Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

নেপালে সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবে দলগুলোর ভিন্নমত

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ২০: ৪৬
নেপালে সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবে দলগুলোর ভিন্নমত

নেপালের সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে গঠিত সরকারি টাস্ক ফোর্স দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের কাছে ২৫৫টি ধারা সংশোধনের সুপারিশ সম্বলিত ৫০০ পৃষ্ঠার একটি দীর্ঘ আলোচনাপত্র জমা দিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন জমা পড়ার পর দেশটিতে এক বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নেপালের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এই প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বেশ কয়েকটি দল এই প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। কাঠমান্ডু পোস্টের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এখন সংবিধান সংশোধনের এই সরকারি উদ্যোগের ভবিষ্যৎ এক গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। ২০১৫ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রামবরণ যাদব নেপালের বর্তমান যে সংবিধানটি ঘোষণা করেছিলেন, তার ৩০৮টি ধারার মধ্যে ২৪৫টি ধারাই পরিবর্তনের এই খসড়া প্রস্তাবটি মূলত দেশটির নির্বাচনী ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, শাসন কাঠামো এবং ফেডারেলিজম বা শাসনতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়েছে। তবে এটি কোনো চূড়ান্ত সুপারিশমালা বা সংশোধনী প্যাকেজ নয়। বরং পরবর্তী আলোচনার একটি ভিত্তি মাত্র বলে টাস্ক ফোর্সের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

এই টাস্ক ফোর্সের প্রধান সমন্বয়কারী এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অসীম শাহ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তাদের দেওয়া এই দলিলের উদ্দেশ্য সংবিধানকে দুর্বল করা কিংবা এর মূল ভিত্তি ভেঙে দেওয়া নয়। এই টাস্ক ফোর্স মূলত রাজনৈতিক দল, সাংবিধানিক সংস্থা, আইনি বিশেষজ্ঞ, সাবেক বিচারক, সুশীল সমাজ ও সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ সংগ্রহ করে এই সংকলনটি তৈরি করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অসীম শাহের তথ্য অনুযায়ী, তারা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রায় ৪৪ হাজার ৬১৩টি পরামর্শ পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৯ হাজার ২৩৯টি ইমেলের মাধ্যমে এবং ২৫ হাজার ৩৭৪টি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এসেছে। তবে টাস্ক ফোর্সের কোনো নিজস্ব অবস্থান বা রাজনৈতিক এজেন্ডা তৈরি করার আইনি এখতিয়ার ছিল না। তারা সংগৃহীত পরামর্শগুলোকে ২০টি প্রধান ভাগে ভাগ করে এই প্রতিবেদনটি সাজিয়েছে। এর মধ্যে এমন কিছু পরামর্শও রয়েছে যা সরাসরি সংবিধান সংশোধন না করে প্রচলিত আইন পরিবর্তনের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব। প্রতিবেদনটিতে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে যে, নেপালের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং জনগণের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার যে মূল উৎস, এই মৌলিক বিষয়গুলোতে কোনো প্রকার পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়নি।

সংগৃহীত এই ৫৪টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের মধ্যে আটটি প্রধান ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত নির্বাহী প্রেসিডেন্টের ব্যবস্থা চালু করা, নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার, বিচার বিভাগের পুর্নগঠন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংখ্যা হ্রাস করা এবং বর্তমানের সাতটি প্রদেশের ফেডারেল বা প্রাদেশীয় কাঠামো পুনর্নির্ধারণ করা। এমনকি নেপালের বর্তমান ফেডারেল ব্যবস্থা পুরোপুরি বাতিল করার দাবিও এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি, প্রবাসী নেপালি নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রদান এবং আদালতের সকল স্তরে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এই আলোচনায় উঠে এসেছে।

তবে রাজনৈতিক দলগুলো এবং নেপালের প্রবীণ সংবিধান বিশেষজ্ঞরা এই সরকারি উদ্যোগের বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বড় রকমের সংশয় প্রকাশ করেছেন। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তিকারাম ভট্টরাই মনে করেন, শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়াটি তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল এবং পরবর্তীতে যখন প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এই টাস্ক ফোর্স থেকে একে একে তাদের প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার করে নেয়, তখন এর নৈতিক ও রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।

তাদের মতে, সংবিধানের মতো একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংশোধনী আনতে গেলে দেশের সমস্ত প্রধান রাজনৈতিক শক্তির স্বত্বাধিকার এবং গভীর জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন, যা এই টাস্ক ফোর্সের কার্যক্রমে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত ছিল।

নেপালের জেন-জি আন্দোলনে সহিংসতা। ছবি: রয়টার্স
নেপালের জেন-জি আন্দোলনে সহিংসতা। ছবি: রয়টার্স

নেপালের বর্তমান পার্লামেন্টের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল এবং এনসিপি (নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি) শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করেছে। নেপালি কংগ্রেসের অবস্থান ছিল যে সংবিধান সংশোধনের মতো স্পর্শকাতর একটি বিষয় কোনো অবস্থাতেই শুধুমাত্র সরকারের নির্বাহী বিভাগের একার সিদ্ধান্তে পরিচালিত হতে পারে না। এই আশঙ্কায় তারা এই টাস্ক ফোর্সে যোগ দেয়নি। পরবর্তীতে সিপিএন-ইউএমএল এবং এনসিপির মতো বড় দলগুলোও টাস্ক ফোর্স থেকে বের হয়ে আসে।

তাদের মূল অভিযোগ ছিল, সরকারের এই টাস্ক ফোর্স তাদের মূল ম্যান্ডেটের বাইরে গিয়ে সংবিধান সংশোধনের নামে আসলে পুরো সংবিধানটিকে নতুন করে লেখার এবং এর মূল রাজনৈতিক মতৈক্যগুলো নষ্ট করার চেষ্টা করছে।

নেপালি কংগ্রেস এবং সিপিএন-ইউএমএল বর্তমান সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য যেমন- ফেডারেল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, পার্লামেন্ট দ্বারা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সংসদীয় ব্যবস্থা এবং মিশ্র নির্বাচনী ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে এনসিপি, জনতা সমাজবাদী পার্টি এবং জনমত পার্টির মতো দলগুলো সরাসরি নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান এবং সম্পূর্ণ আনুপাতিক নির্বাচনী ব্যবস্থার পক্ষে দাবি জানিয়ে আসছে।

নেপালের জেন-জি আন্দোলন। ছবি: রয়টার্স
নেপালের জেন-জি আন্দোলন। ছবি: রয়টার্স

এদিকে, সরকারের এই একতরফা উদ্যোগকে প্রতিহত করতে এবং নিজেদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে নেপালি কংগ্রেস ইতিমধ্যেই তাদের দলের সহ-সভাপতি পুষ্পা ভূসালের নেতৃত্বে একটি নিজস্ব ‘সংবিধান সংশোধন অধ্যায়ন ও পরামর্শ কমিটি’ গঠন করেছে।

দলের সভাপতি গগন থাপা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তারা নেপালের বহুত্ববাদী ফেডারেল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা, আনুপাতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিনিধিত্ব এবং মৌলিক অধিকারের মতো মূল অর্জনগুলোর সাথে কোনো আপোস করবেন না। নেপালি কংগ্রেস বর্তমান সাত প্রদেশের কাঠামো বজায় রাখার পক্ষে হলেও কেন্দ্রীয়, প্রদেশীয় এবং স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা বণ্টনের সাংবিধানিক তফশিলগুলো আরও স্পষ্ট করার দাবি তুলেছে।

অন্যদিকে, সিপিএন-ইউএমএলের সংবিধান সংশোধন দলের সদস্য মহেশ বৰ্তৌলা সরকারের এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, “সংবিধানে পরিবর্তনের কোনো সুনির্দিষ্ট ও স্বচ্ছ রোডম্যাপ সরকারের কাছে ছিল না এবং স্থানীয় নির্বাচনকে অরাজনৈতিক করার চেষ্টা থেকে বোঝা যায় যে- সরকার আসলে দেশের ফেডারেল কাঠামোর বিরোধী।”

একইভাবে এনসিপির দেব গুরুং এবং জনতা সমাজবাদী পার্টির উপেন্দ্র যাদব জোর দিয়ে বলেছেন, সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া এই ধরনের সংশোধনী প্রস্তাবের কোনো আইনি বা রাজনৈতিক বৈধতা থাকতে পারে না।

সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ যদিও বিষয়টিকে শুধুমাত্র একটি সাধারণ আলোচনাপত্র হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় দলগুলোর সাথে সমঝোতার মাধ্যমে একটি নতুন সর্বদলীয় সাংবিধানিক কমিশন গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রতিবেদনটি এক গভীর বিভাজন তৈরি করেছে।

সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ ভিমার্জুন আচার্য সতর্ক করে বলেছেন, “দেশ যদি একটি সর্বসম্মত পথ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর এই পারস্পরিক কাঁদা ছোড়াছুড়ি এবং দূরত্বের কারণে নেপাল শেষ পর্যন্ত কোনো সুস্পষ্ট বিকল্প ছাড়াই তার বর্তমান সংবিধানটি হারানোর এক চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে।”

কাঠমান্ডু পোস্টের এই প্রতিবেদনে পরিষ্কারভাবে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, হিমালয় কন্যা নেপালের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সংবিধানের সংস্কার অপরিহার্য হলেও, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক অবিশ্বাস দূর না হওয়া পর্যন্ত এই বিশাল ৫০০ পৃষ্ঠার প্রস্তাবটি কেবল আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।

বিষয়: নেপালআন্দোলনবিশ্ব রাজনীতিজেন জিসংবিধান
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড