
ফ্যাক্ট-চেকিংকে অনেকেই সত্য উদঘাটনের নির্ভরযোগ্য উপায় মনে করলেও বাস্তবে তা সবসময় নিরপেক্ষ থাকে না। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ- বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক স্বার্থে ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও হিলারি ক্লিনটন-এর সময় থেকেই এই বিতর্ক তীব্র হয়।

পর্ব ২
এ দেশে এখনো এমন একটি মনোভাব চালু আছে যে, ফ্যাক্ট-চেক করা মানেই সেটি অবধারিত সত্য! এ ধরনের মনোভাব ছড়ানোর পেছনে ফ্যাক্ট-চেকারদেরও অবদান আছে।

পর্ব ১
সাদামাটা ভাষায় ফ্যাক্ট-চেকিং বলতে বোঝায়, কোনো ঘটনার পেছনের ফ্যাক্টস খুঁজে বের করা। ফ্যাক্টস আদৌ আছে কিনা, বা থাকলে কী কী–এসব বের করা হয় ফ্যাক্ট-চেকিং প্রক্রিয়ায়। ঘটনাটি সত্য কিনা, আদৌ সত্য কিনা, সত্য হলে কতটুকু–এই সবই বের করা হয় ফ্যাক্ট-চেকিং প্রক্রিয়ায়।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হয়েছে। এবার ভোটের প্রচারে বেশি কিছু বিধিনিষেধ এনেছে নির্বাচন কমিশন। দলগুলোর মাঠের পরিস্থিতি কী? কে, কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ তুলছে? গুজব রোধে নির্বাচন কমিশন কাদের সঙ্গে নিয়ে ফ্যাক্টচেক করছে?

‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
গুজব উৎপাদন করে? যে কেউ করতে পারে। কখনো সংবাদমাধ্যমও গুজবের উর্বর ভূমিতে পরিণত হয়। তবে বিভিন্ন সময় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি, বিনোদন জগতের তারকারা এই গুজবের জন্ম দেন।