Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে যা আছে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ১২
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে যা আছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজেদের ইশতেহার ঘোষণা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই ইশতেহার ঘোষণা শুরু করেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর মধ্যেই দলটির ফেসবুক পেইজে ইশতেহার প্রকাশিত হয়েছে। ইশতেহারের মুখবন্ধ নিচে তুলে ধরা হলো–

“দীর্ঘ ১৮ বছরের ভোটাধিকারহীনতা, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, বিচারহীনতা ও ভয়ভীতির রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান আবারও প্রমাণ করেছে— বাংলাদেশের আপামর জনতা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার প্রশ্নে আপসহীন। সুদীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে হাজারো শহীদের রক্ত, জুলাই যোদ্ধাদের অসীম আত্মত্যাগ এবং শহীদ মায়েদের প্রত্যাশা আমাদের সামনে একটি অনিবার্য দায়িত্ব তুলে দিয়েছে – একটি বৈষম্যহীন, মেধাভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, যার লক্ষ্য মানবিক, জনগণকেন্দ্রিক ও ইনসাফ-ভিত্তিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। বরং জনগণই সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। কিন্তু গত দেড় দশকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অনুপস্থিতি, গুম-খুন-নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ, বিচারব্যবস্থার দলীয়করণ ও সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে জনগণকে রাষ্ট্রের মালিকানা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। এর বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রকাশ ছিল ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান। কেবল সরকার পরিবর্তন নয়; বরং ভয়, নিপীড়ন, বৈষম্য ও ভোটহীনতার বিরুদ্ধে জনগণের চূড়ান্ত রায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশ এবং বিএনপি অবিচ্ছেদ্য। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিটি অধ্যায়ে বিএনপির গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ইতিহাসে প্রমাণিত। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে নেতৃত্ব, ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে বাকশালের বদলে বহুদলীয় গণতন্ত্র, বিচার বিভাগ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আপসহীন আন্দোলনে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে বেরিয়ে এসে সারাবিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পৃক্ততা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন, বিচার বিভাগ, আইন বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়ন এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান – প্রতিটি অধ্যায়ে বিএনপি জনগণের শক্তিতে ইতিহাসের মোড় পরিবর্তনে নেতৃত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী সব সংস্কার এসেছে বিএনপির হাত ধরে।

বিএনপি প্রতিবারই ধ্বংসের মুখ থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করেছে। দুর্ভিক্ষ ও বাকশাল পরবর্তী অর্থনীতি পুনর্গঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কৃষিতে সবুজ বিপ্লব, জনশক্তি রপ্তানি এবং শিল্প উৎপাদনের বিস্তার করে অর্থনীতিতে পুনর্জীবন দান করেন। বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি কৃষি উন্নয়ন, গার্মেন্টস ও রেমিট্যান্স জিয়াউর রহমানেরই অবদান। তিনিই প্রথম একটি বিশেষ ব্লকবদ্ধ অর্থনীতিকে প্রাথমিকভাবে মিশ্র ও পরবর্তীতে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে রূপান্তর করেন। সার্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণতকরণ, ওআইসি তথা সমগ্র মুসলিম বিশ্বের সাথে সুদৃঢ় সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের প্রকৃত ভিত্তি রচনা করেন, যার ফলে বাংলাদেশ প্রথম স্বাধীনভাবে পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ দর্শন প্রবর্তন, গণমাধ্যমকে মুক্ত করে স্বাধীন গণমাধ্যম ও বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি ঐক্যবদ্ধ জাতিগঠন ও দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় প্রকৃত ভিত্তি স্থাপন করেন।

বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ভাঙ্গা অর্থনীতিতে প্রাণ সঞ্চার করে গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ, বৈশ্বিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের বিস্তৃতি, মধ্যবিত্তের বিকাশ ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির পথপরিক্রমা সূচনা করেন। তিনি ভ্যাট ব্যবস্থার প্রবর্তন, শুল্ক ও আমদানি কাঠামোর আধুনিকায়ন এবং বেসরকারি বিনিয়োগবান্ধব নীতির মাধ্যমে অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেন। নারীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা, নারীর আনুষ্ঠানিক শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ, শিশু ও মাতৃসেবার উন্নয়ন, প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীতে নারীদের সমান অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত করে নারীর ক্ষমতায়নের অগ্রদূতে পরিণত হন। বিএনপির শাসনামলেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে দারিদ্র্যের কষাঘাত থেকে মুক্ত করা হয়। তাঁর সময়ে বিশ্বে বাংলাদেশ ‘ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে খ্যাত হয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা রাষ্ট্রদর্শন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন-২০৩০’ এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা — এই ধারাবাহিকতাই বিএনপির রাজনীতির মৌলিক ভিত্তি। বিএনপির রাজনীতি স্লোগান নির্ভর নয়, বরং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ভিত্তিক। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যাপক সামাজিক পরিকল্পনা মানুষের কর্মসংস্থান, সুশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, সুষম উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, আইনের শাসন এবং সামাজিক ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশকে বাস্তব উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ। এই প্রেক্ষাপটে, চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত “We have a plan” এর আলোকে বিএনপি একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে জনগণের সামনে নিম্নোক্ত নির্বাচনী অঙ্গীকারসমূহ উপস্থাপন করছে:

নির্বাচনী অঙ্গীকার: প্রধান প্রতিশ্রুতি

  • প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থ সেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে।
  • কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী খামারি ও কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।
  • দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
  • আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা এবং ‘মিড-ডে মিল’ চালু করা হবে।
  • তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণ এবং মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
  • ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।
  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল খনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।
  • ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
  • ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম (পেপাল) চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা হবে।

এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়; এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই আমাদের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন; ভয় নয়, অধিকার; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা—এই নীতিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।

জনগণের রায়ে দায়িত্ব পেলে বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবে, যেখানে ভোটারের মর্যাদা থাকবে, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান হবে, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ থাকবে না এবং প্রতিটি নাগরিক গর্ব করে বলতে পারবে— সবার আগে বাংলাদেশ।”

বিষয়: ইশতেহারবিএনপিনির্বাচনতারেক রহমানঢাকাত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনরাজনীতি
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    পদত্যাগকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. কাউছার হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে আমরা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি।” তবে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন উপাচার্য।

  • ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার ইসি জানিয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন তফসিল চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ তা ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং ক

  • হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার কাফরুল থানার হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

  • মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    শান্তর মামা মিরাজ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় নদীর পাড়ে এভাবে বাঁধা অবস্থায় থাকলে জোয়ারের পানিতে ডুবে শান্ত মারা যেতে পারতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীর পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।