
এ সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজন ডিজিটাল শিক্ষার বিস্তার, তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি, মিডিয়ার স্বাধীনতা সুরক্ষা, ঘৃণামূলক প্রচার প্রতিরোধে কার্যকর নীতি, সমাজে সহনশীলতা ও বহুমতের প্রতি শ্রদ্ধা বৃদ্ধি। নইলে আগামী দিনে বিভাজন আরও গভীর হবে এবং সামাজিক সম্প্রীতি দীর্ঘমেয়াদে হুমকির মুখে পড়বে।

বাস্তবতা হলো–বিশ্ব পর্যটনের মানচিত্রে বাংলাদেশ এখনো অজানা। প্রশ্ন উঠছে, এত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কেন বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশ আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠতে পারছে না?

ধারাবাহিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি, তৈরি পোশাক খাতের ওপর ভিত্তি করে রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন, সামাজিক সূচকগুলোর উন্নয়ন এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাংলাদেশকে এশিয়ার দ্রুততম উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে স্থান করে দিয়েছিল।

বাংলাদেশ তার উন্নয়ন যাত্রার এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে। গত কয়েক দশকের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য হ্রাসের সাফল্যের পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রবৃদ্ধির গতি কমে এসেছে, আর জনসংখ্যাগত লাভের সুযোগও দ্রুত সংকুচিত হয়ে উঠছে।

বর্তমানে সংস্কারগুলোর সফলতা মূলত নির্ভর করবে পরবর্তী সরকারের অঙ্গীকার এবং সক্ষমতার উপর বলে জানিয়েছেন সিপিডির ফেলো।

ভারত-চীন– দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক খারাপ হওয়ার পেছনের কারণ কি বাজার নিয়ন্ত্রণ? নাকি ব্রিটিশদের করা বিভাজন? ব্রিটিশদের সীমানা রেখা কীভাবে দেশগুলোর ভেতর সীমান্ত সংকট তৈরি করেছে—এসব নিয়ে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক বদরুল আলম খানের সঙ্গে।

বিশ্বব্যাপী ঘুমের মানের দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে এশিয়ার দেশগুলো। এশিয়ার মানুষ গড়ে প্রতিদিন ৬.৫ ঘণ্টারও কম ঘুমায়। দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান কম ঘুমানো দেশগুলোর অন্যতম।