চরচা ডেস্ক

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের বেইজিং সফর শেষ হয়েছে আজ শুক্রবার। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের সম্মেলনে সাফল্য ঘোষণা করলেও ইরান ও তাইওয়ান নিয়ে মৌলিক মতপার্থক্য অটুট রয়েছে। এই সম্মেলন দুই দেশের সম্পর্কে স্থিতিশীলতার আশা জাগালেও, কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ট্রাম্প ও সি বাণিজ্য, প্রযুক্তি, ইরান যুদ্ধ এবং তাইওয়ান নিয়ে আলোচনা করেন এই সম্মেলনে। তৃতীয় দিনে ট্রাম্প সিয়ের আনুষ্ঠানিক বাসভবন ঝংনানহাইয়ে বৈঠক করেন। দুই নেতাই বৈঠককে “ইতিবাচক” ও “সফল” বলে অভিহিত করেছেন।
পুরো সফরে ট্রাম্প বাণিজ্য চুক্তি, বোয়িং বিমান ক্রয়, মার্কিন তেল ক্রয় এবং ইরান যুদ্ধের সমাধানে চীনের সম্ভাব্য সহায়তার ওপর জোর দিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, সি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
বেইজিংয়ে সির সঙ্গে বৈঠকের পর ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সি চিনপিং যুদ্ধ বন্ধে সহায়তা করতে চান। তিনি বলেছেন, “আমি যদি কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি, তবে অবশ্যই করতে চাই।”
এদিকে, সি তাইওয়ানকে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু বলে অভিহিত করেছেন। সি সতর্ক করে বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যু ভুলভাবে পরিচালনা করলে দুই দেশের মধ্যে “সংঘাত বা সংঘর্ষ” হতে পারে এবং সম্পর্ক “অত্যন্ত বিপজ্জনক” পর্যায়ে চলে যাবে।
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।
ট্রাম্প চীনকে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে যুদ্ধ শেষ করতে এবং প্রণালী খুলতে উৎসাহিত করেছেন। দুই পক্ষই একমত হয়েছে যে, ইরানের কখনোই পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন ইরানের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক সম্পর্কের কারণে সরাসরি চাপ প্রয়োগে অনিচ্ছুক।
তাইওয়ান ইস্যুতে দুই নেতার অবস্থান সবচেয়ে দূরে। চীন তাইওয়ানকে নিজের অংশ বলে দাবি করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ ও সমর্থনকে রেড লাইন হিসেবে দেখে। সি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন, এই ইস্যুতে ভুল পদক্ষেপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে। ট্রাম্পের প্রশাসন তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা চীনের জন্য অগ্রহণযোগ্য।
এই দুই নেতা বাণিজ্য উন্নয়ন, প্রযুক্তি সহযোগিতা এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর (যেমন অ্যাপল, টেসলা, এনভিডিয়া) চীনা বাজারে প্রবেশাধিকার নিয়ে আলোচনা করেছেন। ট্রাম্প সম্মেলনকে “যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের সোনালি যুগের” সূচনা বলে অভিহিত করেছেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, আনুষ্ঠানিকতা ও প্রতীকী সাফল্যের বাইরে মৌলিক সমস্যাগুলো তাইওয়ান ও ইরান অমীমাংসিত রয়েছে।
ট্রাম্প-সি সম্মেলন দুই পরাশক্তির মধ্যে সংঘাত এড়ানোর প্রয়াস দেখিয়েছে, কিন্তু ইরান ও তাইওয়ান নিয়ে গভীর মতপার্থক্য ভবিষ্যতে নতুন উত্তেজনার বীজ বপন করতে পারে। এই বৈঠক দেখিয়েছে যে, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা একসঙ্গে চলবে পুরোপুরি সমাধান ছাড়াই।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের বেইজিং সফর শেষ হয়েছে আজ শুক্রবার। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের সম্মেলনে সাফল্য ঘোষণা করলেও ইরান ও তাইওয়ান নিয়ে মৌলিক মতপার্থক্য অটুট রয়েছে। এই সম্মেলন দুই দেশের সম্পর্কে স্থিতিশীলতার আশা জাগালেও, কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
ট্রাম্প ও সি বাণিজ্য, প্রযুক্তি, ইরান যুদ্ধ এবং তাইওয়ান নিয়ে আলোচনা করেন এই সম্মেলনে। তৃতীয় দিনে ট্রাম্প সিয়ের আনুষ্ঠানিক বাসভবন ঝংনানহাইয়ে বৈঠক করেন। দুই নেতাই বৈঠককে “ইতিবাচক” ও “সফল” বলে অভিহিত করেছেন।
পুরো সফরে ট্রাম্প বাণিজ্য চুক্তি, বোয়িং বিমান ক্রয়, মার্কিন তেল ক্রয় এবং ইরান যুদ্ধের সমাধানে চীনের সম্ভাব্য সহায়তার ওপর জোর দিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, সি ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
বেইজিংয়ে সির সঙ্গে বৈঠকের পর ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সি চিনপিং যুদ্ধ বন্ধে সহায়তা করতে চান। তিনি বলেছেন, “আমি যদি কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি, তবে অবশ্যই করতে চাই।”
এদিকে, সি তাইওয়ানকে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু বলে অভিহিত করেছেন। সি সতর্ক করে বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যু ভুলভাবে পরিচালনা করলে দুই দেশের মধ্যে “সংঘাত বা সংঘর্ষ” হতে পারে এবং সম্পর্ক “অত্যন্ত বিপজ্জনক” পর্যায়ে চলে যাবে।
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।
ট্রাম্প চীনকে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে যুদ্ধ শেষ করতে এবং প্রণালী খুলতে উৎসাহিত করেছেন। দুই পক্ষই একমত হয়েছে যে, ইরানের কখনোই পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, চীন ইরানের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক সম্পর্কের কারণে সরাসরি চাপ প্রয়োগে অনিচ্ছুক।
তাইওয়ান ইস্যুতে দুই নেতার অবস্থান সবচেয়ে দূরে। চীন তাইওয়ানকে নিজের অংশ বলে দাবি করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ ও সমর্থনকে রেড লাইন হিসেবে দেখে। সি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছেন, এই ইস্যুতে ভুল পদক্ষেপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে। ট্রাম্পের প্রশাসন তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা চীনের জন্য অগ্রহণযোগ্য।
এই দুই নেতা বাণিজ্য উন্নয়ন, প্রযুক্তি সহযোগিতা এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর (যেমন অ্যাপল, টেসলা, এনভিডিয়া) চীনা বাজারে প্রবেশাধিকার নিয়ে আলোচনা করেছেন। ট্রাম্প সম্মেলনকে “যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের সোনালি যুগের” সূচনা বলে অভিহিত করেছেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, আনুষ্ঠানিকতা ও প্রতীকী সাফল্যের বাইরে মৌলিক সমস্যাগুলো তাইওয়ান ও ইরান অমীমাংসিত রয়েছে।
ট্রাম্প-সি সম্মেলন দুই পরাশক্তির মধ্যে সংঘাত এড়ানোর প্রয়াস দেখিয়েছে, কিন্তু ইরান ও তাইওয়ান নিয়ে গভীর মতপার্থক্য ভবিষ্যতে নতুন উত্তেজনার বীজ বপন করতে পারে। এই বৈঠক দেখিয়েছে যে, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা একসঙ্গে চলবে পুরোপুরি সমাধান ছাড়াই।

ওমান উপসাগরের নীল জলরাশি এখন কেবল বাণিজ্যিক জাহাজের রুট নয়, বরং হয়ে উঠেছে এক অস্থির রণক্ষেত্র। গত ১৩ মে ভোরে ওমানের উত্তর উপকূলে লিমাহ এলাকায় ভারতীয় পতাকাবাহী যান্ত্রিক পালতোলা কার্গো জাহাজ এমএসভি হাজি আলি এর ওপর যে নজিরবিহীন হামলা চালানো হয়েছে, তা বৈশ্বিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের নিরাপত্তাকে বড় ধরনের

বর্তমানে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের মধ্যকার শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিশ্ব রাজনীতির এক নতুন ও নাটকীয় মোড় নিয়েছে। বর্তমানে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনের ওপর ওয়াশিংটনের নির্ভরতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টি ইংল্যান্ডজুড়ে প্রায় ১৫শ কাউন্সিলর হারিয়েছে এবং ওয়েলসে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। এই বিশাল পরাজয়ই মূলত স্টারমারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিশাল জয় নিয়ে ক্ষমতায় এলেও অনেক এমপি তাকে ব্যর্থ মনে করছেন।