Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

৫ বড় অর্থনীতির দেশের তালিকা থেকে ছিটকে গেল ভারত, কারণ কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ২১: ০৩
৫ বড় অর্থনীতির দেশের তালিকা থেকে ছিটকে গেল ভারত, কারণ কী?

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ-এর সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত আর বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির দেশের তালিকায় নেই। দেশটির অবস্থান এখন ষষ্ঠ স্থানে। মাত্র এক বছর আগেই দেশটিকে অল্প সময়ের জন্য চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে দেখা হয়েছিল। তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জার্মানি, জাপান ও যুক্তরাজ্য।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই পিছিয়ে পড়ার অর্থ এই নয় যে অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে। রুপির হিসাবে ভারতের অর্থনীতি এখনও দ্রুত হারেই বাড়ছে।

কেন পিছিয়ে গেল ভারত?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্লেষকদের মতে, এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো রুপির মান দুর্বল হয়ে যাওয়া। জিডিপি যখন মার্কিন ডলারে রূপান্তর করা হয়, তখন দুর্বল রুপির কারণে এর মান কম দেখায়।

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করে, তখন ডলারের বিপরীতে রুপির মান ছিল ৯০ দশমিক ৯৫। মার্চের শেষে তা প্রায় ৪ শতাংশ কমে ৯৪ দশমিক ৬৫–তে নেমে আসে।

এনডিটিভির তথ্যমতে, ভারতের জিডিপি কমার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হলো হিসাবের ভিত্তি বছর বা বেস ইয়ার পরিবর্তন। নতুন পদ্ধতিতে ক্যালকুলেশন করার ফলে ভারতের নামমাত্র জিডিপির আকার আগের চেয়ে কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে। আদতে দেশটির অর্থনীতি সংকুচিত হয়নি, বরং ডলারের মানদণ্ডে হিসাব করায় তা দৃশ্যত কম মনে হচ্ছে।

নামমাত্র জিডিপির হিসাবে নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকা এখনও বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি, যার আকার ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি। তারপরে রয়েছে চীন, জিডিপি ১৯ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলার। এরপর থাকা জার্মানির জিডিপি ৪ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার। ৪র্থ অবস্থানে থাকা জাপানের অর্থনীতি ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাজ্যের ৪ থেকে ৪ দশমিক ৩ ডলার। অন্যদিকে, ৩ দশমিক ৯ থেকে ৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার জিডিপি নিয়ে তালিকার ৬ষ্ঠ অবস্থানে ভারত।

ভারত কী বলছে

ভারতের অর্থনীতি এখনও দ্রুত বাড়ছে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবৃদ্ধি ৬ থেকে ৭ শতাংশের বেশি হতে পারে, যা বড় অর্থনীতিগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের দাবি, ভারতের অর্থনীতি এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং শিগগিরই আবার উচ্চতর অবস্থানে ফিরবে। অনেক পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত আবার চতুর্থ স্থানে উঠতে পারে এবং ২০৩০-এর শুরুর দিকে তৃতীয় স্থানেও পৌঁছাতে পারে।

ইন্ডিয়াফার্স্ট লাইফ ইনস্যুরেন্সের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা পুনম ট্যান্ডন বলেন, “মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মানের পতনের কারণে আন্তর্জাতিক ডলারের হিসাবে অর্থনীতির আকার ছোট দেখাচ্ছে, যদিও আমরা বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি। ৭ থেকে ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি থাকা সত্ত্বেও মুদ্রার ওঠানামার কারণে নামমাত্র র‍্যাংকিং প্রভাবিত হচ্ছে।”

ভারতীয় কর্মকর্তাদের দাবি, ভারতের অর্থনীতি এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ছবি: রয়টার্স
ভারতীয় কর্মকর্তাদের দাবি, ভারতের অর্থনীতি এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ছবি: রয়টার্স

পুনমের মতে, পতন কিছুটা বেশি হলেও যুদ্ধবিরতির পর অপরিশোধিত তেলের দাম কমলে ভবিষ্যতে রুপি শক্তিশালী হতে পারে। শেয়ারবাজারে সংশোধন হওয়ায় বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগ (এফপিআই) বাড়তেও পারে, যা রুপিকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

বেস ইয়ার পরিবর্তনের প্রভাব

বিশ্লেষকরা বলেন, সম্প্রতি ভারত তাদের জিডিপি হিসাবের ‘বেস ইয়ার’ হালনাগাদ করেছে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তবে এতে কাগজে-কলমে নামমাত্র জিডিপির আকার কিছুটা কম দেখাতে পারে। এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনও ভারতের র‍্যাংকিং নিচে নামার একটি কারণ।

ভারতের বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভিভাভাঙ্গাল আনুকুলকারার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিদ্ধার্থ মৌর্য বলেন, “রুপির দুর্বলতার কারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থানে পরিবর্তন হওয়াকে আতঙ্কের চোখে না দেখে সতর্কভাবে দেখা উচিত। ভোক্তা ব্যয়, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সেবাখাতের ওপর ভর করে ভারতের প্রবৃদ্ধির ধারা স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তবে রুপির দুর্বলতা আমদানি ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং স্বল্পমেয়াদি বিদেশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। সামগ্রিকভাবে এটি মনে করিয়ে দেয়. বৈশ্বিক পর্যায়ে অবস্থান নির্ধারণে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি বিনিময় হারও গুরুত্বপূর্ণ।”

এদিকে, আরেক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান নিটস্টোন ফিনসার্ভের সিইও ও এমডি সেন্টিল কুমার বলেন, “অর্থনীতির মৌলিক প্রবৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা এখনও শক্তিশালী। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত স্থিতিশীল ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক অগ্রগতি ধরে রাখছে।”

বিষয়: অর্থনীতিআইএমএফভারতজিডিপি
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।