
বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বিমূর্ত মনে হতে পারে। কিন্তু এর অবক্ষয় দৃশ্যমান হয় যুদ্ধে, সামরিক অভ্যুত্থানে, বিতর্কিত নির্বাচনে এবং বিশ্বজুড়ে নাগরিক স্বাধীনতায় কাটছাঁটে। দ্য ইকোনমিস্টের সহযোগী সংস্থা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা ইআইইউ ২০০৬ সাল থেকে সেই পতন পর্যবেক্ষণ করে আসছে।

গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি বা সম্প্রীতি অর্জন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “সেই দিক দিয়ে রাজনীতি একটি ভালো দিক আমি লক্ষ্য করেছি । এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। গণতন্ত্রের প্রতি তাদের ঐকান্তিক আগ্রহ বেড়েছে। এটি বাংলাদেশকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

ইরানকে ঘিরে এই সংকট গণতান্ত্রিক সরকারগুলোকে একটি কঠিন সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করানো উচিত- কেবল ক্ষমতা দিয়ে বৈধতা টিকিয়ে রাখা যায় না। বিশ্ববাসী নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং তাদের রায় আগামী কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

নানা জল্পনা কল্পনার পর জাপার অধিকাংশ নেতা জিএম কাদের নেতৃত্বাধীন অংশের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেয়। তবে এ ভাঙনের ফলে জাপা সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। সংসদ নির্বাচনের পর দুই অংশের মধ্যে ঐক্যের সম্ভাবনা কম।

একসময় ইন্টারনেটকে দেখা হতো অগ্রগতির প্রায় অনিবার্য বাহন হিসেবে। মনে করা হতো, প্রযুক্তি যত ছড়াবে, তথ্যপ্রবাহ তত উন্মুক্ত হবে; সংযোগ যত বাড়বে, বিশ্ব তত সহযোগিতামূলক হবে; ডিজিটাল যোগাযোগ যত সহজ হবে, সমাজ তত গণতান্ত্রিক হবে। এই ধারণার ভেতরে আশাবাদ ছিল, কিন্তু বাস্তবতার তুলনায় সরলতাও ছিল। কারণ ইন্টারনেট

বিএনপির অতীতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অনিশ্চিত। তা সত্ত্বেও স্বল্পমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া গেলে ভবিষ্যতের অস্থিরতা এড়াতে এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হতে পারে বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চরচা সম্পাদক ও কবি সোহরাব হাসান, বারভিডার প্রেসিডেন্ট আবদুল হকসহ অন্যান্য জাতীয় নেতৃবৃন্দ। সভাটি সঞ্চালনা করেন পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লেখক অমূল্য কুমার বৈদ্য।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের কোন উপদেষ্টারা নির্বাচন পেছাতে চেয়েছিলেন? উপদেষ্টা হিসেবে কতটুকু কাজ তারা করতে পেরেছেন? সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধের পেছনের কারণ কী? এসব নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বাংলাদেশে মব সহিংসতা ও তার রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। সরকার বদলালেও মব কালচার ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রে একই রয়ে গেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে গণতন্ত্রের জন্য তা বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে।

নেতাদের আয়ারাম, গয়ারামের খুব ভালো দুটি ছবি ধরা পড়ে ২০১৭ সালে মণিপুর ও গোয়ায়। ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভায় কংগ্রেস জিতেছিল ২৮টি আসনে এবং বিজেপি ২১টিতে। কিন্তু সরকার গঠন করে বিজেপি।

তারেক রহমানের বিএনপি অবশ্য ‘খামখেয়ালি’ অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে কিছুটা বেশি বাস্তববাদী সুর বজায় রাখছে। তবে পানি বণ্টন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং শেখ হাসিনার আমলে হওয়া বিতর্কিত ব্যবসায়িক চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে তারা নতুন করে শর্ত নির্ধারণ করতে চায়।

ভাষা কেবল উৎসবের বিষয় নয়; এটি নীতির প্রশ্ন, ন্যায়বিচারের প্রশ্ন, অন্তর্ভুক্তির প্রশ্ন। ভাষার প্রতি রাষ্ট্রের আচরণই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করে সে রাষ্ট্র কতটা মানবিক, কতটা গণতান্ত্রিক এবং কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক।

স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৮ ফেব্রুয়ারি (২০২৬) রাজধানীতে সংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনসহ ভালো কাজ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে তথ্য ফাঁস নতুন মোড় নেয়। উইকিলিকসের নথিতে উঠে আসে রাজনীতির অন্ধকার দিক। এই ঘটনা বদলে দেয় ক্ষমতা ও গণতন্ত্রের আলোচনার ভাষা।

২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে তথ্য ফাঁস নতুন মোড় নেয়। উইকিলিকসের নথিতে উঠে আসে রাজনীতির অন্ধকার দিক। এই ঘটনা বদলে দেয় ক্ষমতা ও গণতন্ত্রের আলোচনার ভাষা।