Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের নারী নির্যাতনের কেন্দ্রে কি ম্যাডোনা-হোর কমপ্লেক্স?

রিতু চক্রবর্ত্তী

রিতু চক্রবর্ত্তী

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ১৮: ০৩
বাংলাদেশের নারী নির্যাতনের কেন্দ্রে কি ম্যাডোনা-হোর কমপ্লেক্স?

গত পর্বে আমরা আলোচনা করেছিলাম পুরুষের ম্যাডোনা-হোর কমপ্লেক্স কীভাবে নারীকে ওয়াইফ ম্যাটেরিয়াল- সাইড চিক বা দেবতুল্য-উচ্ছৃঙ্খল পতিতা–এই দুই শ্রেণিতে দেখে থাকে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নারীবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী, ম্যাডোনা-হোর কমপ্লেক্সের মূলে রয়েছে প্রবল নারীবিদ্বেষ বা মিসোজিনি। এটি মূলত পিতৃতান্ত্রিক ধ্যান-ধারণাকেই জোরালো করে এবং নারীদের শরীর ও তাদের যৌনতাকে নিয়ন্ত্রণের একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। আর এ থেকেই শুরু হয় স্লাটশেমিং। কোনো নারী একক হয়ে উঠলে বা ক্ষমতা ও সম্ভাবনায় বিশেষ হয়ে উঠলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে অনেককেই নোংরামো করতে দেখা যায়।

আমরা আগেই বলেছিলাম, মিসোজিনি একজন নারীর ওপর সামগ্রিকভাবে বিরূপ প্রভাব ফেলে। লিঙ্গবৈষম্য ও নারীবিদ্বেষের কারণে নারীরা শিক্ষার সুযোগ কমে যাওয়া, একই কাজে পুরুষের চেয়ে কম বেতন পাওয়া, মনস্তাত্ত্বিক সমস্যার উচ্চ ঝুঁকি, পারিবারিক নির্যাতন ও সঙ্গীর সহিংসতা, যৌন সহিংসতার শিকার হওয়াসহ পুরুষদের তুলনায় সন্তান লালন-পালনের অতিরিক্ত চাপের কারণে বাড়তি মানসিক চাপে আক্রান্ত হয়।

আমরা যদি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিন্তা করি, তাহলে দেখতে পাব স্লাটশেমিং এবং নারীর প্রতি সকল সহিংসতা এখানে কতটা প্রকট।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
নারীবিদ্বেষের পেছনে কি ‘ম্যাডোনা-হোর কমপ্লেক্স’?Screenshot 2026-03-14 125306

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাম্প্রতিক নারী নির্যাতনের ডেটা অনুযায়ী গত জানুয়ারিতেই নারীর প্রতি সহিংসতার ৩১টি ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৮টি ঘটে হত্যার ঘটনা। রয়েছে ১১টি আত্মহত্যার ঘটনাও। আর এসব মিলিয়ে মামলার সংখ্যা মাত্র ১৪।

এই মামলার সংখ্যা জানান দেয়, নারীর প্রতি সহিংসতা এ দেশে কতটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে কিংবা নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় আমাদের আইন-আদালত ঠিক কতটা ভরসার জায়গা।

এ ক্ষেত্রে একটা উদাহরণ টানা যেতে পারে। গত নারী দিবসে একজন আইনজীবী ধর্ষণের শিকার এক নারীর পক্ষে মামলা লড়বেন জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন। সেখানে তিনি তার ক্লায়েন্ট ভিকটিম নারীটির প্রতি যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা অন্তত এতটুকু পরিষ্কার করে যে, আজও ধর্ষণের শিকার নারীকেই তার অবস্থান, পোশাক এবং কোনো আচরণ বা নিয়ম ভাঙাকেই ধর্ষণের মূল কারণ বলে মনে করা হয়। মোদ্দাকথা হলো, যে নারী ধর্ষিত হন, তার ধর্ষণের দায় তার। আর যিনি ধর্ষক, তাকে দেওয়া হয় দায়মুক্তি। মনে হয়, ধর্ষক যেন নিতান্তই বাধ্য হয় ধর্ষণ করে বা সুযোগ পেয়ে ধর্ষণ করাই যেন তার জন্য অতি স্বাভাবিক। তাই, নারী ও নারী স্বাধীনতাকেই ধর্ষণের দায় দিয়ে কাঠগড়ায় তুলতে হয় আমাদের দেশের সমাজের এবং আইন ব্যবসায়ীদেরও।

ছবি: স্ক্রিনশট
ছবি: স্ক্রিনশট

পুরুষ যে বাইনারিতে নারীকে দেখেthumbnailbee_M7zgyJDJjRQ_hq

কিছুদিন আগে টিএসসিতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার কথা এখানে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। সেখানে সেহরি করতে বেরিয়ে এক নারী নীপিড়িত হন। ওই ঘটনায়ও সমাজ সেই নারীর দিকেই আঙুল তুলেছিল। কারণ হিসেবে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় দায়িত্বশীল নেটিজেনদের কমেন্টে দেখি ‘ভালো মেয়েরা এত রাতে বাইরে থাকে না’। সুতরাং এত রাতে বাইরে গেলেই নারী খরাপ, মতান্তরে ‘পতিতা’ বলে সাব্যস্ত হয় এই সমাজে এবং তাকে নিপীড়ন করাটা তখন দায়িত্ব বলেই মনে করে পুরুষেরা।

এই মনোভাব যে দিন দিন বাড়ছে, তার প্রমাণ পাওয়া যায় আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নারীর প্রতি পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা ২০২৫ সালে ঘটেছে ৫৬০টি। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ৫২৩। ধর্ষণের ঘটনা ২০২৪ সালে ছিল ৪০১, ২০২৫ সালে হয়েছে ৭৪৯। আর নারীর প্রতি যৌন হেনস্তার ঘটনা ২০২৪ সালে ছিল ১৬৬, ২০২৫ সালে হয়েছে ১৯৩টি।

আবার মহিলা পরিষদ বলছে, সারা দেশে গত জানুয়ারি মাসে ১৮৩ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে আট কন্যাশিশুসহ ২০ নারীকে হত্যা করা হয়েছে। অর্থাৎ, নারীর প্রতি নির্যাতনের সব ক্ষেত্রেই শুধুই এগিয়ে যাওয়া! সেই সাথে তীব্র হচ্ছে নারীবিদ্বেষী মনোভাবের চাষাবাদও।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক-যৌনসত্তা ও নারীর অধিকার প্রশ্নGender Politics

এ বিষয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ সানজিদা শাহরিয়া বলেন, “এই মানসিকতা আসলে জেনারেশনাল ট্রমার মতো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের পুরুষেরা। আর এ থেকে তৈরি হচ্ছে নারীদের অনিরাপত্তাবোধ। এই অনিরাপত্তাবোধও চলে আসছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে।”

সানজিদা বলেন, “ম্যাডোনা-হোর কমপ্লেক্স আর বাংলাদেশে নারী নিপীড়নের সম্পর্কটা হলো একটি অদৃশ্য নীলনকশার মতো। এই কমপ্লেক্স সমাজকে একটি সহজ হাতিয়ার দেয়: নারীকে দুভাগে ভাগ করো, এক ভাগকে পূজা করো, আরেক ভাগকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করো। আর এই ভাগ করাটা নির্ভর করে নারীর পোশাক, তার কথা বলা, তার পেশা, তার রাজনৈতিক মতের ওপর। ২০২৬ সালে বাংলাদেশে নারী নির্যাতন বেড়ে যাওয়ার পেছনে এই মানসিকতাই দায়ী, যা নারীকে ‘আমাদের’ আর ‘তাদের’–এই দুই কাতারে ভাগ করে নিপীড়নের পথ সুগম করে দিচ্ছে। এই ভাগ করতে শেখানো মানসিকতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে, নারীর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হয়তো শুধুই স্বপ্ন হয়ে থাকবে।”

এবার আবার তাকানো যাক ম্যাডোনা-হোর কমপ্লেক্সের দিকে। খ্রিষ্টান সমাজে ম্যাডোনা এক পবিত্রতার প্রতীক। আর এ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে যুগে যুগে শিল্পীরা ম্যাডোনাকে এঁকেছেন। তারা সেখানে ম্যাডোনাকে দেখেছেন এক তরুণী কুমারী মা হিসেবে, যিনি নিতান্তই দেবতুল্য। পুরুষের মানসপটে তাদের মা এ রকমই দেবতুল্য জায়গায় অধিষ্ঠিত, যেখানে সানজিদা শাহরিয়ার ভাষায়, তারা তাদের মাকে দেবীজ্ঞানে পূজা করে, সাধারণ মানুষ হিসেবে দেখে না।

প্রতীকী ছবি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
প্রতীকী ছবি। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বছরে যৌন নির্যাতনের শিকার ১০০ কোটি নারী-শিশুধর্ষণ 2

আর এতেই বাধে বিপত্তি। কারণ, এই দেবতুল্য মায়ের মতো নয়–এমন সকল নারীকেই পুরুষ অবচেতনভাবে ভোগ্যপণ্য বা পতিতা হিসেবে দেখে। এই দেখা ভঙ্গিটির কারণেই বাংলাদেশে নারী নির্যাতন-স্লাটশেমিংয়ের সাথে ম্যাডোনা-হোর কমপ্লেক্স ‘ভীষণভাবে কানেক্টেড’বলে মনে করেন ডা. সানজিদা।

এই মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, “মা তো ছেলেদের কাছে প্রথম ভালোবাসা, সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। কিন্তু যদি মায়ের প্রতি শৈশবে কোনো ঘৃণা তৈরি হয়, তাহলে সেটা অবচেতন মনে থেকে যায়। মনের গভীরে আনডিজলভড ইস্যু হিসেবে থেকে যায়। বড় হয়ে সে এই ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ ঘটায় অন্য নারীকে অবদমন করে, আক্রান্ত করে।”

এই আলোচনায়, ডা. শাহরিয়া কলকাতার বাবু কালচারের কথা বলেন। যেখানে এলিট শিক্ষিত বাবুটি সারাদিন তার স্ত্রীকে স্নেহ, ভালোবাসা ও সম্মানের সাথে দেখেন, কিন্তু রাত হলে তিনি চলে যান সোনাগাছিতে, যেখানে আছে নৃত্য, সংগীত ও নানান কলায় পারদর্শী বারবণিতা। বিষয়টি অন্যান্য জায়গার তুলনায় এশিয়ার সংস্কৃতিতে অনেকটা বেশি বলে মনে করেন ডা. শাহরিয়া।

বেগম রোকেয়ার এই ভূমিতে নারীরা কেমন আছে?begum rokeya

সানজিদা শাহরিয়ার মতে, এ ক্ষেত্রে পুরুষের প্রতিও সমাজের দায় আছে। আর তাই তিনি চারটি ধাপে এর সম্ভাব্য সমাধান প্রস্তাব করেন–

অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রম: এ সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়াতে নারী-পুরুষ–উভয়কে একইসঙ্গে অংশ নিতে হবে এবং এতে পারস্পরিক সংবেদনশীলতা তৈরি হবে।

প্রশিক্ষণ: বিভিন্ন সংগঠন এর দায়িত্ব নিতে পারে। এতে কিছু কার্যকর প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার মাধ্যমে এই বিষয়গুলো তুলে আনা যেতে পারে।

ভিজিবল সার্ভিস ডেলিভরি: এ ধরনের ভুক্তভোগীদের সহায়তার উদ্দেশে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মতো একটি সেবা চালু করা যেতে পারে। এই নম্বরের মধ্য দিয়ে ভুক্তভোগীদের জন্য সেবা ও সহায়তা দেওয়ার একটা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

জাতীয় নীতিমালা: এ সম্পর্কিত একটি জাতীয় নীতিমালা গড়ে তুলতে হবে। এ নীতিমালার আওতায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, যা লিঙ্গ বৈষম্য এবং এ থেকে উদ্ভুত সকল সংকটকে অন্তর্ভুক্ত করে কাজ করবে।

বিষয়: নারীসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমমহিলা পরিষদসমাজনারী অধিকারআইন ও সালিশ কেন্দ্রনারী নির্যাতন
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড

  • বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    বিশ্বজুড়ে ফিরেছে মূল্যস্ফীতি?

    ‘সফট ল্যান্ডিং’-এর কথা মনে আছে? আগে বলে নেওয়া দরকার সফট ল্যান্ডিং কী? ‘সফট ল্যান্ডিং’ বলতে বোঝায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি নিয়ন্ত্রিত ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা, যাতে মূল্যস্ফীতি কমে আসে, কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দা দেখা না দেয় বা বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি না হারান।