Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

পানির ওপর হাঁটার স্বপ্ন কি বাস্তব হতে যাচ্ছে?

ফজলুল কবির

ফজলুল কবির

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ১৪
পানির ওপর হাঁটার স্বপ্ন কি বাস্তব হতে যাচ্ছে?
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

মাঝেমাঝেই কি মনে হয়–ইশ পানির ওপর যদি হাঁটতে পারতাম! মনে হওয়াটা অস্বাভাবিকও না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অন্তত একটু বৃষ্টিতেই ডুবে যাওয়া এই শহরে এমন মনে না হওয়াই বরং অস্বাভাবিক।

ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম ভারী বৃষ্টি মানেই নাগরিক দুর্গতি। তখন বিকল্প থাকে দুটি– হয় কালো এঁদো জলে পা ভিজিয়ে কাজে বের হও, নয়তো ঘরবন্দি হয়ে থাক। কাজ যাক গোল্লায়।

এ রকম সময়েই পানির ওপর হাঁটতে পারার আকাঙ্ক্ষা তীব্র হয়ে ওঠে। যদিও এই আকাঙ্ক্ষা মানুষের অনেক আগে থেকেই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই কিছু লোককে অনায়াসে একজোড়া জুতো পায়ে পানির ওপর, চাই কি মাঝসমুদ্রে নেমে পড়তে দেখা যাচ্ছে। ব্যাপক শেয়ারটেয়ারও হচ্ছে। মনে প্রশ্ন আসছে–এও কি বাস্তব! পরক্ষণেই নিজে এমন একজোড়া জুতো কেনার আকাঙ্ক্ষা মনের কোণে জেগে উঠছে। তেমন কি আপনারও হচ্ছে? হয়তো এমন ভিডিও বা রিলস দেখে সাথে সাথে বসে পড়ছেন বিক্রেতার খোঁজে। পাচ্ছেন না…কেন? সে আলাপ পরে করব। এখানে শুধু সাবধানবাণী দিয়ে গেলাম। সঙ্গে একটি নাম মনে রাখুন–চার্লস ওলড্রিভ।

কিন্তু পানির ওপর দিয়ে একা একা হাঁটার আকাঙ্ক্ষা কি অনেকটাই পূর্ণ হতে যাচ্ছে?

প্যারিসের নাগরিকেরা সিন নদীতে যেভাবে ইলেকট্রিক হাইড্রোফয়েল বোর্ডে চড়ে বেড়াচ্ছে, তাতে অন্তত তাই মনে হবে। বার্তা সংস্থা প্রকাশিত এ সম্পর্কিত ভিডিওতে দেখা গেছে, কত সহজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা সিন নদীর ওপর, যাকে তারা তুলনা করছেন ওড়ার অভিজ্ঞতার সঙ্গে।

সে আলোচনায় আসছি। এখানে বলে রাখি, মানুষের এমন আকাঙ্ক্ষা কিন্তু নতুন নয়।

আজ থেকে প্রায় ৩০০০ হাজার বছর আগের মানুষও এমন স্বপ্ন দেখত। প্রাচীন গ্রিক কবি হেসিওড আনুমানিক ৭০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এ ধরনের একটি দৃশ্যকল্পের কথা বর্ণনা করেন। হেসিওডের অ্যাস্টোনমি কবিতায় এর বর্ণনা আছে।

লালমনিরহাটে বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিতtista-river

গ্রিক মিথ অনুযায়ী সমুদ্রদেবতা পোসাইডনের ছেলে ওরিয়নের পানির ওপর দিয়ে তো বটেই উত্তাল সাগরের ওপর দিয়ে অনায়াসে হাঁটার ক্ষমতা ছিল। আর এই ক্ষমতাটি তাকে দিয়েছিলেন তারই বাবা পোসাইডন।

পরে রোমান কবি ভার্জিল তার ইনিয়াড মহাকাব্যে ওরিয়নের এই ক্ষমতার কথা উল্লেখ করেন।

ভারতীয় মিথ ও বৈদিক সাহিত্যেও এ ধরনের ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে। কঠোর তপস্যার মাধ্যমে বিভিন্ন মুনি ঋষি এই ক্ষমতা অর্জন করতেন বলে বর্ণনা আছে বৈদিক সাহিত্যে। মহর্ষি পতঞ্জলি রচিত যোগসূত্রতেও এর উল্লেখ আছে।

কাছাকাছি বর্ণনা আছে মিশরীয় মিথে। মিশরের মিথ অনুযায়ী হোরাসকে আদিম ও বিশৃঙ্খল জলরাশির ওপর দাঁড়িয়ে বা হেঁটে জলরাশিকে নিয়ন্ত্রণ করতে দেখানো হয়েছে। প্রাচীন মিশরের পিরামিড ও মন্দিরের শিলালিপিতে এমন বর্ণনা পাওয়া যায়, যার রচনাকাল আনুমানিক ২৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ।

ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বৌদ্ধ জাতকে পাওয়া যায় একই ধরনের বয়ান। বর্ণনা অনুযায়ী, বুদ্ধের অন্যতম প্রধান শিষ্য শারিপুত্র তার বিশ্বাসের গভীরতা প্রমাণ করতে একটি গভীর নদীর পানিতে পা রাখেন এবং তার স্পর্শে সে পানি পাথরের মতো শক্ত হয়ে যায়।

এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় বর্ণনাটি যিশুখ্রিষ্ট সম্পর্কিত। বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, শিষ্যদের রক্ষার জন্য যিশু পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যান।

ইসলামি ঐতিহ্য ও ইতিহাসেও পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া বা পার হওয়ার বেশ কিছু কাহিনি ও বিবরণ আছে। এর মধ্যে অবশ্যই যিশু বা ইসলামের নবী ঈসা (আ.) এর বর্ণনাটি আছে, যা ইমাম গাজ্জালী রচিত ইহইয়াউ উলুমদ্দীন এবং ইবনে কাছীর রচিত কাসাসুল আম্বিয়া।

উজানের ঢলে তিস্তার পানি আবার বিপৎসীমার ওপরেTeesta Barrage–unb

এমনকি কোনো নৌকা বা সেতু ছাড়াই মুসলিম বাহিনীর নদী ও সমুদ্র পার হওয়ার ঐতিহাসিক বিবরণ ইসলামি ইতিহাসগ্রন্থেও লিপিবদ্ধ আছে। এ ক্ষেত্রে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের কথা বলা যায়। পারস্য অভিযানের সময় তিনি কোনো নৌকা ছাড়াই ঘোড়ায় করে পুরো সেনাবাহিনীকে ফোরাত পার করে নিয়ে যান বলে বর্ণনা আছে। আর সুফী ঐতিহ্যে এর বহু উল্লেখ পাওয়া যায়।

যাক এসব কথা। মোদ্দা কথা হলো–মানুষের জলরাশির ওপর দিয়ে কোনো কিছুর সহায়তা ছাড়াই পার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনেক পুরনো।

কে না জানে আকাঙ্ক্ষাই উদ্ভাবন ও আবিষ্কারের ভিত এবং প্রেরণা। আর এই ভিত ও প্রেরণার ওপর দাঁড়িয়ে মানুষ কত কী উদ্ভাবন করেছে, করেছে আবিষ্কার!

এই যে এই মানুষেরা, যারা আজকের এই সময়ে সিন নদীর ওপর দিয়ে ইলেকট্রিক সারফবোর্ডে চড়ে শুধু নদীই পার হচ্ছে না, বলা যায় বায়ুবেগে পার হচ্ছে–তার মূলে তো আছে এই বহু পুরনো আকাঙ্ক্ষাই।

মানুষ দেখেছে সে স্থলে চলতে পারছে, চাইলে পাহাড়ও জয় করতে পারছে। কিন্তু ওই যে পাখির মতো ওড়া বা মাছের মতো করে জলরাশি জয় করতে পারছে না। আর এই অভাবই তাকে ক্রমশ উদ্দীপ্ত করেছে আজকের উড়োজাহাজ কি মহাকাশযান পর্যন্ত তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবনে। তাও যেন থামবার নয় উড়ন্ত ট্যাক্সিও সে উদ্ভাবন করে ছেড়েছে। বাকি ছিল জলরাশি। তা নৌকা, জাহাজ, সাবমেরিনের বদৌলতে জয় হয়েছে ঠিকই। কিন্তু ওই যে জলের ওপর দিয়ে হাঁটা–সে তো বাকি।

একদম শুরুতে একটা নাম বলেছিলাম–মনে আছে? হ্যাঁ, চার্লস ওলড্রিভ।

সালটা ১৯০৭। ওই বছর ওলড্রিভ যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর সিনসিন্নাতি থেকে ১৬০০ মাইল জলরাশি পেরিয়ে নিউ অরলিয়েন্সে পৌঁছান। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন পানির ওপর দিয়ে হেঁটে। সময় লেগেছিল ৪০ দিন। এ সময় তার স্ত্রী ক্যারোলিন ওলড্রিভ নৌকায় করে তার পাশে পাশে ছিলেন।

ওলড্রিভ অবশ্য সেবারই প্রথম নয়, এর আগে ১৮৮৮ সালে ওলড্রিভ প্রথমবারের মতো নিউইর্কের হাডসন নদীর ওপর দিয়ে আলবেনি থেকে ম্যানহাটন গিয়েছিলেন একইভাবে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর।

এ রেওয়াজ অবশ্য এখনো আছে। গত ৩৫ বছর ধরেই ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা প্রতি নভেম্বরে ওয়াক অন ওয়াটার প্রতিযোগিতা করে। সেখানে শিক্ষার্থীরাই নিজেদের বাহনটি তৈরি করে।

পানির ওপর দিয়ে হাঁটা–৩০০০ বছরের স্বপ্ন কি তবে বাস্তব হচ্ছে?Walk on Water

কিন্তু ওই যে জুতা, সেই জুতা এখনো অধরাই। তাহলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে এত এত ভিডিও? এগুলো কী তাহলে?

এগুলো মার্কেটিং স্ক্যাম, বা ভাইরাল হওয়ার অপকৌশল। অধিকাংশই এআই দিয়ে বানানো, বা গ্রাফিক্যাল ট্রিক। এখন পর্যন্ত যা অর্জন করা গেছে, তা হলো– এই ইলেকট্রিক সার্ফবোর্ড।

প্যারিসবাসী বৈদ্যুতিক হাইড্রোফয়েল বোর্ডে চড়ে যে সিন নদী এপারওপার করছেন–এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কাছাকাছি প্রযুক্তি, যা পানির ওপর দিয়ে চলাচলকে নির্বিঘ্ন করতে পারে। পানির ওপর দিয়ে অনেকটা উড়ে চলার অনুভূতি দেয় এই বোর্ডগুলো।

ই–ফয়েল নামে পরিচিত এই বোর্ডে একটি বৈদ্যুতিক মোটর, পানির নিচে নিমজ্জিত হাইড্রোফয়েল এবং একটি রিচার্জেবল ব্যাটারি যুক্ত থাকে। এগুলো সম্মিলিতভাবে নদীর উপরিভাগে ভাসমান অবস্থায় গ্লাইড করতে বা ভেসে চলতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই এই ভাসমান থাকার জন্য বোর্ডটিকে প্রথমে গতি পেতে হবে।

এতে যে ব্যাটারি থাকে তা দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করা যায়।

এই ই–ফয়েল হয়তো সামনে আরও উন্নত হবে। একদিন হয়তো মানুষ তার জলরাশি জয়ের স্বপ্নের আরও কাছাকাছি যাবে।

বিষয়: নৌকানদীকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসোশ্যাল মিডিয়াপানি
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।