Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

স্টারমার ইস্যুতে হঠাৎ উত্তাল কেন ব্রিটেন?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৬: ০৭
স্টারমার ইস্যুতে হঠাৎ উত্তাল কেন ব্রিটেন?

যুক্তরাজ্যে বর্তমানে সরকারি দলের ভেতরে একটি তীব্র ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার পার্লামেন্টের রাজকীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজা চার্লস সরকারের আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরলেও, পুরো অনুষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বিরুদ্ধে দলের ভেতরে ঘনীভূত হওয়া বিদ্রোহের ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায়। আর এতে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব যে ঝুঁকিতে তা তো বেশ স্পষ্ট। কিন্তু আসলে কি হয়েছে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টি ইংল্যান্ডজুড়ে প্রায় ১৫শ কাউন্সিলর হারিয়েছে এবং ওয়েলসে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। এই বিশাল পরাজয়ই মূলত স্টারমারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিশাল জয় নিয়ে ক্ষমতায় এলেও অনেক এমপি স্টারমারকে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী করছেন। এছাড়া দলের প্রভাবশালী সদস্যদের মতে, প্রধানমন্ত্রী এখন আর প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে পারবেন বলে জনগণ বা এমপিরা বিশ্বাস করেন না।

২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের পর থেকে ব্রিটিশ রাজনীতি এক নজিরবিহীন অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত ৬ বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাজ্য ৫ জন প্রধানমন্ত্রী দেখেছে, যা গত এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম ক্ষমতার হাতবদল।

নিজের দলের ভেতর থেকেই বিদ্রোহ শুরু হওয়ায় স্টারমারের ক্ষমতা হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে। লেবার পার্টির প্রায় ৮০ জন এমপি (মোট এমপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ) ইতিমধ্যে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন। প্রতিবাদ হিসেবে জেস ফিলিপস এবং মিয়াট্টা ফাহনবুল্লাহর মতো চারজন জুনিয়র মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের নেতৃত্ব কি সত্যিই হুমকির মুখে?kiar starmer

এবার প্রশ্ন হলো তাকে কি ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব?

স্টারমারকে ক্ষমতাচ্যুত করা আসলে সম্ভব। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য কিছু সাংবিধানিক ও দলীয় ধাপ প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে নেতৃত্বের নতুন লড়াই শুরু করতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অন্তত ৮১ জন লেবার এমপির সমর্থন জোগাড় করতে হবে।

কিন্তু স্টারমারের মিত্রদের দাবি যে বর্তমানে কোনো প্রার্থীর কাছেই তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো পর্যাপ্ত সমর্থন নেই, তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল।

যদি এই ঘটনা ঘটে, তাহলে স্টারমারের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী কে বা কারা হবেন?

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্টারমারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংকে। শোনা যাচ্ছে, তিনি কাল-পরশুই পদত্যাগ করে স্টারমারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা দেবেন। যদিও চ্যান্সেলর র‍্যাচেল রিভস এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন যে, এখন নেতৃত্বের লড়াই শুরু হলে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে; তবুও ৮০ জনেরও বেশি লেবার এমপি প্রকাশ্যে স্টারমারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে অথবা বিদায়ের সময়সূচি চূড়ান্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রতিবাদ হিসেবে ইতিমধ্যে জেস ফিলিপস ও জুবির আহমেদসহ চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং আরও ছয়জন মন্ত্রী পর্যায়ের সহযোগী সোমবার কাজ ছেড়ে দিয়েছেন। এই চরম অস্থিরতার মধ্যেই রাজা চার্লস সরকারের ৩৭টি নতুন বিলের পরিকল্পনা বা ‘কিংস স্পিচ’ তুলে ধরেছেন। তবে কনজারভেটিভ নেতা কেমি ব্যাডেনক মনে করেন স্টারমারের চলার পথ ফুরিয়ে এসেছে। দলের নিয়ম অনুযায়ী, স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ৮১ জন এমপির সমর্থন প্রয়োজন এবং বর্তমানে স্ট্রিটিংয়ের পাশাপাশি অ্যাঞ্জেলা রেনারকেও সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে চিন্তার বিষয় হলো স্টারমার যদি এখন ক্ষমতা হারান, তবে রাজা সম্প্রতি যেসব নতুন আইনের কথা বলেছেন, সেগুলো হয়তো আর কোনোদিন বাস্তবায়িত হবে না। কারণ যিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী হবেন, তিনি হয়তো সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হাঁটবেন।

স্যার কিয়ার স্টারমার অবশ্য পদত্যাগের সব সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি সংবাদমাধ্যম দ্য অবজারভারকে জানিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে দলের নেতৃত্ব দিতে এবং দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে তিনি প্রস্তুত।

বিষয়: যুক্তরাজ্যব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীনির্বাচনব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীকিয়ার স্টারমারএমপি
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড