Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

গাজা নিয়ে নেতানিয়াহু ও হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের দূতের আলোচনায় কী হলো?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২: ৪২
গাজা নিয়ে নেতানিয়াহু ও হামাসের সঙ্গে ট্রাম্পের দূতের আলোচনায় কী হলো?
গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ড অব পিসের প্রথম বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার জামাতা জ্যারেড কুশনারের বক্তব্য শুনছেন। ফাইল ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার গতকাল সোমবার জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর এক দিন আগে গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় কায়রোতে হামাসের নেতার সঙ্গে তিনি বিরল এক বৈঠক করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন জোট অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচনের আগে জনমত জরিপে পিছিয়ে রয়েছে। এর মধ্যেই নেতানিয়াহু চলতি মাসে প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ওই চুক্তির আওতায় হামাস অস্ত্র সমর্পণ করলে ইসরায়েল গাজা থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে।

ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তিটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। হামাস নিরস্ত্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে সরে যাবে এবং একটি ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী’ নতুন একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কাজ করে গাজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাস ও গাজার অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র করার পরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা থেকে প্রত্যাহার করবে।

কূটনীতিকরা বলছেন, ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বড় কোনো ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কম।

অচল গাজা পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চান কুশনার

জেরুজালেমে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে কুশনারের সঙ্গে ছিলেন গাজার জন্য ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসের দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানিয়েছে, কারণ প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলার অনুমোদন তাদের নেই।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি।

ম্লাদেনভ জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি গত মাসের নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। গত বছর ইসরায়েল ও হামাস যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ট্রাম্পের মূল ২০ দফা পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছিল, সেটি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টায় তিনিই নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে ব্যাপকভাবে মনে করা হয়।

গাজায় বাড়ছে লাশের সারি, শান্তি কোথায় gaza-2

তবে এখন পর্যন্ত এ ক্ষেত্রে খুব সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে। ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরও ইসরায়েল গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত মাসে হামাস ট্রাম্পের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি নতুন ১৫ দফা রোডম্যাপ মেনে নিয়েছিল। তবে ইসরায়েল ওই রোডম্যাপ প্রত্যাখ্যান করেছে।

এর আগে একটি সূত্র জানায়, গত রোববার কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কুশনার ও ম্লাদেনভের বৈঠকের কয়েকটিতে হামাস নেতা খলিল আল-হায়া উপস্থিত ছিলেন।

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কুশনারের এটি জানামতে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক। যুক্তরাষ্ট্র হামাসকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে কুশনার যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে হামাসের কর্মকর্তাদের বৈঠক করেছিলেন। ওই আলোচনায় এমন একটি চুক্তি সম্পাদনে সহায়তা হয়েছিল, যার ফলে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার সময় হামাসের হাতে জিম্মি হওয়া অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়।

জুলাইয়ের শেষ দিকে ট্রাম্প বলেছিলেন, গাজায় হামাস ও অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে।

হামাস বলেছে, তারা ওই পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নির্ভর করবে ইসরায়েল প্রথমে নিজেদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করছে কি না তার ওপর। এর মধ্যে রয়েছে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং হামলা বন্ধ করা।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রপ্রধানমন্ত্রীগাজা উপত্যকাহামাসমধ্যপ্রাচ্যকূটনীতিজেরুজালেমআলোচনামিশরকায়রোডোনাল্ড ট্রাম্পফিলিস্তিনইসরায়েলবেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড