Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ কী জিনিস? কী কী করবে?

রিতু চক্রবর্ত্তী

রিতু চক্রবর্ত্তী

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪: ৫০
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ কী জিনিস? কী কী করবে?

গত বছর দায়িত্ব নিয়েই বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ করে দেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ধাপে ধাপে বদল এনেছেন আমেরিকার দীর্ঘদিনের অভিবাসন নীতিমালাতেও। এবার এনেছেন নতুন উদ্যোগ, ‘বোর্ড অব পিস’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মজার বিষয় হলো, ভিন দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে নাক না গলানো ও বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনের নির্বাচনী এজেন্ডা থাকলেও দেশে দেশে সংঘাতের উসকানি দাতা হিসেবে প্রধান ভূমিকা পালন করছেন ট্রাম্প। এক স্বাধীন দেশের প্রেসিডেন্ট আর ফার্স্ট লেডিকে তুলে নিয়ে গেছেন নিজ দেশে। ইরানে হামলার হম্বিতম্বি, সেইসাথে নানান বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য তো আছেই। এই কয়েকদিন আগে আবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর তার বদলে ট্রাম্প নিজেই খুলতে যাচ্ছে ‘বোর্ড অব পিস’।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: রয়টার্স
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: রয়টার্স

বোর্ড অব পিস কী?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

রয়টার্সের হাতে আসা খসড়া সনদ অনুযায়ী, ট্রাম্প আজীবন এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রাথমিকভাবে গাজা সংকট নিয়ে কাজ শুরু করলেও পরবর্তীতে এটি বৈশ্বিক অন্যান্য সংঘাত নিরসনে কাজ করবে। এই বোর্ডের সদস্য দেশগুলোর মেয়াদ হবে তিন বছর। তবে কোনো দেশ যদি ১ বিলিয়ন ডলার অনুদান দেয়, তবে তারা বোর্ডের স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করতে পারবে।

এই বোর্ড গাজা সংঘাত নিরসন থেকে শুরু করে বিশ্বজুড়ে চলমান অস্থিরতা মোকাবিলা করবে। এই নিয়ে এবার কপালে ভাঁজ দেখা গেল বিশেষজ্ঞদের।

এদিকে এই  ‘সাহসী ও নতুন পদক্ষেপ’ গ্রহণের লক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত ১৮ জানুয়ারি রাতে দিল্লিতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর তার ভেরিফায়েড এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে মোদিকে লেখা ট্রাম্পের সেই আমন্ত্রণপত্রটি শেয়ার করেন। ভারতসহ আরও অনেক দেশকেই আমন্ত্রণ জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার তথ্যমতে, ইতোমধ্যেই কানাডা, তুরস্ক, প্যারাগুয়ে, আলবেনিয়া, আর্জেন্টিনা ও মিশর ট্রাম্পের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরাগভাজন বর্তমান বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোকে প্রতিস্থাপন করতেই এই বোর্ডের পরিধি বিস্তৃত করা হয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

শান্তি নাকি নতুন হাতিয়ার?

ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক কুইন্সি ইনস্টিটিউটের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো খালেদ এলগিন্দি বলেছেন, এই বোর্ড ফিলিস্তিনি স্বার্থকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে গঠিত এই বোর্ডে রয়েছেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ধনকুবের মার্ক কাওয়েন এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। কূটনীতিকদের মতে, ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা জাতিসংঘের কার্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

খালেদ এলগিন্দি বলেন, “গাজা কেবল শুরু, এটিই ট্রাম্প প্রশাসনের শেষ লক্ষ্য নয়। সম্ভবত গাজা সংকট সমাধানের চেয়ে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে সরিয়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করাই এই প্রশাসনের অগ্রাধিকার। কারণ কৌশলগতভাবে গাজা ট্রাম্পের কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।”

ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজা উপত্যকার ধ্বংসস্তূপ পুনর্গঠন তদারকিতে ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত শুক্রবার বেশ ঘটা করে এই বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেয় হোয়াইট হাউস। তবে বর্তমানে বিভিন্ন মহলে ঘুরতে থাকা খসড়া সনদে ওই অঞ্চলের কোনো সরাসরি উল্লেখ নেই। এই বিষয়টিই এমন জল্পনার জন্ম দিয়েছে যে, ট্রাম্প সম্ভবত জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে মার্কিন নেতৃত্বাধীন নতুন কোনো সংস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন।

জাতিসংঘের প্রভাব হুমকির মুখে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কা জাগছে। ছবি: রয়টার্স
জাতিসংঘের প্রভাব হুমকির মুখে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কা জাগছে। ছবি: রয়টার্স

ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট প্রশাসন একটি আন্তর্জাতিক বোর্ডের তত্ত্বাবধানে গাজার শাসনকার্য পরিচালনা করবে। তবে মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও অধিকারকর্মীরা এই কাঠামোকে ‘ঔপনিবেশিক’ ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এছাড়া ইরাক যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের ইতিহাসের কারণে টনি ব্লেয়ারের অন্তর্ভুক্তিও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।

এলগিন্দি প্রশ্ন তুলেছেন, ক্ষমতার ব্যাপক ভারসাম্যহীনতার কারণে এই বোর্ড শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেবে কি না। তিনি বলেন, “তারা কার কথা শুনবে? ইসরায়েল—যাদের হাতে সব নিয়ন্ত্রণ, নাকি ফিলিস্তিনি কারিগরি কমিটি—যারা ফিলিস্তিনিদের স্বার্থ রক্ষা করতে চায়?”

এদিকে ‘বোর্ড অব পিস’-এর কাজ শুরু করার জন্য যে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন, তা বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েল ও হামাস একে অপরকে দোষারোপ করছে। যুদ্ধবিরতি চলাকালীনও ১০০ শিশুসহ ৪৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি এবং ৩ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় গাজায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং পুরো জনগোষ্ঠী অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এই ধ্বংসযজ্ঞকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে, ইসরায়েল দাবি করে আসছে যে তারা আত্মরক্ষার্থেই এই অভিযান চালাচ্ছে।

বিষয়: তুরস্কআমেরিকাযুদ্ধবিরতিভেনেজুয়েলাইউরোপজাতিসংঘজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদইরানফিলিস্তিনডোনাল্ড ট্রাম্পযুদ্ধউত্তর আমেরিকাইসরায়েলভারত
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।