Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

হুতিরা কি লোহিত সাগর বন্ধ করে দিতে পারে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ০০
হুতিরা কি লোহিত সাগর বন্ধ করে দিতে পারে?
ইয়েমেনের বাব আল-মান্দেবের উপকূলের কাছে নৌকা ভাসছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স

ইয়ামেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরোটাই এখন হুতি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত তারা গুরুত্বপূর্ণ বাব আল মান্দেব নৌপথের প্রবেশদ্বার পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। গত বৃহস্পতিবার তারা বন্দর নগরী মোখা দখল করে নেয়। এটি সৌদি আরব সমর্থিত ইয়ামেন সরকারের ওপর বড় ধাক্কা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্লেষকরা বলছেন, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর এটি আঞ্চলিক রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই অগ্রযাত্রা সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর হতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা ও বন্দর নগরী হুদাইদাহ দখল করে। ইরানের সহায়তায় তারা সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় অস্ত্রবিরতি হলেও সংঘর্ষ পুরোপুরি থেমে যায়নি। গত সপ্তাহে হুতিরা লোহিত সাগর উপকূল দখলের লক্ষ্যে নতুন করে আক্রমণ শুরু করলে যুদ্ধ আবার তীব্র হয়।

জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের মধ্যে হুতিরা সৌদি আরবের ওপর পূর্ণাঙ্গ সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করে। তখন বাব আল মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলা শুরু করে। এই সংকীর্ণ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের রুট। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

ফেব্রুয়ারিতে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ার পর সৌদি আরব তাদের তেল রপ্তানির জন্য লোহিত সাগর ও বাব আল মান্দেব রুটের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। রিয়াদ ‘ইস্ট-ওয়েস্ট ক্রুড অয়েল পাইপলাইন’ ব্যবহার বাড়িয়ে দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ৫০ লাখ ব্যারেল থেকে ৭০ লাখ ব্যারেলে বাড়ায়। ফলে যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি সৌদি তেল এই রুট দিয়ে যাচ্ছিল।

বাব আল-মান্দেবের গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ দখলে নিল হুতিরা perim island

বিশ্লেষকদের মতে, হুতিরা এখন ইয়েমেনের লোহিত সাগরের পুরো উপকূল ও বাব আল মান্দেব নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ায় সৌদির তেল রপ্তানি আরও বড় ধাক্কা খেতে পারে। গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত কিছু ছবিতে ইস্ট-ওয়েস্ট ক্রুড অয়েল পাইপলাইন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। তবে পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, সৌদি আরব তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হুতিদের লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধে নতুন ফ্রন্ট তৈরি করা এবং তেহরানকে সুবিধা দেওয়া। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলম সালেহ বলেন, “এর অর্থ হলো ইরান এখন শুধু হরমুজ প্রণালিই নয়, বরং ‘হরমুজ প্রণালি প্লাস’ নিয়ন্ত্রণ করছে।” বাব আল মান্দেবে হুতিদের উপস্থিতি তেহরানের প্রভাব আরও শক্তিশালী করেছে।

তবে কিংস কলেজ লন্ডনের সহযোগী অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ মনে করেন, হুতিরা শাসনকার্যে দুর্বল এবং দীর্ঘমেয়াদে বাব আল মান্দেব পুরোপুরি অবরুদ্ধ রাখতে পারবে না। তাদের সাফল্য মূলত সৌদি সমর্থিত জোটের দুর্বলতার কারণে এসেছে। অন্যদিকে সালেহ বলেন, হুতিদের পুরো প্রণালি দখলের দরকার নেই। সামান্য নিরাপত্তাহীনতার আভাসই শিপিং কোম্পানি ও বিমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই রুট এড়িয়ে চলতে বাধ্য করতে পারে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি বাহিনীর সেনা সংখ্যা প্রায় তিন লাখ, হুতিদের প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার। সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও সরকারি বাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও ঐক্যের অভাব তাদের দুর্বল করেছে। হুতিরা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সজ্জিত হয়ে অনেক বেশি আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি বাহিনী মোখাসহ হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ডজন ডজন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে তা তাদের অগ্রযাত্রা থামাতে পারেনি। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তিও হুতিদের বিরুদ্ধে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ওয়াশিংটন থেকেও সরাসরি সহায়তা মিলছে না।

হুতিদের ওপর হামলা চালাতে আমেরিকার দ্বারস্থ সৌদি যুবরাজ, ট্রাম্পের প্রত্যাখান trump prince salman

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের খবর অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে দুবার ফোন করে মার্কিন বিমান হামলার অনুরোধ জানালেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, হুতিরা বাব আল মান্দেব করিডোরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিলে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে। তেল ও পণ্যের দাম বাড়বে এবং সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হবে। সৌদি আরবের তেল রপ্তানি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব হ্রাসের বার্তাও দিচ্ছে চীন ও রাশিয়ার মতো দেশগুলোর কাছে।

এ অবস্থায়, সৌদি আরব নিজস্ব শক্তি দিয়ে হুতিদের রুখতে পারে কি না সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। না পারলে লোহিত সাগরের এই নতুন বাস্তবতা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আঞ্চলিক ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।

বিষয়: উপকূলহুতিসাগরলোহিত সাগর
সর্বশেষ
  • ১

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিশ্বস্বার্থের পরিপন্থী: সি চিনপিং

  • ২

    হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

  • ৩

    সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে রিঅ্যাক্টের সমাপনী অনুষ্ঠিত

  • ৪

    আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহে বারবার বিঘ্ন নিয়ে প্রশ্ন রিজভীর

  • ৫

    হুতিরা কি লোহিত সাগর বন্ধ করে দিতে পারে?

সম্পর্কিত
  • টিএনএজারদের শেখার ক্ষমতা কি কমে যাচ্ছে?

    টিএনএজারদের শেখার ক্ষমতা কি কমে যাচ্ছে?

    প্রতি তিন বছর পরপর বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সংগঠন হিসেবে পরিচিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে।

  • কীভাবে ৯/১১ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব মার্কিন রাজনীতিতে ঢুকে পড়েছে

    কীভাবে ৯/১১ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব মার্কিন রাজনীতিতে ঢুকে পড়েছে

    নিউইয়র্ক সিটির ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দুটি বিমান হামলায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পঁচিশ বছর পরও ষড়যন্ত্র তত্ত্বগুলোর রেশ কাটেনি; বরং এগুলো আরও ‘শক্তিশালী’ হয়েছে এবং নতুন রূপ ধারণ করেছে।

  • বিদ্যুৎ খাতে নেই সুসংবাদ, পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

    বিদ্যুৎ খাতে নেই সুসংবাদ, পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা

    জ্বালানি সংকট, ভারতের আদানি পাওয়ারের সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসা, নেপাল থেকে চুক্তিকৃত বিদ্যুৎ না পাওয়া এবং একের পর এক বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যান্ত্রিক ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণজনিত বন্ধের কারণে নজিরবিহীন সংকটকাল অতিক্রম করছে দেশের বিদ্যুৎ খাত। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) সবশেষ তথ্য অনু

  • তিব্বতের বন্যা নিয়ে যেভাবে বয়ান নিয়ন্ত্রণ করছে চীন

    তিব্বতের বন্যা নিয়ে যেভাবে বয়ান নিয়ন্ত্রণ করছে চীন

    নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ বন্যার পর সীমান্তের দুই পাশেই উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই দুর্যোগটি কীভাবে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হচ্ছে।