুলেটটি তার ডান কান বিদ্ধ করে চলে যায়। মাত্র কয়েক ইঞ্চির ব্যবধানে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে বেঁচে ফেরেন তিনি। তবে এই হামলায় একজন নিরপরাধ দর্শক প্রাণ হারান এবং দুজন গুরুতর আহত হন। হামলাকারী সিক্রেট সার্ভিসের পাল্টা গুলিতে নিহত হন ।

বাটলারের ঘটনার কয়েক মাস কাটতে না কাটতেই ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্লোরিডায় আবারও ট্রাম্পের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। তিনি যখন তার নিজস্ব ওয়েস্ট পাম বিচ গলফ কোর্সে খেলছিলেন, তখন ঝোপের আড়ালে রাইফেল নিয়ে ওত পেতে ছিলেন রায়ান রাউথ নামক এক ব্যক্তি।

প্রসিকিউটরদের ভাষ্য, রাউথ কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্পের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এই ছক সাজিয়েছিলেন। তবে গুলি চালানোর আগেই এক সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট রাইফেলের নলটি দেখে ফেলেন এবং গুলি চালান। রাউথ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। অস্টিন টাকার মার্টিন নামক ২১ বছর বয়সী এক তরুণ শটগান নিয়ে জোরপূর্বক ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বাসভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেন। সেখানে দায়িত্বরত পুলিশের গুলিতে মার্টিন নিহত হন। তদন্তে জানা যায়, তার উদ্দেশ্য ছিল ট্রাম্পকে হত্যা করা। তবে সৌভাগ্যবশত সে সময় প্রেসিডেন্ট সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় শনিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নৈশভোজের সময় আবারও হামলার চেষ্টা চালানো হয়। এবারও একজন শটগানধারী এক এজেন্টের ওপর গুলি চালায়।

বারবার এমন হামলার পরও ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনড় অবস্থান বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হামলার পরপরই তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট হওয়া মানেই ঝুঁকি নেওয়া।’’

বারবার নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে বন্দুকধারীরা ট্রাম্পের এত কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন, তা নিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। বাটলারের ঘটনার পর সিক্রেট সার্ভিসের তৎকালীন প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে চরমভাবে দ্বিধাবিভক্ত। ট্রাম্পের কট্টরপন্থী অবস্থান এবং তার বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা মার্কিন সমাজে এক ধরণের 'আবেগীয় মেরুকরণ' তৈরি করেছে। অনেকের কাছে তিনি একজন ত্রাণকর্তা, আবার অনেকের কাছে তিনি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এই অতি-আবেগপ্রবণ পরিবেশ কিছু ব্যক্তিকে সহিংসতায় উসকে দিচ্ছে।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্লোরিডায় হামলার চেষ্টাকারী রায়ান রাউথের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তিনি ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি (বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ বিষয়ক অবস্থান) নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন।

প্রসিকিউটরদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি জানায়, রাউথ বিশ্বাস করতেন ট্রাম্প পুনরায় নির্বাচিত হলে তা ইউক্রেন বা বিশ্ব রাজনীতির জন্য ক্ষতিকর হবে। তাই তিনি নির্বাচন ঠেকানোর জন্য ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।

বাটলারের বন্দুকধারী থমাস ম্যাথিউ ক্রুকসের ক্ষেত্রে তদন্তকারীরা তার কোনো স্পষ্ট রাজনৈতিক আদর্শ খুঁজে পাননি। তবে তদন্তে উঠে এসেছে, ক্রুকস সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন ছিলেন এবং ইন্টারনেটে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে (বাইডেন এবং ট্রাম্প উভয়কেই) নিয়ে সার্চ করতেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের হামলাকারীরা অনেক সময় বিখ্যাত হওয়ার জন্য বা ব্যক্তিগত হতাশা থেকে রাজনৈতিক হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত সহজে শক্তিশালী আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করা যায়। হামলাকারীরা প্রায়ই তাদের পরিবারের সদস্যদের বা নিজেদের বৈধভাবে কেনা অস্ত্র ব্যবহার করে এই ধরণের হামলা চালায়, যা নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য আগে থেকে আঁচ করা কঠিন করে তোলে।

বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলার ঘটনাগুলো মার্কিন রাজনীতিতে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার বহিঃপ্রকাশ। এখানে ব্যক্তিগত ক্ষোভ, আদর্শিক সংঘাত এবং নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি—সবগুলোই প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।

এই ধারাবাহিক হামলাগুলো কেবল ট্রাম্পের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নয়, বরং মার্কিন গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারকেও এক কঠিন প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

বিষয়: আমেরিকাগণতন্ত্রহামলাডোনাল্ড ট্রাম্পরিপাবলিকানগুলি
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।