Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১

পাকিস্তানি বাহিনী হার মানলেও ভুট্টো অনড়

ফজলে রাব্বি

ফজলে রাব্বি

প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১: ৩৭
পাকিস্তানি বাহিনী হার মানলেও ভুট্টো অনড়

১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো যুদ্ধে পরাজয় মেনে না নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার জন্য দায়ী করেন এবং এই ‘লজ্জাজনক আত্মসমর্পণ’ মেনে নিতে অস্বীকার করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সংক্ষিপ্ত অধিবেশনে পোল্যান্ডের প্রস্তাবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বলা হয়। একই সঙ্গে অবিলম্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির আদেশ দিতেও বলা হয়।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন, “আজ আমার দেশের ইতিহাসে এক গুরুতর মুহূর্তে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি এবং আমি পরিষদের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি তারা যেন আমার সঙ্গে থাকেন এবং সত্য শোনেন, সেই তিক্ত সত্য।...আমি পাকিস্তানের এই লজ্জাজনক আত্মসমর্পণের অংশীদার হব না। আপনারা আপনাদের নিরাপত্তা পরিষদ রাখুন। আমি চললাম।”

ক্ষোভে উন্মত্ত ভুট্টো একপর্যায়ে তার সামনে থাকা খসড়া প্রস্তাবের কাগজপত্রগুলি ছিঁড়ে ফেলেন এবং নিরাপত্তা পরিষদের এজেন্ডাকে ‘শেমফুল ক্যাপিচুলেশন (লজ্জাজনক আত্মসমর্পণ)’ বলে আখ্যায়িত করে তার প্রতিনিধি দল নিয়ে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দেশে ফিরে গিয়ে তিনি ‘লড়াই করবেন’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
কবির কাটা মাথা কাপড় শুকানোর তারে ঝুলিয়ে রেখেছিল স্বাধীনতাবিরোধীরাGemini_Generated_Image_hl4yc3hl4yc3hl4y

কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ ১৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণের জন্য শেষবারের মতো নির্দেশ দেন। এর আগে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজি বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল হারটি ডি স্পিভাকের মাধ্যমে দিল্লির যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে যুদ্ধবিরতির আরজি পাঠান।

নিয়াজির বার্তায় সাক্ষী হিসেবে সই করেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। দিল্লির যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস সেটি ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মানেকশ’র কাছে পাঠায়। জেনারেল মানেকশ সঙ্গে সঙ্গে বিকেল ৫টা থেকে ১৬ ডিসেম্বর সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকায় বিমান হামলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের মাধ্যমে তার উত্তরে মানেকশ যুদ্ধবিরতির বদলে আত্মসমর্পণ করতে বলেন। তিনি জানান, বিমানবাহিনীর আক্রমণ বন্ধ থাকলেও ভারতীয় স্থলবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর অভিযান চলবে। সকাল ৯টার মধ্যে শর্তহীন আত্মসমর্পণ না করলে আবার বিমান হামলা শুরু হবে। তারা আত্মসমর্পণ করলে জেনেভা কনভেনশনের পূর্ণ সুযোগ প্রদানের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়।

ওদিকে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই দিন পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী জাহাজ এন্টারপ্রাইজের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের একাংশ বঙ্গোপসাগরে আসে। বহরে ছিল আক্রমণক্ষম হেলিকপ্টারবাহী জাহাজ ট্রিপল ই-সহ কয়েকটি রণতরি। ট্রিপল ই-তে ছিল ২৩টি হেলিকপ্টার, অন্য জাহাজে ছিল ডেস্ট্রয়ার এবং উপকূলে অবতরণের বঙ্গোপসাগরে আসে।

বুদ্ধিজীবী হত্যা: ব্রিটিশ সাংবাদিকের বয়ানে ‘সুপরিকল্পিত চক্রান্ত’rayer bazar

সপ্তম নৌবহরের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে এই দিন ২০টি সোভিয়েত রণতরি ভারত মহাসাগরে এসে জড়ো হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্ররা বলেন, ৯ ডিসেম্বর সুসিমা প্রণালির ভেতর দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রবাহী একটি সোভিয়েত ফ্রিগেট এবং পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণক্ষম ডুবোজাহাজও বঙ্গোপসাগরের দিকে রওনা দিয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ভারতীয় নৌবাহিনীর সমর্থনে সোভিয়েত রণতরি ভারত মহাসাগরে অবস্থান নিলে সপ্তম নৌবহর তার দিক পরিবর্তন করে। এর মধ্য দিয়েই মূলত আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং পরাশক্তিগুলোর মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে ভারত এবং পাকিস্তানের পক্ষে বিপক্ষের তৎপরতার যবনিকা পড়ে।

তথ্যসূত্র:

United Nations Security Council (UNSC) Records: Proceedings of the 1621st and 1622nd meetings concerning the India-Pakistan situation, December 15, 1971.

দ্যা ডন সংবাদপত্র আর্কাইভ: From The Past Pages Of Dawn: 1971: Fifty Years Ago: Bhutto walks out of UN (ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১ সংখ্যা)।

আনন্দবাজার পত্রিকা, ভারত

একাত্তরের দিনপঞ্জি, সাজ্জাদ শরিফ ও রাশেদুর রহমান

বিষয়: পাকিস্তানবাংলাদেশসোভিয়েত ইউনিয়নমুক্তিযুদ্ধযুক্তরাষ্ট্র
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া