চরচা প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে বিএনপি ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে আগামী ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং আগামী ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেছেন। একইসঙ্গে ইশতেহার বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিও দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করেন তিনি।
আজ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী প্রথম ত্রিশ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত এই প্রশ্নোত্তর পর্বে তাহসিনা রুশদীর উত্থাপিত প্রথম প্রশ্নটি ছিল- সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত বিভিন্ন কার্যক্রমের কী কী অগ্রগতি সাধিত হয়েছে?
তার প্রশ্নের জবাব দিতে উঠে দাঁড়াতেই সরকারি দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ বিরোধী সদস্যরাও সরকারি দলের সদস্যদের সঙ্গে তাল মেলান।
তাহসিনা রুশদীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সকল মন্ত্রণালয় আগামী ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং আগামী ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।”
তিনি বলেন, “প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৩৭,৮১৪ টি নারীপ্রধান পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।”
কৃষকের সার্বিক সুরক্ষা প্রদানে সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ০৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে পাইলটিং করা হবে। এছাড়া, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।”
ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিতদের সম্মানী দেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রাথমিক পর্যায়ে ইদুল ফিতরের পূর্বেই ৩২৯৫ জন ইমাম, ২৯৭৫ জন মুয়াজ্জিন, ২৬০৪ জন খাদেম এবং হিন্দু মন্দিরের ১১৪ জন পুরোহিত, ৮৩ জন সেবাইত, বৌদ্ধ বিহার, প্যাগোডার ১৫ জন অধ্যক্ষ ও ১৬ জন উপাধ্যক্ষসহ সর্বমোট ৯১০২ (নয় হাজার একশত দুই)জন উপকারভোগীর ব্যাংক একাউন্টে সম্মানী প্রেরণ করা হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ই-হেলথ কার্ড প্রদান’ বিষয়ে পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় খুলনা জেলায় ২৫ লাখ ই-হেলথ্ কার্ড প্রদানের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
২০ হাজার কিমি খাল খনন ও বনায়ন কর্মসূচির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে ২০,০০০ কি.মি. খাল খনন,পুনঃখনন কর্মসূচি গত ১৬ মার্চ, ২০২৬ হতে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। জুন ২০২৬ পর্যন্ত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় ১২০৪ কিলোমিটার খাল খনন, পুনঃখনন করবে। এছাড়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জুন ২০২৬ পর্যন্ত কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য), কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা), টিআর (টেস্ট রিলিফ)-এর মাধ্যমে ১৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, সংস্কার করা হবে।”
বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থানের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, “৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বনায়ন সৃজনের জন্য ইতোমধ্যে ১ কোটি ৫০ লক্ষ বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়েছে। উৎপাদিত চারাসমূহ চলতি বছর আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রোপণ করা হবে।”
এ অর্থবছরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে বিএনপি ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে আগামী ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং আগামী ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেছেন। একইসঙ্গে ইশতেহার বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিও দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করেন তিনি।
আজ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী প্রথম ত্রিশ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত এই প্রশ্নোত্তর পর্বে তাহসিনা রুশদীর উত্থাপিত প্রথম প্রশ্নটি ছিল- সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত বিভিন্ন কার্যক্রমের কী কী অগ্রগতি সাধিত হয়েছে?
তার প্রশ্নের জবাব দিতে উঠে দাঁড়াতেই সরকারি দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ বিরোধী সদস্যরাও সরকারি দলের সদস্যদের সঙ্গে তাল মেলান।
তাহসিনা রুশদীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নের জন্য সকল মন্ত্রণালয় আগামী ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং আগামী ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।”
তিনি বলেন, “প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৩৭,৮১৪ টি নারীপ্রধান পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।”
কৃষকের সার্বিক সুরক্ষা প্রদানে সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ০৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে পাইলটিং করা হবে। এছাড়া, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।”
ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিতদের সম্মানী দেয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রাথমিক পর্যায়ে ইদুল ফিতরের পূর্বেই ৩২৯৫ জন ইমাম, ২৯৭৫ জন মুয়াজ্জিন, ২৬০৪ জন খাদেম এবং হিন্দু মন্দিরের ১১৪ জন পুরোহিত, ৮৩ জন সেবাইত, বৌদ্ধ বিহার, প্যাগোডার ১৫ জন অধ্যক্ষ ও ১৬ জন উপাধ্যক্ষসহ সর্বমোট ৯১০২ (নয় হাজার একশত দুই)জন উপকারভোগীর ব্যাংক একাউন্টে সম্মানী প্রেরণ করা হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ই-হেলথ কার্ড প্রদান’ বিষয়ে পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় খুলনা জেলায় ২৫ লাখ ই-হেলথ্ কার্ড প্রদানের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
২০ হাজার কিমি খাল খনন ও বনায়ন কর্মসূচির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী ৫ বছরে ২০,০০০ কি.মি. খাল খনন,পুনঃখনন কর্মসূচি গত ১৬ মার্চ, ২০২৬ হতে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। জুন ২০২৬ পর্যন্ত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় ১২০৪ কিলোমিটার খাল খনন, পুনঃখনন করবে। এছাড়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জুন ২০২৬ পর্যন্ত কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য), কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা), টিআর (টেস্ট রিলিফ)-এর মাধ্যমে ১৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, সংস্কার করা হবে।”
বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থানের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, “৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বনায়ন সৃজনের জন্য ইতোমধ্যে ১ কোটি ৫০ লক্ষ বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়েছে। উৎপাদিত চারাসমূহ চলতি বছর আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রোপণ করা হবে।”
এ অর্থবছরেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।