চরচা ডেস্ক

ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসি ব্যাংক) পিএলসি-এর ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার এই সভায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০১৫ সালের সমাপ্ত বছরের জন্য ২১ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।
চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুন নেওয়াজ বলেন, “বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ২০১৫ সালে এনসিসি ব্যাংক অসাধারণ স্থিতিস্থাপকতা ও কৌশলগত অগ্রগতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন আর্থিক সূচক এবং নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড সফলভাবে পূরণ করে এনসিসি ব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম ‘শীর্ষ ১০টি টেকসই ব্যাংক’-এর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। এটি ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”
মোহাম্মদ নূরুন আরও জানান, শেয়ারহোল্ডারদের ইক্যুইটি এবং মোট সম্পদের ধারাবাহিক বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকের আর্থিক শক্তি আরও জোরদার হয়েছে। সম্পদ বাড়াতে এবং গ্রাহক সেবা উন্নত করতে ব্যাংক আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সুশাসন নিশ্চিতের ওপর জোর দিচ্ছে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন জানান, ৩৩ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় এনসিসি ব্যাংক দেশের অন্যতম বিশ্বস্ত ও আর্থিকভাবে শক্তিশালী ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
এম. শামসুল আরেফিন বলেন, “গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ব্যাংক বর্তমানে ডিজিটাল ব্যাংকিং সম্প্রসারণ, টেকসই অর্থায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং শরীয়াহভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এছাড়া এসএমই ও রিটেল ব্যবসা সম্প্রসারণ, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত আধুনিক সমাধান তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ব্যাংক।
ভার্চুয়াল এই সভায় ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, পরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যান আমজাদুল ফেরদৌস চৌধুরী, পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চাকলাদারসহ অন্যান্য পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসি ব্যাংক) পিএলসি-এর ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার এই সভায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০১৫ সালের সমাপ্ত বছরের জন্য ২১ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।
চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুন নেওয়াজ বলেন, “বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ২০১৫ সালে এনসিসি ব্যাংক অসাধারণ স্থিতিস্থাপকতা ও কৌশলগত অগ্রগতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন আর্থিক সূচক এবং নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড সফলভাবে পূরণ করে এনসিসি ব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম ‘শীর্ষ ১০টি টেকসই ব্যাংক’-এর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। এটি ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”
মোহাম্মদ নূরুন আরও জানান, শেয়ারহোল্ডারদের ইক্যুইটি এবং মোট সম্পদের ধারাবাহিক বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকের আর্থিক শক্তি আরও জোরদার হয়েছে। সম্পদ বাড়াতে এবং গ্রাহক সেবা উন্নত করতে ব্যাংক আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সুশাসন নিশ্চিতের ওপর জোর দিচ্ছে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন জানান, ৩৩ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় এনসিসি ব্যাংক দেশের অন্যতম বিশ্বস্ত ও আর্থিকভাবে শক্তিশালী ব্যাংক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
এম. শামসুল আরেফিন বলেন, “গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ব্যাংক বর্তমানে ডিজিটাল ব্যাংকিং সম্প্রসারণ, টেকসই অর্থায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং শরীয়াহভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এছাড়া এসএমই ও রিটেল ব্যবসা সম্প্রসারণ, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত আধুনিক সমাধান তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ব্যাংক।
ভার্চুয়াল এই সভায় ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, পরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যান আমজাদুল ফেরদৌস চৌধুরী, পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চাকলাদারসহ অন্যান্য পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।