Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

ট্রাম্পের কমিউনিজম ভীতি ও শোকের শক্তি

সোহরাব হাসান

সোহরাব হাসান

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ১৩: ৩৫
ট্রাম্পের কমিউনিজম ভীতি ও শোকের শক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল পার্কে ভাষণ দিচ্ছিলেন, তখন পৃথিবীর আরেক প্রান্ত তেহরানে লাখ লাখ মানুষ সমবেত হন ইসরাইলি-যুক্তরাষ্ট্র বাহিনীর যৌথ অভিযানে খুন হওয়া ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে অন্তিম বিদায় জানাতে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের কঠিন বার্তাই বটে। বাংলাদেশসহ শতাধিক দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা খামেনির শেষকৃত্যে সাগ্রহে অংশ নিয়েছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের ভাষণ চলাকালে অনেক মানুষ সমাবেশ স্থল ত্যাগ করেছেন। শুধু বৈরি আবহাওয়ার কারণে এটি ঘটেনি, আমেরিকার জনগণ অনেক আগেই তার প্রতি অনাস্থা জানিয়েছে।

খামেনির জানাজায় লাখ লাখ মানুষের আবেগপূর্ণ উপস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি যাকে ভেবেছিলেন ইরানিরা ‘ঘৃণা’ করে, তিনিই হয়ে উঠেছেন দেশটির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। ট্রাম্প এখানেই থেমে থাকেননি। তিনি আলি খামেনির জানাজায় অংশগ্রহণকারী দেশটির অবশিষ্ট শীর্ষ নেতৃত্বকে মাত্র ‘একটি গুলির’ মাধ্যমে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারেন বলেও হুমকি দিয়েছেন। একজন মানুষ কতটা বিবেকবর্জিত হলে এ রকম মন্তব্য করতে পারেন।

ইরানিদের কাছে নাস্তনাবুদ হওয়ার পরও ট্রাম্প দাবি করেন, ‘আমরা ভেনিজুয়েলাকে একদিনে হারিয়েছি এবং ইরানকেও চরম বেকায়দায় ফেলেছি। আমরা দয়ালু বলেই জানাজার আনুষ্ঠানিকতার জন্য তাদের এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।’ তার এই দম্ভোক্তি যে কত অসার তেহরানে, কোমে ও কারবালায় খামেনির শেষকৃত্যানুষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিই তা প্রমাণ করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল মলে আয়োজিত সমাবেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। টেনে আনেন দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধের কথাও। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো যুদ্ধেই যুক্তরাষ্ট্র জয়ী হয়নি। আমেরিকার সাধারণ মানুষের প্রবল প্রতিবাদের মুখে যেমন সাবেক রাষ্ট্রনেতাদের ভিয়েতনাম, ইরাক প্রভৃতি দেশ থেকে পাততাড়ি গোটাতে হয়েছে, এবারেও ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে বাধ্য হচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নো কিংস স্লোগান তুলে ৮০ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল।

চীন কি নতুন বিশ্বমোড়ল? ট্রাম্প-কিম সম্পর্কের আসল রহস্য!thumbnailbee_CAtkHlKfIGg_hq

৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে ট্রাম্প কমিউনিজমকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার জন্য হুমকি’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘কমিউনিজম ব্যর্থ মতবাদ। সব সময় এটি ব্যর্থই থাকবে। এটা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। এ ব্যবস্থা কখনোই সফল হয়নি।’

প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীর কোথাও কমিউনিজম নেই। কমিউনিজম হলো সমাজতান্ত্রিক সমাজের চূড়ান্ত ধাপ। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন কমিউনিজম থেকে অনেক আগেই সরে এসেছিল। সেখানে ভ্লাদিমির পুতিন পুঁজিবাদী ব্যবস্থাই চালু করেছেন। চীনও সমাজতন্ত্র থেকে সরে এসেছে। তারপরও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথায় কমিউনিজমের ভুত চাপার কারণ দর্শন হিসেবে এর শ্রেষ্ঠত্ব। কমিউনিজম ব্যর্থ হয়েছে আমলাতান্ত্রিক ও একনায়কত্ববাদী ব্যবস্থার কারণে। ট্রাম্প কমিউনিজমের বিরোধিতা করলেও তার দেশে একনায়কত্বই কায়েম করেছেন। তিনি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাচারী কায়দায় একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন, যা কেবল সেখানকার নাগরিকদের অধিকার খর্ব করছে না, সারা বিশ্বের মানুষকেও আতঙ্কের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে।

trump-speech-at-independent-day-prgrm

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার ভাষণে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস প্রমাণ করে যে, এ দেশ কখনোই কাউকে নিজের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে দেবে না’। কেন তিনি আগ বাড়িয়ে এই বার্তা দিলেন? তাহলে কি তার ভেতরেও ভয় ঢুকে গেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের এই সমাজব্যবস্থা টিকবে না?

ট্রাম্প যাকে আমেরিকার স্বর্ণযুগের সূচনা বলে আখ্যায়িত করেছেন, অনেকে সেটাকে পতনের সূচনা বলেও অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতেই যুক্তরাষ্ট্রের পতনের সূচনা হতে চলেছে।

আমেরিকার কি পতন হতে চলেছে?us-failed state

ব্যক্তি স্বাধীনতার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রে তিনি নিজ দেশের নাগরিকদেরও রেখেছেন ভয়ভীতির মধ্যে। দেশটিতে বৈষম্যের সঙ্গে বেড়েছে বেকারত্ব। মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষ চিড়েচ্যাপ্টা। ট্রাম্পের কমিউনিজমভীতির পেছনে আরও একটি কারণ আছে। সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়েও নিউইয়র্কের মেয়র পদে মামদানির জয় ঠেকাতে পারেননি। মামদানি কমিউনিজমের সমর্থক না হলেও নিজেকে সমাজতান্ত্রিক হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি নিউইয়র্কবাসীর জন্য এমন কিছু জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়েছেন, যা অতীতের কোনো মেয়র নেননি। সামনে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। নানা কারণে চাপে থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন কমিউনিজমকেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আমেরিকার স্বাধীনতা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না’ বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করার পাশাপাশি অন্য দেশের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন। ভেনিজুয়েলার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক সেই দেশ থেকে ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের মুখোমুখি করেছেন। ইরানে রেজিম চেঞ্জের কথা বলে সেখানকার শীর্ষ নেতাকে হত্যা করেছেন। কোনো দেশে কে সরকার গঠন করবে, সেটি সেই দেশের জনগণ ঠিক করবে। এমনকি সেখানে অনির্বাচিত বা কর্তৃত্ববাদী সরকার থাকলেও তা পরিবর্তনের দায়িত্ব সেই দেশের জনগণের, যুক্তরাষ্ট্রের নয়।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই শুরু হচ্ছে আমেরিকা-ইরান বৈঠকhormuz (1)

চার মাস ধরে চলা যুদ্ধে ইরানের তিন থেকে পাঁচ হাজার মানুষ মারা গেছে, যাদের একটা বড় অংশ বেসামরিক নাগরিক। আকাশ থেকে বোমা ফেলে বিদ্যালয়ে পাঠরত অবস্থায় শিক্ষার্থীদের হত্যা করা হয়েছে। ধবংস করা হয়েছে, দেশটির অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা। তারপরও ইরানের সরকার ও জনগণ এতটুকু বিচলিত হয়নি।

AP26187170914201

২৮ ফেব্রুয়ারি আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হলেও যুদ্ধের কারণে এতদিন ইরান সরকার শেষকৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেনি। সম্প্রতি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সেই সুযোগ এনে দেয়। সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে ৬ দিন ব্যাপী শেষকৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করে, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ এসেছেন।

যে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেছিলেন, ইরান জয় করে ফেলেছেন, সেই নেতার রাজসিক বিদায়কে তিনি কোনোভাবে মেনে নিতে পারেননি। তিনি ভেবেছিলেন, ইরানের মানুষ তাকে ঘৃণা করে। আজ খামেনির শেষকৃত্যে লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হয়ে জানিয়ে দিল, কাকে তারা ঘৃণা করে। কাকে ভালোবাসে। অস্ত্র ও শক্তি দিয়ে আর যা-ই হোক মানুষের ভালোবাসা ও সমীহ আদায় করা যায় না।

ইরানি নেতার শেষকৃত্যে যেসব নেতা যোগ দিয়েছেন, তারা সবাই ইরানি শাসনব্যবস্থার অনুসারী নন, অনেকে বিরোধিতাও করেন। কিন্তু গুপ্তঘাতকের বেশে তাকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, তাতে শক্তির উন্মত্ততা প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে খামেনির জানাজায় লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হয়েছে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘অস্ত্র ও দম্ভের চেয়ে শোকের শক্তি অনেক বেশি।’

লেখক: সম্পাদক, চরচা

বিষয়: আমেরিকাইরানডোনাল্ড ট্রাম্পহত্যাহত্যাকাণ্ডইসরায়েলআয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া