ডিসমিসল্যাবের প্রতিবেদন
চরচা ডেস্ক

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে ভুয়া তথ্যের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক সংঘাত নিয়েই বেশিরভাগ ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
ফ্যাক্টচেকিং প্ল্যাটফর্ম ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ফ্যাক্ট-চেকাররা মোট ১ হাজার ৮০৫টি ভিন্ন ভুয়া তথ্য শনাক্ত ও যাচাই করেছেন। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে শনাক্ত হওয়া মোট ভুয়া তথ্যের ৮০ শতাংশের বেশি ছিল রাজনীতি সংশ্লিষ্ট। এর বড় অংশই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে ছড়ানো হয়েছে। তবে মার্চে এসে ভুয়া তথ্যের ধরনে পরিবর্তন দেখা যায়। মার্চে ছড়ানো মোট ভুয়া তথ্যের ৩৬ শতাংশই ছিল আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে। এসময় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিষয়ক ভুয়া তথ্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়।
নির্বাচন ঘিরেই রাজনৈতিক ভুয়া তথ্যের বিস্তার
ডিসমিসল্যাব বলছে, চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে ত্রয়োদশ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে। সময়ের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে ভুয়া তথ্যের ধরনও পরিবর্তিত হয়েছে। প্রচার শুরুর আগে নির্বাচন পেছানোর গুজব, প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার বা বাতিল হওয়ার দাবির মতো ভুয়া খবর বেশি ছড়িয়েছে। প্রচার শুরু হলে প্রার্থীদের নামে ভুয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, সমাবেশে জনসমাগম বাড়িয়ে দেখাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি, এবং ফলাফল পূর্বাভাস নিয়ে ভুয়া জরিপ ছড়াতে থাকে।

নির্বাচনের আগের দিনগুলো এবং ভোটের দিনের ভুয়া তথ্যের ফোকাস আবার বদলায়। ভোটের দিন সহিংসতা, ভোট জালিয়াতি এবং ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ সামনে আসে। পাশাপাশি শেষ মুহূর্তে প্রার্থীদের নির্বাচন বর্জন বা সরে দাঁড়ানোর ভুয়া দাবিও ব্যাপকভাবে ছড়ায়।
নির্বাচনের পর ভুয়া তথ্যের মূল কেন্দ্র হয়ে ওঠে ফলাফল। ভোটের সংখ্যা ও প্রার্থী বা দলের পারফরম্যান্স নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। এ সময় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ভুয়া দাবিও দেখা যায়।
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর ভুয়া তথ্যের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে সরকারের গঠন ও সম্ভাব্য কার্যক্রম। কে মন্ত্রী হয়েছেন বা বাদ পড়েছেন—এ নিয়ে ভুয়া দাবি ছড়ানোর পাশাপাশি নতুন বিএনপি সরকার কী ধরনের নীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা নিয়েও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়।
ব্যক্তিকেন্দ্রিক ভুয়া তথ্যের প্রাধান্য
ব্যক্তিকেন্দ্রিক ভুয়া তথ্যের মধ্যে পরিচিত ব্যক্তিদের নামে বানানো বক্তব্য, দুর্নীতি বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ, এবং গ্রেপ্তার, জামিন বা হামলার ভুয়া দাবি সবচেয়ে বেশি ছিল।
সময়ের সঙ্গে এসব বয়ানের ধরনও বদলেছে। নির্বাচনের আগে মনোনয়ন পাওয়া বা প্রত্যাহার নিয়ে ভুয়া তথ্য বেশি ছিল, আর নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভায় কে কোন পদ পেয়েছেন—এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি বেশি ছড়ানো হয়েছে।
ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ভুয়া তথ্যের প্রায় ৮০ শতাংশেই চারটি বড় রাজনৈতিক দল—বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের জড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপিকে সবচেয়ে বেশি টার্গেট করা হয়েছে। এ ধরনের ভুয়া তথ্যের ৩৪ শতাংশেই দলটির নেতা বা কর্মীদের নাম এসেছে।
ব্যক্তি পর্যায়ে ভুয়া তথ্যের বয়ানে সবচেয়ে বেশি এসেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম। এরপর রয়েছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অন্যদিকে রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে ভুয়া তথ্যের হার ছিল মোট রাজনৈতিক ভুয়া তথ্যের ৩০ শতাংশ।
ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, বিএনপিকে ঘিরে ছড়ানো অধিকাংশ ভুয়া তথ্যই কেন্দ্র ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে। নির্বাচনের আগে তার নামে ভুয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। নির্বাচনের পর এসব ভুয়া তথ্যের ধারা বদলে গিয়ে নতুন সরকারের সম্ভাব্য নীতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বানানো বক্তব্যে রূপ নেয়।
এর মধ্যে সরকার মেট্রোরেল বন্ধ করে দেবে, ডিজিটাল লোকাল বাস চালু করবে, আওয়ামী লীগকে আবার রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে দেবে, কিংবা শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভারত থেকে ফিরিয়ে আনবে—এমন নানা ভুয়া দাবি।
যুদ্ধ ও ভুয়া তথ্য
দেশের ঘটনাবলীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর বড় উৎস হয়ে ওঠে । বিশেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথভাবে ইরানে হামলার পর ভুয়া তথ্যের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ঘিরে ছড়ানো ভুয়া তথ্যের বেশিরভাগই ছিল ইরানপন্থী। সংঘাতে ইরানকে শক্ত অবস্থানে দেখাতে ভুয়া তথ্য তৈরিতে পুরোনো বা সম্পর্কহীন দৃশ্যপট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। পুরোনো ছবি-ভিডিও, ভিডিও গেমের ফুটেজ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিও বিভ্রান্তিকর দাবির সঙ্গে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে এ বছরের শুরুতে ভুয়া তথ্যের প্রবাহ শুধু বাড়েইনি বরং আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও কৌশলগত হয়েছে। নির্বাচন থেকে আন্তর্জাতিক সংঘাত—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব স্পষ্ট। এ পরিস্থিতিতে বিভ্রান্তি রোধে ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও দায়িত্বশীল তথ্য প্রচার জরুরি।

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে ভুয়া তথ্যের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক সংঘাত নিয়েই বেশিরভাগ ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
ফ্যাক্টচেকিং প্ল্যাটফর্ম ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ফ্যাক্ট-চেকাররা মোট ১ হাজার ৮০৫টি ভিন্ন ভুয়া তথ্য শনাক্ত ও যাচাই করেছেন। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে শনাক্ত হওয়া মোট ভুয়া তথ্যের ৮০ শতাংশের বেশি ছিল রাজনীতি সংশ্লিষ্ট। এর বড় অংশই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিয়ে ছড়ানো হয়েছে। তবে মার্চে এসে ভুয়া তথ্যের ধরনে পরিবর্তন দেখা যায়। মার্চে ছড়ানো মোট ভুয়া তথ্যের ৩৬ শতাংশই ছিল আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে। এসময় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বিষয়ক ভুয়া তথ্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়।
নির্বাচন ঘিরেই রাজনৈতিক ভুয়া তথ্যের বিস্তার
ডিসমিসল্যাব বলছে, চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে ত্রয়োদশ নির্বাচনকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে। সময়ের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে ভুয়া তথ্যের ধরনও পরিবর্তিত হয়েছে। প্রচার শুরুর আগে নির্বাচন পেছানোর গুজব, প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার বা বাতিল হওয়ার দাবির মতো ভুয়া খবর বেশি ছড়িয়েছে। প্রচার শুরু হলে প্রার্থীদের নামে ভুয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, সমাবেশে জনসমাগম বাড়িয়ে দেখাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি, এবং ফলাফল পূর্বাভাস নিয়ে ভুয়া জরিপ ছড়াতে থাকে।

নির্বাচনের আগের দিনগুলো এবং ভোটের দিনের ভুয়া তথ্যের ফোকাস আবার বদলায়। ভোটের দিন সহিংসতা, ভোট জালিয়াতি এবং ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ সামনে আসে। পাশাপাশি শেষ মুহূর্তে প্রার্থীদের নির্বাচন বর্জন বা সরে দাঁড়ানোর ভুয়া দাবিও ব্যাপকভাবে ছড়ায়।
নির্বাচনের পর ভুয়া তথ্যের মূল কেন্দ্র হয়ে ওঠে ফলাফল। ভোটের সংখ্যা ও প্রার্থী বা দলের পারফরম্যান্স নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। এ সময় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ভুয়া দাবিও দেখা যায়।
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর ভুয়া তথ্যের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে সরকারের গঠন ও সম্ভাব্য কার্যক্রম। কে মন্ত্রী হয়েছেন বা বাদ পড়েছেন—এ নিয়ে ভুয়া দাবি ছড়ানোর পাশাপাশি নতুন বিএনপি সরকার কী ধরনের নীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে, তা নিয়েও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়।
ব্যক্তিকেন্দ্রিক ভুয়া তথ্যের প্রাধান্য
ব্যক্তিকেন্দ্রিক ভুয়া তথ্যের মধ্যে পরিচিত ব্যক্তিদের নামে বানানো বক্তব্য, দুর্নীতি বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ, এবং গ্রেপ্তার, জামিন বা হামলার ভুয়া দাবি সবচেয়ে বেশি ছিল।
সময়ের সঙ্গে এসব বয়ানের ধরনও বদলেছে। নির্বাচনের আগে মনোনয়ন পাওয়া বা প্রত্যাহার নিয়ে ভুয়া তথ্য বেশি ছিল, আর নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভায় কে কোন পদ পেয়েছেন—এ নিয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি বেশি ছড়ানো হয়েছে।
ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ভুয়া তথ্যের প্রায় ৮০ শতাংশেই চারটি বড় রাজনৈতিক দল—বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের জড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপিকে সবচেয়ে বেশি টার্গেট করা হয়েছে। এ ধরনের ভুয়া তথ্যের ৩৪ শতাংশেই দলটির নেতা বা কর্মীদের নাম এসেছে।
ব্যক্তি পর্যায়ে ভুয়া তথ্যের বয়ানে সবচেয়ে বেশি এসেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম। এরপর রয়েছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অন্যদিকে রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে ভুয়া তথ্যের হার ছিল মোট রাজনৈতিক ভুয়া তথ্যের ৩০ শতাংশ।
ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, বিএনপিকে ঘিরে ছড়ানো অধিকাংশ ভুয়া তথ্যই কেন্দ্র ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে। নির্বাচনের আগে তার নামে ভুয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। নির্বাচনের পর এসব ভুয়া তথ্যের ধারা বদলে গিয়ে নতুন সরকারের সম্ভাব্য নীতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বানানো বক্তব্যে রূপ নেয়।
এর মধ্যে সরকার মেট্রোরেল বন্ধ করে দেবে, ডিজিটাল লোকাল বাস চালু করবে, আওয়ামী লীগকে আবার রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে দেবে, কিংবা শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভারত থেকে ফিরিয়ে আনবে—এমন নানা ভুয়া দাবি।
যুদ্ধ ও ভুয়া তথ্য
দেশের ঘটনাবলীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর বড় উৎস হয়ে ওঠে । বিশেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথভাবে ইরানে হামলার পর ভুয়া তথ্যের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত ঘিরে ছড়ানো ভুয়া তথ্যের বেশিরভাগই ছিল ইরানপন্থী। সংঘাতে ইরানকে শক্ত অবস্থানে দেখাতে ভুয়া তথ্য তৈরিতে পুরোনো বা সম্পর্কহীন দৃশ্যপট ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। পুরোনো ছবি-ভিডিও, ভিডিও গেমের ফুটেজ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিও বিভ্রান্তিকর দাবির সঙ্গে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে এ বছরের শুরুতে ভুয়া তথ্যের প্রবাহ শুধু বাড়েইনি বরং আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও কৌশলগত হয়েছে। নির্বাচন থেকে আন্তর্জাতিক সংঘাত—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব স্পষ্ট। এ পরিস্থিতিতে বিভ্রান্তি রোধে ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও দায়িত্বশীল তথ্য প্রচার জরুরি।

ইরান যুদ্ধে নিয়োজিত মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একক যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ৪৭-৫০ ভোটে প্রস্তাবটি পরাজিত হয়।