
নির্বাচনী ইশতেহারে খেলাধুলাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির প্রতিশ্রুতি, ক্রীড়া অর্থনীতি আর ‘ক্রীড়া কূটনীতি’, জামায়াত ৫ বছরে ৫০০ দেশসেরা ক্রীড়াবিদ তৈরি করতে চায়। নির্বাচনী ইশতেহারে এসব প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত? যে দলই নির্বাচনে জয়ী হোক, তারা কি এসব বাস্তবায়ন করতে পারবে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহারে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিএনপি। এই ইশতেহারের শ্লোগান হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজেদের ইশতেহার ঘোষণা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই ইশতেহার ঘোষণা শুরু করেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এনসিপি, জামায়াতসহ একাধিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে। বিএনপি ঘোষণা করবে কাল শুক্রবার। প্রশ্ন হলো, ইশতেহার নিয়ে দলগুলো কি নিরুৎসাহিত। আবার ভোটারদেরও বিশ্বাস নেই এসব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে। এ নিয়ে কথা বলেছেন চরচার সম্পাদক সোহরাব হাসান।

রাজনীতিতে নয়া বন্দোবস্তের লক্ষ্য ধরে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে আত্মপ্রকাশ করে এনসিপি। এবারের নির্বাচনে দলটি জামায়াতের ইসলামীর সঙ্গে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য নামে মোর্চা গড়েছে।

শনিবার বিকেলে নিজের নির্বাচনী এলাকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষিত এই ইশতেহারে তিনি ঢাকা-৯ এলাকাকে ‘অবহেলা ও বিমাতাসুলভ আচরণের’ শিকার বলে উল্লেখ করেন।