Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সমঝোতা স্মারকে কী আছে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১১: ৪৯
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সমঝোতা স্মারকে কী আছে

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইসরায়েল জোটের যুদ্ধ নিয়ে প্রতিনিয়তই চলছে নতুন নতুন জল্পনা-কল্পনা। সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও থেমে নেই উত্তেজনা। সেই সাথে আছে দুই পক্ষরই অনমনীয় অবস্থান। তবে গতকাল বুধবার থেকে কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়া ‘খুবই সম্ভব’, তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে আবারও দেশটিতে বোমা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। কূটনৈতিক সাফল্যের বিষয়ে ট্রাম্পের এই ইতিবাচক মন্তব্য এমন সময়ে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র এক পাতার একটি সমঝোতা স্মারক প্রস্তাব করেছে। এটি দীর্ঘমেয়াদী আলোচনার পথ প্রশস্ত করার পাশাপাশি তিন মাসব্যাপী চলমান বৈশ্বিক সংকট নিরসনে সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরান এখনও এই নতুন মার্কিন প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। তবে রয়টার্স ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দুই পক্ষ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং পারমাণবিক আলোচনার একটি রূপরেখা তৈরি করতে এক পাতার সমঝোতা স্মারকের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে।

এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুই পক্ষ এই প্রথম চুক্তির এত কাছাকাছি অবস্থান করছে। ওয়াশিংটনের আলোচকরা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তেহরানের উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৪টি মূল পয়েন্ট সম্বলিত এই সমঝোতা স্মারকের তথ্যগুলো ওয়াশিংটন এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ফাঁস হলেও ইরান এ বিষয়ে অনেকাংশেই নীরব। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তাহব্যাপী বোমা হামলা সত্ত্বেও কূটনৈতিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি খসড়া সমঝোতা স্মারকের কথা সরাসরি উল্লেখ না করে বলেছেন, তেহরান কেবল একটি ন্যায়সংগত চুক্তি গ্রহণ করবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়া ‘খুবই সম্ভব’। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়া ‘খুবই সম্ভব’। ছবি: রয়টার্স

তবে কি আছে এই এক পাতার সমঝোতা স্মারকে?

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিশ্বজুড়ে আটকে থাকা শতকোটি ডলারের তহবিল ছেড়ে দিতে সম্মত হবে। এছাড়া উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের ওপর থেকে সব বিধিনিষেধ তুলে নেবে।

এই সমঝোতা স্মারকটিকে পূর্ণাঙ্গ কোনো চুক্তির পরিবর্তে একটি ফ্রেমওয়ার্ক বা রূপরেখা হিসেবে রাখা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের অবসান ঘোষণা করা এবং আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব গুরুত্বপূর্ণ দাবি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা। সূত্রমতে, এই আলোচনা ইসলামাবাদ অথবা জেনেভায় অনুষ্ঠিত হতে পারে।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের মেয়াদ নিয়েও দুই পক্ষ সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে। ইরান ৫ বছরের প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের দাবি জানিয়েছিল। বর্তমানে এটি ১২ থেকে ১৫ বছরের একটি সময়সীমায় স্থির হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া চুক্তিতে এমন একটি ধারা যুক্ত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র যাতে ইরান কোনো শর্ত লঙ্ঘন করলে এই স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও বেড়ে যায়। এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর তেহরান কেবল ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশের মতো নিম্নস্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অস্ত্র সংক্রান্ত কোনো গবেষণায় যুক্ত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। সমঝোতা স্মারকে ইরানকে তাদের ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বন্ধ রাখা এবং জাতিসংঘ পরিদর্শকদের স্ন্যাপ ইনস্পেকশন বা তাৎক্ষণিক পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ার শর্তও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান অগ্রাধিকার হলো ইরান থেকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে ফেলা, যা তেহরান এ পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। এই উপকরণগুলো যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের মেয়াদ নিয়েও দুই পক্ষ সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে। ছবি: রয়টার্স
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের মেয়াদ নিয়েও দুই পক্ষ সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছে। ছবি: রয়টার্স

যুদ্ধ চললে ইরানও তেল সংকটে পড়তে পারে: ইশফাক ইলাহী চৌধুরীIshfaq Elahi Chowdhury

১৪ দফার এই স্মারকের অনেক শর্তই একটি চূড়ান্ত চুক্তির ওপর নির্ভরশীল। ফলে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পুনরায় সংঘাত বা দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব বিভিন্ন উপদলে বিভক্ত হওয়ায় মধ্যপন্থী ও কট্টরপন্থীদের মধ্যে ঐক্যমত্য তৈরি করা কঠিন হতে পারে।

ট্রাম্প বলেছেন, যদি ইরান একমত হওয়া শর্তগুলো মেনে নিতে রাজি হয়তবে যুদ্ধ শেষ হবে। আর যদি না হয়, তবে আরও তীব্র ও উচ্চতর মাত্রায় বোমা হামলা শুরু হবে। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, আমাদের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।”

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, “আমাদের একদিনেই সব চুক্তি লিখে ফেলতে হবে এমন নয়। বিষয়টি অত্যন্ত জটিল ও প্রযুক্তিগত। তবে আমাদের এমন একটি কূটনৈতিক সমাধান দরকার যা আলোচনার বিষয়বস্তু এবং ছাড় দেওয়ার পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেবে।" যদিও তিনি ইরানের শীর্ষ নেতাদের কঠোর সমালোচনা করতেও ছাড়েননি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, “মার্কিন পরিকল্পনা ও প্রস্তাবটি এখনও পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।” তেহরান তাদের চূড়ান্ত মতামত মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানকে জানাবে। অন্যদিকে, আলোচনার নেতৃত্বে থাকা ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন যে, ওয়াশিংটন নৌ-অবরোধ, অর্থনৈতিক চাপ এবং মিডিয়া প্রচারণার মাধ্যমে ইরানের সংহতি নষ্ট করে দেশটিকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার চেষ্টা করছে।

বিষয়: পাকিস্তানমার্কো রুবিওচুক্তিশান্তিচুক্তিইরানইরান-ইসরায়েল সংঘাতমার্কিন প্রেসিডেন্টডোনাল্ড ট্রাম্প
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।