Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

কেউ পড়ে গেলে আমরা কেন হাসি?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৩৫
কেউ পড়ে গেলে আমরা কেন হাসি?

কাউকে পড়ে যেতে দেখে হেসেছেন, এমন অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই হয়েছে। এতে পড়ে যাওয়া ব্যক্তি যেমন লজ্জাবোধ করেন, তেমনি হেসে ফেলা ব্যক্তিও অস্বস্তিতে পড়ে যান।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কখনো ভেবেছেন এমন কেন হয়? কাউকে পড়ে যেতে দেখলে কেন আমরা সঙ্গে সঙ্গে হেসে ফেলি, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন জেনেভিয়েভ বোলিউ-পেলতিয়ে নামে এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

তিনি বলছেন, একজন মানুষ পড়ে গেলে আমাদের তার প্রতি সহানুভূতি দেখানো উচিত। কারণ তিনি পড়ে যাওয়ার কারণে লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। তা না করে উল্টো হাসি। তবে আমাদের হাসি সহানুভূতির অভাব বা নিষ্ঠুরতার কারণে নয়।

কী কারণে এমন হয়

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জেনেভিয়েভ বলেছেন, বিভিন্ন কারণে আমাদের স্বতঃস্ফূর্ত হাসির উদ্রেক হতে পারে।

প্রথমত, এই পরিস্থিতির প্রথম উপাদান হলো আশ্চর্য হওয়া। বিশেষভাবে বলতে গেলে, দৈনন্দিন জীবনে কাউকে এমন অবস্থায় দেখা, যখন তিনি কয়েক সেকেন্ড আগেও সব কিছু নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন, হঠাৎই কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হন। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি আমাদেরকে বিস্মিত করে।

আরও স্পষ্ট করে বললে, ধরুন আপনি ভেবেছিলেন, X এর পর Y আসবে, কিন্তু চলে এলো B। মানে যা ঘটবে তা অনুমান করতে ভুল হয়েছে। তার মানে বিষয়টি সঙ্গতিপূর্ণ হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে অসঙ্গতি সমাধান করতে আমরা হেসে ফেলি বলে উল্লেখ করেছেন জেনেভিয়েভ।

মানুষ ঘুমের মধ্যে কেন কথা বলে?Sleep

জেনেভিয়েভ আরও বলেন, কোনো অপ্রত্যাশিত ও অসমঞ্জস্যপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে আমাদের মস্তিষ্ক এমন তথ্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করে যা আমাদের ঘটনাটি ব্যাখ্যা করতে এবং সেক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া দেখাতে সাহায্য করবে।

যে ব্যক্তি হোঁচট খাচ্ছেন তার মুখ আমাদের কী বার্তা দিচ্ছে? আমরা যা ডিকোড করি তা আমাদের প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করবে। নিউরোসাইকোলজিয়া নামে একটি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, সেখানে ২১০ টি ছবি দেখানো হয়েছিল, যা তিন ধরনের মুখ প্রকাশ করেছে।

সেখানে বিব্রত বা বিভ্রান্ত মুখ, ব্যথা বা রাগ প্রকাশ করা মুখ এবং মুখ দেখা ছাড়া অনেকের শরীর অদ্ভুত অবস্থানে ছিল।

ফটো সেটে ২০টি ল্যান্ডস্কেপ ছবি যোগ করা হয়েছিল যাতে অংশগ্রহণকারীরা গবেষণার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিভ্রান্ত হন। অংশগ্রহণকারীদের প্রতি বার একটি ল্যান্ডস্কেপ ছবি দেখার সময় একটি বাটন চাপতে বলা হয়েছিল এবং সেই সময় তাদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ রেকর্ড করা হয়েছিল। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদেরকে প্রতিটি ছবির কতটা মজাদার মনে হলো তা প্রকাশ করতে বলা হয়েছিল।

প্রতীকী ছবি/ফ্রিপিক
প্রতীকী ছবি/ফ্রিপিক

গবেষণার শেষে, অংশগ্রহণকারীরা বিব্রত মুখের ছবিকে ব্যথা বা রাগ প্রকাশকারী মুখের ছবি এবং অদ্ভুত শরীরের অবস্থার ছবি যেখানে মুখ দেখা যায়নি, এমন ছবির তুলনায় অনেক বেশি মজাদার হিসেবে রেট করেছেন। মস্তিষ্কের তথ্যও দেখিয়েছে, মুখের অভিব্যক্তিই সেই উপাদান যা আমাদের হাস্যরস উদ্রেক করতে সাহায্য করে।

কোন ধরনের মানুষের কেমন ঘুম হয়?Sleep2

তাই যখন আমরা কোনো ব্যক্তির বিব্রত, বিস্মিত বা আশ্চর্য মুখের অভিব্যক্তি দেখি, তখন এটি আমাদের মনে হাসি উদ্রেক করে।

অন্যদিকে, যদি আমরা মুখে ব্যথা বা রাগ দেখি, তাহলে আমরা হোঁচট খাওয়ার ব্যক্তির কষ্ট অনুভব করি এবং তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হই, যা আমাদের হাসতে বাধা দেয়।

জেনেভিয়েভ বলেন, “আমরা অন্যকে বিপদে বা খারাপ পরিস্থিতিতে দেখলে অনেক সময় কল্পনা করি, যদি আমাদের সঙ্গে এমন কিছু হতো?”

ফরাসি এই মনোবিদ আরও বলেন, এ সময় আমরা তাদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে দেখি এবং ভাবি, তারা কী অনুভব করছেন। এই সহমর্মিতার প্রক্রিয়া আমাদের ভেতর অস্বস্তি, অসহায়ত্ব, অপমান আর লজ্জার অনুভূতিকে উসকে দিতে পারে। এরপর যখন দেখি যে আমরা ওই পরিস্থিতিতে নেই, তখন স্বস্তি থেকে মাঝেমধ্যে হাসি পায়।

তাই অন্যের হালকা ধরনের হোঁচট খাওয়া বা অপ্রত্যাশিত কৌতুকপূর্ণ ঘটনার সময় হেসে ফেললে নিজেকে দোষারোপ করা ঠিক নয়। আসলে তাদের কষ্ট বা দুর্দশায় মানুষ হাসে না। হাসি আসে মূলত পরিস্থিতির অপ্রত্যাশিততা, আচরণের অমিল এবং তাদের বিস্মিত প্রতিক্রিয়া দেখে।

বিষয়: মনোবিজ্ঞানীজীবনজীবনধারামানসিক স্বাস্থ্য
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।