Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

দেশের কোথায় খাবারের দাম বেশি, কোথায় কম?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৮: ২৩
দেশের কোথায় খাবারের দাম বেশি, কোথায় কম?
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

দেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিইউএফপি)। তবে সেই সঙ্গে অঞ্চল ভেদে দামের পার্থক্যের তথ্যও তুলে ধরেছে বৈশ্বিক সংগঠনটি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬ শতাংশ। যা পরের মাস অর্থাৎ, জুনে নেমে এসেছে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে। কিন্তু এতে পুরো চিত্র নেই। কারণ দেশের সব অঞ্চলে একই দামে খাদ্যপণ্য বিক্রি হয় না। কোথাও চাল তুলনামূলক সস্তা, আবার কোথাও সেই একই চাল কিনতে গুনতে হয় বেশি টাকা।

ডব্লিউএফপির বাংলাদেশ মার্কেট মনিটর, জুন-২০২৬ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ভৌগোলিক অবস্থান, পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ ব্যবস্থার পার্থক্যের কারণে বিভাগভেদে খাদ্যপণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি দামে মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে। সেখানে প্রতি কেজির গড় দাম ছিল ৫২ দশমিক ২ টাকা। এর পরেই রয়েছে বরিশাল, যেখানে দাম ছিল ৫১ দশমিক ৪ টাকা। চট্টগ্রামে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হয়েছে ৫১ দশমিক ৩ টাকায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
দেশের একজন মানুষের মাসে কোন খাবার কতটা প্রয়োজন?organic food

ডব্লিইউএফপি যে তথ্য দিয়েছে, তাতে সবচেয়ে কম দামে মোটা চাল পাওয়া গেছে রংপুর বিভাগে। সেখানে প্রতি কেজির গড় দাম ছিল ৪৪ দশমিক ১ টাকা। খুলনায় একই চালের দাম ছিল ৪৭ দশমিক ৪ টাকা এবং সিলেটে ৪৮ দশমিক ৩ টাকা। অর্থাৎ, একই ধরনের চাল কিনতে ময়মনসিংহের একজন ক্রেতাকে রংপুরের একজন ক্রেতার তুলনায় প্রতি কেজিতে প্রায় ৮ টাকা বেশি খরচ করতে হয়েছে।

চালের মতো ভোজ্যতেলের বাজারেও আঞ্চলিক পার্থক্য স্পষ্ট। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুন মাসে চট্টগ্রাম বিভাগে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের গড় দাম ছিল ১৯১ দশমিক ৫ টাকা, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে একই তেলের দাম ছিল ১৬৯ টাকা। অর্থাৎ, দুই বিভাগের মধ্যে প্রতি লিটারে ২২ টাকারও বেশি ব্যবধান ছিল।

ডব্লিউএফপির প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উঠে এসেছে ভাসান চরের চিত্র। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সেখানে খাদ্যপণ্য পৌঁছাতে চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার সমুদ্রপথ অতিক্রম করতে হয়। ফলে পরিবহন ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই বেশি। বর্ষাকালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই ব্যয় আরও বেড়ে যায় এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়ে। এর প্রভাব সরাসরি পড়ে খাদ্যপণ্যের দামে।

খাবারেও ফ্যাসিবাদ আছে?FOOD-FACI-11

এ কারণেই জুন মাসে ভাসান চরে একজন মানুষের নূন্যতম পুষ্টির চাহিদা পুরন করে এমন মাসিক খাদ্য তালিকার খরচ ছিল ১ হাজার ৪৭৯ টাকা। একই সময়ে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে এই ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩৮৯ টাকা। আর উখিয়া ও টেকনাফের স্থানীয় বাজারে একই খাদ্য তালিকার মূল্য ছিল ১ হাজার ৪৫৭ টাকা। রোহিঙ্গা শিবিরের কারণে ডব্লিইউএফপি আলাদা করে এসব এলাকার খাদ্যের পণ্যমূল্য উল্লেখ করেছে।

শুধু অঞ্চলভেদে দামের পার্থক্যই নয়, জাতীয় পর্যায়েও খাদ্য ব্যয় অনেক মানুষের নাগালের বাইরে রয়ে গেছে। ডব্লিউএফপির হিসাবে, ২০২৬ সালের জুনে একজন মানুষের প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্যের মাসিক গড় খরচ ছিল ২ হাজার ৮৬৮ টাকা। অথচ জাতীয় খাদ্য দারিদ্র্যসীমা মাসে ১ হাজার ৮৫১ টাকা। ফলে নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রতিবেদনটি আরও দেখায়, একজন পোশাক শ্রমিকের এক দিনের গড় আয় দিয়ে কেনা যায় প্রায় ৯ দশমিক ৭ কেজি মোটা চাল। অর্থাৎ, যেসব অঞ্চলে চালের দাম বেশি, সেখানে একই আয়ে খাদ্য কেনার সক্ষমতাও আরও কমে যায়।

ডব্লিউএফপির বিশ্লেষণ বলছে, খাদ্যের দামের এই আঞ্চলিক বৈষম্যের পেছনে মূলত পরিবহন ব্যয়, সরবরাহ ব্যবস্থার জটিলতা, উৎপাদন ব্যয় এবং ভৌগোলিক অবস্থান একসঙ্গে কাজ করছে। তাই জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও দেশের সব অঞ্চলের মানুষ সেই স্বস্তি সমানভাবে অনুভব করছেন না। বিশেষ করে দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের উচ্চমূল্য এখনো একটি বড় বাস্তবতা।

বিষয়: খাবারঅর্থনীতিমূল্যস্ফীতিজাতিসংঘদামচাল
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।