চরচা ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা তার আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামা এই চিকিৎসক তার ইশতেহারে নাগরিক অধিকার নিশ্চিতকরণে ‘সেবা না দিলে বিল নেই’ নীতিসহ একগুচ্ছ সাহসী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছেন।
শনিবার বিকেলে নিজের নির্বাচনী এলাকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষিত এই ইশতেহারে তিনি ঢাকা-৯ এলাকাকে ‘অবহেলা ও বিমাতাসুলভ আচরণের’ শিকার বলে উল্লেখ করেন।
ইশতেহারে ডা. তাসনিম জারা ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছ রাজনীতির যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে আমি ঢাকা-৯ এর ভাগ্য বদলাতে চাই। এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন, যে জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা।”
ইশতেহারের মূল বিষয়সমূহ:
১. ‘সেবা না দিলে বিল নেই’ ডা. জারা বলেন, “গ্যাস না থাকলেও মাসের শেষে ঠিকই বিল দিতে হয়, যা একধরনের প্রতারণা।” তিনি সংসদে এমন আইন করার প্রস্তাব দেবেন যেখানে সেবা না পেলে বিল মওকুফের বিধান থাকবে। এছাড়া সিন্ডিকেট ভেঙে ভর্তুকি মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ এবং রাস্তা কাটাকাটির ক্ষেত্রে কঠোর ‘ডেডলাইন’ ও জরিমানার ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
২. প্রতিটি পাড়ায় ‘মিনি-হাসপাতাল’ একজন চিকিৎসক হিসেবে স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন তিনি। মুগদা হাসপাতালের ওপর চাপ কমাতে এবং সেবার মান বাড়াতে তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডের কমিউনিটি ক্লিনিককে আধুনিক ‘মিনি-হাসপাতাল’-এ রূপান্তরের পরিকল্পনা করেছেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কেবল মৌসুমি তৎপরতা নয়, বরং ‘স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড’ গঠনের কথা বলেছেন তিনি।
৩. নিরাপত্তা ও মাদক নির্মূল এলাকার মাদক সিন্ডিকেট হঠাতে এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্কুল-কলেজ ও অন্ধকার অলিগলিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসি ক্যামেরা ও ল্যাম্পপোস্ট বসিয়ে ‘নিরাপদ করিডোর’ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডা. জারা।
৪. শিক্ষা ও স্মার্ট প্রজন্ম শিক্ষাখাতে আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “স্কুল ভর্তিতে এমপির কোনো কোটা বা সুপারিশ থাকবে না।” তিনি স্কুলগুলোতে আধুনিক সায়েন্স ল্যাব, কোডিং ক্লাব এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশে লাইব্রেরি স্থাপনের ওপর জোর দেন।
৫. তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ফান্ড তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতবিহীন ‘স্টার্ট-আপ ঢাকা-৯’ ফান্ড এবং কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারি ভর্তুকি দিয়ে ‘কমিউনিটি ডে-কেয়ার সেন্টার’ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে তার ইশতেহারে।
৬. জবাবদিহিতা ও ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড নির্বাচিত হলে এলাকার প্রাণকেন্দ্রে স্থায়ী অফিস এবং জনগণের অভিযোগ ট্র্যাকিং করার জন্য একটি ‘ডিজিটাল ওপেন ড্যাশবোর্ড’ চালুর ঘোষণা দেন তিনি, যাতে নাগরিকরা তাদের সমস্যার সমাধান পরিস্থিতি সরাসরি দেখতে পান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ, মুগদা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা তার আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামা এই চিকিৎসক তার ইশতেহারে নাগরিক অধিকার নিশ্চিতকরণে ‘সেবা না দিলে বিল নেই’ নীতিসহ একগুচ্ছ সাহসী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছেন।
শনিবার বিকেলে নিজের নির্বাচনী এলাকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষিত এই ইশতেহারে তিনি ঢাকা-৯ এলাকাকে ‘অবহেলা ও বিমাতাসুলভ আচরণের’ শিকার বলে উল্লেখ করেন।
ইশতেহারে ডা. তাসনিম জারা ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছ রাজনীতির যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে আমি ঢাকা-৯ এর ভাগ্য বদলাতে চাই। এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন, যে জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা।”
ইশতেহারের মূল বিষয়সমূহ:
১. ‘সেবা না দিলে বিল নেই’ ডা. জারা বলেন, “গ্যাস না থাকলেও মাসের শেষে ঠিকই বিল দিতে হয়, যা একধরনের প্রতারণা।” তিনি সংসদে এমন আইন করার প্রস্তাব দেবেন যেখানে সেবা না পেলে বিল মওকুফের বিধান থাকবে। এছাড়া সিন্ডিকেট ভেঙে ভর্তুকি মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ এবং রাস্তা কাটাকাটির ক্ষেত্রে কঠোর ‘ডেডলাইন’ ও জরিমানার ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
২. প্রতিটি পাড়ায় ‘মিনি-হাসপাতাল’ একজন চিকিৎসক হিসেবে স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন তিনি। মুগদা হাসপাতালের ওপর চাপ কমাতে এবং সেবার মান বাড়াতে তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডের কমিউনিটি ক্লিনিককে আধুনিক ‘মিনি-হাসপাতাল’-এ রূপান্তরের পরিকল্পনা করেছেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কেবল মৌসুমি তৎপরতা নয়, বরং ‘স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড’ গঠনের কথা বলেছেন তিনি।
৩. নিরাপত্তা ও মাদক নির্মূল এলাকার মাদক সিন্ডিকেট হঠাতে এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্কুল-কলেজ ও অন্ধকার অলিগলিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসি ক্যামেরা ও ল্যাম্পপোস্ট বসিয়ে ‘নিরাপদ করিডোর’ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডা. জারা।
৪. শিক্ষা ও স্মার্ট প্রজন্ম শিক্ষাখাতে আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “স্কুল ভর্তিতে এমপির কোনো কোটা বা সুপারিশ থাকবে না।” তিনি স্কুলগুলোতে আধুনিক সায়েন্স ল্যাব, কোডিং ক্লাব এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশে লাইব্রেরি স্থাপনের ওপর জোর দেন।
৫. তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ফান্ড তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতবিহীন ‘স্টার্ট-আপ ঢাকা-৯’ ফান্ড এবং কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারি ভর্তুকি দিয়ে ‘কমিউনিটি ডে-কেয়ার সেন্টার’ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে তার ইশতেহারে।
৬. জবাবদিহিতা ও ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড নির্বাচিত হলে এলাকার প্রাণকেন্দ্রে স্থায়ী অফিস এবং জনগণের অভিযোগ ট্র্যাকিং করার জন্য একটি ‘ডিজিটাল ওপেন ড্যাশবোর্ড’ চালুর ঘোষণা দেন তিনি, যাতে নাগরিকরা তাদের সমস্যার সমাধান পরিস্থিতি সরাসরি দেখতে পান।