
১৮৭৯ সালে ইউক্রেনে রুশ-ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণকারী ট্রটস্কি কিশোর বয়সেই মার্ক্সবাদে দীক্ষিত হন। পরবর্তীতে তিনি ওডেসা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড ‘সাউথ রাশিয়ান ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন’ সংগঠিত করতে সহায়তা করেন। ১৮৯৮ সালে বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি গ্রেপ্তার হন।

১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো যুদ্ধে পরাজয় মেনে না নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি তার বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার জন্য দায়ী করেন।

১৩ ডিসেম্বর ১৯৭১
মুজিবনগরের একটি সূত্র এদিন জানায়, বাংলাদেশে পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাদের পরাজয় সুনিশ্চিত বুঝতে পেরে রিচার্ড নিক্সন সপ্তম নৌবহরকে আদেশ দিয়েছেন, তাদের একাংশ যেন এখনই বঙ্গোপসাগরে চলে যায়। ওয়াশিংটন মস্কোকে আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করতে চায় না। তবে এটাও চায় না যে পাকিস্তান ভেঙে পড়ুক।

পুতিন বারবার তাদের এই দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছেন যে, ন্যাটোর উপর আক্রমণ করার কোনো পরিকল্পনা তার নেই এবং তার মতে ন্যাটোর প্রচলিত সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিপরীতে রাশিয়ার জন্য এমন পদক্ষেপ বোকামি হবে।

৫ ডিসেম্বর, ১৯৭১
রণাঙ্গনে ক্রমাগত কোণঠাসা হয়ে পড়া পাকিস্তানি সৈন্যদের সম্মান বাঁচানোর শেষ চেষ্টা চলতে থাকে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে। বাংলাদেশকে ঘিরে ঠান্ডা যুদ্ধে লিপ্ত পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়াও চীনও তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে।

৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম সংসদের উচ্চ ও নিম্নকক্ষে (রাজ্যসভা ও লোকসভা) বিশেষ অধিবেশনে জানান, ভারতীয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে একযোগে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মোকাবিলা করছে।