জেন জি
রাজনীতি বদলাতে কি দল লাগে?
প্রচলিত রাজনৈতিক দলের বাইরে এসে দক্ষিণ এশিয়ায় জেন-জি প্রজন্মই এখন রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি ও পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের সাম্প্রতিক আন্দোলনগুলো প্রমাণ করে যে তরুণরা কোনো নির্দিষ্ট দলের আনুগত্যে নয়, বরং ইস্যুভিত্তিক সুশাসন ও ন্যায্যতার দাবিতে সংগঠিত হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীকে বিদায়ই মোদির রক্ষার একমাত্র পথ
২০২৪ ও ২০২৬, মাঝে দুই বছরের ব্যবধান। বাংলাদেশের পর, ভারতেও হচ্ছে জেন-জি আন্দোলন। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

অর্থনীতি বাড়লেও কেন ক্ষুব্ধ ভারত-ইন্দোনেশিয়ার জেনজিরা?
শুধু বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নয়, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া নিজেদের দেশেও নতুন অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি থেকে জন্ম নেওয়া ‘জেন-জি’ প্রজন্ম এখন রাজনীতিতে সক্রিয় ও সোচ্চার হচ্ছে।

নেপালে সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবে দলগুলোর ভিন্নমত
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অসীম শাহের তথ্য অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রায় ৪৪ হাজার ৬১৩টি পরামর্শ পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৯ হাজার ২৩৯টি ইমেলের মাধ্যমে এবং ২৫ হাজার ৩৭৪টি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এসেছে। তবে টাস্ক ফোর্সের কোনো নিজস্ব অবস্থান বা রাজনৈতিক এজেন্ডা তৈরি করার আইনি এখতিয়ার ছিল না।

নেপালে ফের রাজপথে জেন-জিরা, কেন?
কোনো ধরনের পুনর্বাসন পরিকল্পনা ছাড়াই বস্তিবাসীদের উচ্ছেদ এবং সরকারের অমানবিক আচরণের প্রতিবাদে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে আবার উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। আজ রোববার শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গত বছর যে ‘জেন-জি’ বা তরুণদের আন্দোলনের ওপর ভর করে

কঠিন বাস্তবতার মুখে দক্ষিণ এশিয়ার জেন-জি বিপ্লবগুলো
বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা বর্তমানে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। তরুণদের নেতৃত্বাধীন গণ-আন্দোলনের জোয়ারে ক্ষমতায় আসা এই দেশগুলোর তুলনামূলক নতুন সরকারগুলোর প্রতি এখনো জনগণের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে।



